পপসঙ্গীত দিয়ে বিদ্যুত্ উত্পাদন

পপসঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে সৌরকোষে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুত্ উত্পাদন বাড়তে পারে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীরা এক গবেষণায় এমনই তথ্য দিলেন। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পপসঙ্গীত পরিবেশনের সময় সৌরকোষের বিদ্যুত্ উত্পাদন কমপক্ষে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। তবে এই উত্পাদন ক্ল্যাসিক্যাল পপসঙ্গীতে নয়, বর্তমান পপ মিউজিকেই কেবল সম্ভব হতে পারে।
কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন এবং ইমপেরিয়াল কলেজ অব লন্ডনের যৌথ গবেষকেরা বলছেন, পশ্চিমা বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী পপ ও রকসঙ্গীতের রয়েছে উচ্চ কম্পাঙ্ক ও উচ্চগ্রাম। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে তৈরি অনুনাদ বা কম্পনের প্রভাবে সৌরবিদ্যুত্ কোষে শক্তি উত্পাদন ত্বরান্বিত হয়। গবেষকেরা জিংক অক্সাইডের তৈরি কোটি কোটি সূক্ষ্ম দণ্ড তৈরি করেন। তারপর সেগুলো একটি সক্রিয় পলিমারে ঢেকে
দেন। এভাবেই তৈরি করা হয় একটি যন্ত্র, যা সূর্যালোককে বিদ্যুত্ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। তবে লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির গবেষক স্টিভ ডান এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষক জেমস ডুরান্ট জানিয়েছেন, এর একটি দুর্বল দিক রয়েছে। মাত্র এক দশমিক দুই ভাগ রয়েছে এর কার্যকারিতা।
কিন্তু এই সঙ্কটকে উতরে গেছেন বিজ্ঞানীরা। এতে ডান এবং ডুরান্ট জিঙ্ক অক্সাইডে আরও অগ্রগতি আনতে সক্ষম হয়েছেন। এতে তারা আরেক ধরনের জিঙ্ক অক্সাইড ন্যানোস্ক্যাল বা ধাতব কম্পনের জন্য বিপুল দণ্ড তৈরি করেন। যাতে পপসংগীত পরিবেশনের সময় সাউন্ডের মাধ্যমে যে তরঙ্গ ও কম্পন সৃষ্টি হয়, সেটি যেন যান্ত্রিক চাপে সাড়া দিতে পারে। এভাবেই এই চাপ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
ডান বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো করার চেষ্টা করেছি। পপ, রক এবং ক্ল্যাসিক্যালসহ বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীত নিয়ে এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি।’
পপ দিয়ে এভাবে বিদ্যুত্ উত্পাদনের কারণ সম্পর্কে তারা জানিয়েছেন, রক এবং পপ খুবই শক্তিশালী এবং কার্যকর। এতে ধ্বনির উচ্চাঙ্গতা, তীব্র ফ্রিকোয়েন্সি, বিপুল তরঙ্গকেই তারা বিদ্যুত্শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একটি ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর সাউন্ডকে সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করার জন্য গবেষকরা তাতে একটি সিগন্যাল জেনারেটরও ব্যবহার করেছেন, যাতে তারা উচ্চধ্বনির চাপকে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ফ্রিকোয়েন্সিতে নিয়ে যেতে পারেন।
ডান জানিয়েছেন, বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গীতের উচ্চতরঙ্গ ও ফ্রিকোয়েন্সির ভিত্তিতে সৌরকোষের এ পর্যায়ের গবেষণা এখনও উপযোগী হয়ে ওঠেনি। তবে এটা সম্ভব হতে পারে। আমরা যে অগ্রগতি এনেছি, তাকে আরও এগিয়ে নেয়ার জন্য নতুন সৌরকোষের নকশা এবং যদি তা কার্যকর নির্মাণ করা যায় তবেই সম্ভব।
উল্লেখ্য, পপ মিউজিকের ওপর ভিত্তি করে সৌরকোষের মাধ্যমে বিদ্যুত্ উত্পাদন তৈরির ‘স্পার্কস ফ্লাই হোয়েন সোলার সেলস ডিগ দ্যাট ফাঙ্কি বিট’ শিরোনামের এই গবেষণা নিবন্ধটি নিউ সায়েন্টিস্ট জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।আমার দেশ
কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন এবং ইমপেরিয়াল কলেজ অব লন্ডনের যৌথ গবেষকেরা বলছেন, পশ্চিমা বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী পপ ও রকসঙ্গীতের রয়েছে উচ্চ কম্পাঙ্ক ও উচ্চগ্রাম। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে তৈরি অনুনাদ বা কম্পনের প্রভাবে সৌরবিদ্যুত্ কোষে শক্তি উত্পাদন ত্বরান্বিত হয়। গবেষকেরা জিংক অক্সাইডের তৈরি কোটি কোটি সূক্ষ্ম দণ্ড তৈরি করেন। তারপর সেগুলো একটি সক্রিয় পলিমারে ঢেকে
দেন। এভাবেই তৈরি করা হয় একটি যন্ত্র, যা সূর্যালোককে বিদ্যুত্ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। তবে লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির গবেষক স্টিভ ডান এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের গবেষক জেমস ডুরান্ট জানিয়েছেন, এর একটি দুর্বল দিক রয়েছে। মাত্র এক দশমিক দুই ভাগ রয়েছে এর কার্যকারিতা।
কিন্তু এই সঙ্কটকে উতরে গেছেন বিজ্ঞানীরা। এতে ডান এবং ডুরান্ট জিঙ্ক অক্সাইডে আরও অগ্রগতি আনতে সক্ষম হয়েছেন। এতে তারা আরেক ধরনের জিঙ্ক অক্সাইড ন্যানোস্ক্যাল বা ধাতব কম্পনের জন্য বিপুল দণ্ড তৈরি করেন। যাতে পপসংগীত পরিবেশনের সময় সাউন্ডের মাধ্যমে যে তরঙ্গ ও কম্পন সৃষ্টি হয়, সেটি যেন যান্ত্রিক চাপে সাড়া দিতে পারে। এভাবেই এই চাপ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
ডান বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো করার চেষ্টা করেছি। পপ, রক এবং ক্ল্যাসিক্যালসহ বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীত নিয়ে এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি।’
পপ দিয়ে এভাবে বিদ্যুত্ উত্পাদনের কারণ সম্পর্কে তারা জানিয়েছেন, রক এবং পপ খুবই শক্তিশালী এবং কার্যকর। এতে ধ্বনির উচ্চাঙ্গতা, তীব্র ফ্রিকোয়েন্সি, বিপুল তরঙ্গকেই তারা বিদ্যুত্শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। একটি ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর সাউন্ডকে সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করার জন্য গবেষকরা তাতে একটি সিগন্যাল জেনারেটরও ব্যবহার করেছেন, যাতে তারা উচ্চধ্বনির চাপকে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ফ্রিকোয়েন্সিতে নিয়ে যেতে পারেন।
ডান জানিয়েছেন, বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সঙ্গীতের উচ্চতরঙ্গ ও ফ্রিকোয়েন্সির ভিত্তিতে সৌরকোষের এ পর্যায়ের গবেষণা এখনও উপযোগী হয়ে ওঠেনি। তবে এটা সম্ভব হতে পারে। আমরা যে অগ্রগতি এনেছি, তাকে আরও এগিয়ে নেয়ার জন্য নতুন সৌরকোষের নকশা এবং যদি তা কার্যকর নির্মাণ করা যায় তবেই সম্ভব।
উল্লেখ্য, পপ মিউজিকের ওপর ভিত্তি করে সৌরকোষের মাধ্যমে বিদ্যুত্ উত্পাদন তৈরির ‘স্পার্কস ফ্লাই হোয়েন সোলার সেলস ডিগ দ্যাট ফাঙ্কি বিট’ শিরোনামের এই গবেষণা নিবন্ধটি নিউ সায়েন্টিস্ট জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN
- এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda
- নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ
- নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার
- State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation
- বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার
- মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত!