Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র সংকট সমাধান না হলে প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতিতে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 108 বার

প্রকাশিত: October 4, 2013 | 3:27 PM

জামাল উদ্দীন : যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বাজেট নিয়ে সৃষ্ট সংকট বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। কারণ ২০০৮ এর মন্দাবস্থা থেকে বেরিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি সবে গতি পেতে শুরু করেছে। এখনি আরেকটি ধাক্কা খেলে তা কাটিয়ে ওঠা সহজ হবে না। বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকেও বলা হচ্ছে, যদি ঋণসীমা বৃদ্ধির বিষয়টি নিস্পত্তি না হয়, তবে এই সংকট এতটাই তীব্র হবে, যার অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিশ্ব অর্থনীতি। ইতিমধ্যে এর প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারের বিভিন্ন সূচক কমে গেছে। এদিকে শুধু আর্থিক বিষয়ই নয়, সম্প্রতি ক্যাপিটাল হিলের সামনে গুলির ঘটনাও যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ১৭ অক্টোবরের মধ্যে ঋণের সিলিং উন্নীত না করলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে এবং তা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই নয় বরং বিশ্ব বাণিজ্যের জন্যও ইতিবাচক হবে না। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রধানও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, অবিলম্বে ঋণের সিলিং না বাড়ালে এটা শুধু আমেরিকার জন্যই নয়, বিশ্ব অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ বলেছে, মাত্র ৩০ বিলিয়ন ডলার নগদ সংস্থান করা যাচ্ছে এবং দৈনন্দিন যে রাজস্ব আসছে তা দিয়ে দেনা শোধ করার মত পরিস্থিতি নেই। সিএনএন মানি’র এক জরিপে অন্তত এক ডজন অর্থনীতিবিদ বলেছেন, ঋণ না বাড়ালে মন্দা এড়ানোর কোন সুযোগই থাকবে না। 
এদিকে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তার অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তিনি সিএনবিসি’র সঙ্গে সাক্ষাতকারে বলেন, রিপাবলিকানরা সরকারি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে একটি বিল পাস না করলে এবং মার্কিন সরকারের ঋণ গ্রহণের সিলিং ১৬ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত না বাড়ানো পর্যন্ত তিনি বাজেট বিষয়ে আলোচনা করবেন না। তিনি বলেন, আমরা যদি একটি দলের কয়েকজন ‘চরমপন্থি’ লোককে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ও বিশ্বাসকে হেয়প্রতিপন্ন করার সুযোগ দিতে মাথা নত করি, তবে আমার পর যিনিই প্রেসিডেন্ট হবেন, তার পক্ষে সুষ্ঠুভাবে সরকার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। আমি তাদের সেই অনিষ্ট করার সুযোগ দিতে পারি না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যা ঘটেছে তাতে তিনি যারপরনাই মর্মাহত। কারণ এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করার কোনো প্রয়োজনই ছিল না। এর আগে ওবামা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াল স্ট্রিটের সবচে বড় ব্যাংকগুলোর প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন। 
যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান অচলাবস্থাকে ‘অর্থনৈতিক বিপর্যয়’ হিসাবে দেখছে বিশ্ব সংস্থাগুলোও। কারো কারো মতে, বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশটিতে ২০০৮ এর মন্দাও এমন কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারেনি। আমেরিকায় স্বাস্থ্যখাতের বাজেট (যা ‘ওবামা কেয়ার’ নামে পরিচিত) নিয়ে সৃষ্ট এই অচলাবস্থার মধ্যে সামাজিক অস্থিরতারও সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে এই অবস্থা বিশ্ব অর্থনীতির জন্যও হুমকি স্বরূপ। কারণ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে যে ‘খেলাপি’ হয়ে গেলে নাটকীয় ভাবেই আরো খারাপ কিছু ঘটে যাবে। 
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকে সৃষ্ট এই জটিলতার জন্য দেশটির সাত লাখেরও বেশি কর্মীর ভাগ্য বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। কিছু সেবা কার্যক্রমও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং সংস্থা ‘গোল্ডম্যান স্যাকস’ এর মতে, এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষতি হচ্ছে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হারে। কোন কোন সংস্থা চলতি মাসকে ঋণ সিলিংয়ের ‘ডেঞ্জার জোন’ হিসাবেও আখ্যায়িত করেছে। ইউএস ট্রেজারির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঋণ বৃদ্ধির সিলিং নির্ধারণে জটিলতা দেখা দিলে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে এবং তা সাধারণ ঋণ বাজারকেও স্তিমিত করে দেবে। বাড়াবে সুদের হার, কমাবে ডলারের মূল্য এবং আরেকটি মন্দার দিকে ধাবিত করবে। আর যদি তাই হয়, তবে এক জেনারেশনেরও বেশি সময় ধরে এর ভোগান্তি পোহাতে হবে। 
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে বাংলাদেশি পণ্যের একক বৃহত্তম আমদানিকারক দেশ। সেখানকার পরিস্থিতি খারাপ হলে, কর্মসংস্থান না হলে, আয় না বাড়লে তারা খরচ কমিয়ে দেবে। তাতে পণ্যের চাহিদাও কমে যেতে পারে। যা বাংলাদেশের রফতানি আয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। যদিও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী আশা প্রকাশ করেন যে, সৃষ্ট অচলাবস্থা ১৭ অক্টোবরের আগেই হয়তো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। তাতে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো যাবে।ইত্তেফাক

আমেরিকার মিশন ক্রিটিক্যাল

 ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ঋণ সঙ্কটকে ‘মিশন ক্রিটিক্যাল’ বলে আখ্যায়িত করেছে আইএমএফ। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছে, দেশটির চলমান অর্থনৈতিক সঙ্কট শুধু তাদের জন্যই নয় বরং সারা বিশ্বের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ঋণ গ্রহণের নির্ধারিত সীমা এবং বাজেটকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা চলছে সেটা সার্বিক পরিস্থিতির জন্য সহায়ক নয় বলে মন্তব্য করেন আইএমএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন লাগার্ডে। যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ গ্রহণের নির্ধারিত সীমাকে বাড়াতে না পারলে এটা শুধু মার্কিন অর্থনীতি নয় বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। যত দ্রুত সম্ভব এ মিশন ক্রিটিক্যাল উত্তরণ করার তাগিদ দেন ক্রিস্টিন। জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি একথা বলেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বুধবার হোয়াইট হাউজে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সিএনবিসিকে বলেন, ওয়াশিংটনের চলমান পরিস্থিতি ওয়াল স্ট্রিটের জন্য সাংঘাতিক উদ্বেগের কারণ। ওয়াশিংটনের অচলাবস্থা কোন নতুন বিষয় না হলেও এ দফায় ওয়াল স্ট্রিটের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন ওবামা। সরকারী অর্থায়ন নিয়ে কংগ্রেসের রিপাবলিকান আর হোয়াইট হাউজ যার যার অবস্থানে অনড়। রিপাবলিকানদের একরোখা অবস্থান ওবামার হেলথ ইনস্যুরেন্স সংস্কার কাজ বন্ধ করে দেয়ার জন্য এক কৌশল বলে আখ্যায়িত করছেন অনেকে। কংগ্রেস নেতৃবৃন্দকে ওবামা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারি অচলাবস্থা এবং ঋণের সীমা বাড়ানো নিয়ে তিনি রিপাবলিকানদের সঙ্গে কোন প্রকার সমঝোতা করবেন না। হোয়াইট হাউজে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আলোচনার পরও কোন সমাধানে পৌঁছুতে পারেননি নেতৃবৃন্দ। আলোচনার পর হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে ওবামা মন্তব্য করেছেন, তিনি এখনও আশাবাদী বাজেট সংক্রান্ত অচলাবস্থা শেষ পর্যন্ত নিরসন হবে। তহবিল কমানোর জন্য ওবামার সম্মতি অথবা হেলথকেয়ার সংস্কার কার্যক্রম পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছে রিপাবলিকানরা। এর পরিবর্তে সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত বিলগুলো অনুমোদন দিয়ে সরকারি অচলাবস্থা দূর করার প্রস্তাব দিয়েছেন তারা। ওভাল অফিসে ওবামা শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার জন বোয়েনার, সিনেট রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাকনেল। এছাড়াও সিনেট মেজরিটি নেতা হ্যারি রিড এবং হাউড ডেমোক্রেট নেতা ন্যান্সি পেলোসি উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার সরকারি অচলাবস্থা শুরু হওয়ার পর থেকে এটাই তাদের মধ্যে প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। মার্কিন কংগ্রেস যদি তাদের ঋণ গ্রহণের সীমা ১৬.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে ব্যর্থ হয় তাহলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক বাজার এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।মানবজমিন

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV