পররাষ্ট্র দপ্তরের ভিসা তদবিরে বৃটিশ হাইকমিশনের না
মিজানুর রহমান: ভিসা তদবিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আর কোন লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন (এলওআই) গ্রহণ করবে না ঢাকাস্থ বৃটিশ হাইকমিশন। মন্ত্রণালয়ে নোট ভারবাল পাঠিয়ে হাইকমিশন তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে। একাধিক কূটনৈতিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র মতে, এলওআই গ্রহণে হাইকমিশন ‘অপরাগতা’ প্রকাশ করলেও রাষ্ট্র বা সরকারের জরুরি প্রয়োজনে যে কোন নাগরিকের জন্য নোট ভারবাল গ্রহণে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে । অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে হাইকমিশন তাদের নোট ভারবালটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সূত্র জানায়, এরপর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃটিশ হাইকমিশনের জন্য আর কোন লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ইস্যু করেনি। রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা পরিচিতদের জন্য ভিসা প্রদানে সহায়তার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার অনুবিভাগ থেকে এলওআই ইস্যু করার বিধান রয়েছে। একটি নির্ধারিত ছকে কাউকে এড্রেস না করে ভিসা আবেদনকারীর নাম-পরিচয় উল্লেখ করে তাকে সহযোগিতার অনুরোধ জানানো হয় ওই পত্রে। বেশ ক’বছর ধরে এটি চলে আসছে। ঢাকাস্থ বিদেশ মিশনগুলো এতদিন তা আমলে নিলেও এখন অনেকেই তা গ্রহণ করতে চায় না। পররাষ্ট্র দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এলওআই নিয়ে একেক মিশন একেকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এক কর্মকর্তা বলেন, কোন কালেই এলওআই’র কূটনৈতিক মূল্য ছিল না। সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিভিন্নমুখী তদবিরে অনেকটা বাধ্য হয়েই কনস্যুলার অনুবিভাগ তা ইস্যু করে। তা আদৌ কোন কাজে আসে কিনা এটা কোন দিনই খতিয়ে দেখা হয়নি। অপর এক কর্মকর্তা বলেন, এলওআই ইস্যু করার পরও অনেকের জন্য তদবিরের চাপ আসে। সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগের জুনিয়র কর্মকর্তাদের দিয়ে তা করানো হয়। অনেকেই এখন আর ভিসা তদবির করতে চান না, তারপরও করতে হয়। মেডিকেল কিংবা একান্ত মানবিক কারণে তদবির হলে তা গায়ে লাগে না মন্তব্য করে ওই কর্মকর্তা বলেন, এখন প্রভাবশালীদের আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনের প্লেজার ট্রিপের জন্যও ভিসা তদবির করতে হয়। তাদের জন্য এলওআই ইস্যু করতে হয়, ফোন করে ভিসা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করতে হয়। ঘটনাগুলো ‘দুঃখজনক’ বলেও মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা। এদিকে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এলওআই নিয়ে বৃটিশ হাইকমিশনের এমন প্রতিক্রিয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে মন্ত্রণালয়। বাকি মিশনগুলোর মনোভাব পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অনেক মিশন মৌখিকভাবে তা ইস্যু না করতে অনেক আগেই অনুরোধ করেছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, কেউ-ই এখন আর তা গ্রহণ করতে চান না। এলওআই নয় নোট ভারবাল পাঠালেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিয়মের বাইরে এক চুলও যায় না। জোর তদবির সত্ত্বেও গত মে মাস থেকে মার্কিন দূতাবাসে অনেক ভিসার আবেদন ঝুলে আছে, বেশ ক’টা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিদিন ৩৫-৪০টি এলওআই ইস্যু হয় জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, কড়াকড়ি আরোপ করা হলে তা আরও অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশে সাধারণ নাগরিকের জন্য ভিসা তদবিরে এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক পত্র দেয়ার রেওয়াজ নেই। কারণ ভিসা দেয়া না দেয়ার বিষয়টি একান্তভাবে ওই রাষ্ট্রের এখতিয়ার।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী