ইন্টারনেটে চলেছে সাইবার যুদ্ধ

এডওয়ার্ড স্নোডেন হাটে হাঁড়ি ভাঙার পর দুনিয়া চমকে উঠেছিল। কিন্তু জার্মান ফেডারেল অপরাধ দফতর তাদের হৈমন্তী সম্মেলনে সাইবার যুদ্ধের অনেক বড় বিপদ সম্পর্কে সাবধান করে দিয়েছে।
বাহন হলো ইন্টারনেট। সেই বাহনে চড়ে আসতে পারে সন্ত্রাস আর অন্তর্ঘাত, বিমান ভেঙে পড়তে পারে; বিপজ্জনক রাসায়নিক তৈরির কারখানায় কম্পিউটারচালিত প্রক্রিয়া বদলে দেয়া যেতে পারে; আণবিক চুল্লিতেও কম্পিউটার প্রোগ্রামের রদবদল করা যেতে পারে। স্পর্শকাতর এবং ক্ষেত্রবিশেষে গোপনীয় সব কম্পিউটার প্রক্রিয়া হ্যাক করার প্রচেষ্টা সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভিসবাডেনের সম্মেলনে পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বিভাগের প্রায় ৫০০ জন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা শুনছিলেন সাইবার যুদ্ধের সর্বাধুনিক কায়দা-কানুনের কথা। মধ্যপ্রাচ্যে কয়েকটি গোষ্ঠী নাকি তথাকথিত ‘ভুয়া পতাকা অভিযানের’ মাধ্যমে অপরাপর দেশকেও সংঘাতের মধ্যে টেনে আনার চেষ্টা করছে। পদ্ধতিটি হলো ইন্টারনেটে অপর একটি দেশের ডিজিটাল কাঠামোর নকল করে ভুয়া তথ্য পেশ করা। পরিসংখ্যান বলে, ২০১১ সালে নাকি ২৩১টি এই ধরনের ‘ভুয়া পতাকা অভিযান’ চালানো হয়েছিল।
ভিসবাডেনের সম্মেলনে আগত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সম্ভবত ইন্টারনেটে কীভাবে অপরাধীদের পেছনে ধাওয়া করা যায়, সে সম্পর্কে কিছু জানার-শোনার আশা করছিলেন। কিন্তু বক্তাদের মধ্যে ছিলেন সান্ড্রো গাইকেনের মতো মানুষ, যিনি বার্লিনের ফ্রি ইউনিভার্সিটির গণিত ও আইটি বিভাগে কম্পিউটার নিরাপত্তার বিষয়টি পড়িয়ে থাকেন। আইকেন স্পষ্ট বললেন, আমাদের (অর্থাত্ জার্মানিতে) আইটি-নিরাপত্তা অতি খারাপ, অংশত শিশুসুলভ অপরিপকস্ফ পর্যায়ের।
গাইকেন স্বীকার করেন যে, সাইবার যুদ্ধে আক্রমণের লক্ষ্য প্রধানত বিভিন্ন রাষ্ট্র ও গুপ্তচর বিভাগ হলেও তার চিন্তা একদল হ্যাকারকে নিয়ে, যারা সরকারিভাবে কম্পিউটার নিরাপত্তার কাজে নিযুক্ত; কিন্তু টাকা পেলে অন্য অনেক কিছু করতে রাজি। ফাইন্যান্স সেক্টর এখন এই হ্যাকারদের প্রিয় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম্পিউটার নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর কম্পিউটারে ঢুকে তাদের সোর্স কোড চুরি করা কিংবা হাই ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেডিংয়ের প্রোগ্রাম কোড চুরি করতে পারলে তো কথাই নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো আবার সাধারণত এ ধরনের খবর চেপেই রাখে, জামানতকারীরা যাতে আতঙ্কিত না হয়ে ওঠেন।
এই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য কী করা যায়, পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এই স্বাভাবিক প্রশ্নের উত্তরে গাইকেন বললেন, অপরাধীদের ধরার জন্য প্রযুক্তি আছে ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ নেই। ফেডারেল অপরাধ দফতরের প্রধান ইয়র্গ সিয়ের্কে মনে করেন, তদন্তকারী পুলিশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, বিশেষ করে অপরাধীদের সংক্রান্ত তথ্য জমিয়ে রাখার ব্যাপারে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
বাহন হলো ইন্টারনেট। সেই বাহনে চড়ে আসতে পারে সন্ত্রাস আর অন্তর্ঘাত, বিমান ভেঙে পড়তে পারে; বিপজ্জনক রাসায়নিক তৈরির কারখানায় কম্পিউটারচালিত প্রক্রিয়া বদলে দেয়া যেতে পারে; আণবিক চুল্লিতেও কম্পিউটার প্রোগ্রামের রদবদল করা যেতে পারে। স্পর্শকাতর এবং ক্ষেত্রবিশেষে গোপনীয় সব কম্পিউটার প্রক্রিয়া হ্যাক করার প্রচেষ্টা সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভিসবাডেনের সম্মেলনে পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বিভাগের প্রায় ৫০০ জন বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা শুনছিলেন সাইবার যুদ্ধের সর্বাধুনিক কায়দা-কানুনের কথা। মধ্যপ্রাচ্যে কয়েকটি গোষ্ঠী নাকি তথাকথিত ‘ভুয়া পতাকা অভিযানের’ মাধ্যমে অপরাপর দেশকেও সংঘাতের মধ্যে টেনে আনার চেষ্টা করছে। পদ্ধতিটি হলো ইন্টারনেটে অপর একটি দেশের ডিজিটাল কাঠামোর নকল করে ভুয়া তথ্য পেশ করা। পরিসংখ্যান বলে, ২০১১ সালে নাকি ২৩১টি এই ধরনের ‘ভুয়া পতাকা অভিযান’ চালানো হয়েছিল।
ভিসবাডেনের সম্মেলনে আগত পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সম্ভবত ইন্টারনেটে কীভাবে অপরাধীদের পেছনে ধাওয়া করা যায়, সে সম্পর্কে কিছু জানার-শোনার আশা করছিলেন। কিন্তু বক্তাদের মধ্যে ছিলেন সান্ড্রো গাইকেনের মতো মানুষ, যিনি বার্লিনের ফ্রি ইউনিভার্সিটির গণিত ও আইটি বিভাগে কম্পিউটার নিরাপত্তার বিষয়টি পড়িয়ে থাকেন। আইকেন স্পষ্ট বললেন, আমাদের (অর্থাত্ জার্মানিতে) আইটি-নিরাপত্তা অতি খারাপ, অংশত শিশুসুলভ অপরিপকস্ফ পর্যায়ের।
গাইকেন স্বীকার করেন যে, সাইবার যুদ্ধে আক্রমণের লক্ষ্য প্রধানত বিভিন্ন রাষ্ট্র ও গুপ্তচর বিভাগ হলেও তার চিন্তা একদল হ্যাকারকে নিয়ে, যারা সরকারিভাবে কম্পিউটার নিরাপত্তার কাজে নিযুক্ত; কিন্তু টাকা পেলে অন্য অনেক কিছু করতে রাজি। ফাইন্যান্স সেক্টর এখন এই হ্যাকারদের প্রিয় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কম্পিউটার নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর কম্পিউটারে ঢুকে তাদের সোর্স কোড চুরি করা কিংবা হাই ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেডিংয়ের প্রোগ্রাম কোড চুরি করতে পারলে তো কথাই নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো আবার সাধারণত এ ধরনের খবর চেপেই রাখে, জামানতকারীরা যাতে আতঙ্কিত না হয়ে ওঠেন।
এই পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য কী করা যায়, পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এই স্বাভাবিক প্রশ্নের উত্তরে গাইকেন বললেন, অপরাধীদের ধরার জন্য প্রযুক্তি আছে ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ নেই। ফেডারেল অপরাধ দফতরের প্রধান ইয়র্গ সিয়ের্কে মনে করেন, তদন্তকারী পুলিশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, বিশেষ করে অপরাধীদের সংক্রান্ত তথ্য জমিয়ে রাখার ব্যাপারে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি
- New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election
- ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights