দুই কারণে নারীদের কাছে টানতেন কেনেডি
ডেস্ক: আততায়ীর হাতে নিহত সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির জীবনে নারীদের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। সুন্দরী স্ত্রী জ্যাকুলিন এবং মা রোজ থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র তারকা, টিনেজার ইনটার্ন এবং মাফিয়া ঘনিষ্ঠ এক উপ-পত্নীসহ আরো অনেকেই তার হোয়াইট হাউস যাত্রার সঙ্গী ছিলেন। কেনেডি হত্যাকাণ্ডের ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও মার্কিন জনগণের স্মৃতিপটে তিনি উজ্জ্বল হয়ে আছেন। তবে এসব নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক যে বেশ জটিল ছিল তাতে কারো সন্দেহ নেই। এসব নারীকে হয় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্সিতে যাত্রায় শক্তির পিলার হিসেবে ব্যবহার করেছেন নয় তিনি নিজেকে তৃপ্ত করতে তাদের নিয়ে খেলা করেছেন। এ বিষয়টি মূলত নির্ভর করতো সেই নারীর ওপরই বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য প্রকাশিত বেস্ট সেলার দি কেনেডি হাফ সেঞ্চুরি: দি প্রেসিডেন্সি, অ্যাসাসিনেশন অ্যান্ড লাস্টিং লিগ্যাসি অব জনএফ কেনেডি গ্রন্থের লেখক ল্যারি সেবাটো। ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ার সেন্টার ফর পলিটিক্সের পরিচালক সেবাটো বলেছেন- ক্ষমতা এবং প্রভাবশালীদের সঙ্গে তিনি বেশ সম্মানজনক, উদার মনোভাব দেখাতেন। তবে আমাদের আজকের প্রেক্ষাপটে কেনেডির যৌনাকাঙ্ক্ষা ছিল সাংঘাতিক প্রবল। তিনি সুন্দরী তরুণীদের যৌনতার বস্তু হিসেবেই বিবেচনা করতেন। কেনেডির মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন জ্যাকুলিন। তার নিজস্ব স্টাইল, অভিজাত রুচি এবং আধিপত্যের বিষয়টি তখন সারা বিশ্বে অনুকরণীয় ছিল। ১৯৫৩ সালে ৩৬ বছর বয়সী তরুণ মার্কিন সিনেটর ২৪ বছর বয়সী সাংবাদিক জ্যাকলিনকে বিয়ে করেন। জ্যাকুলিনই কেনেডিকে পুলিৎজার বিজয়ী প্রোফাইলস ইন কারেজ গ্রন্থটি লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। রিচার্ড নিক্সনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় সময় জ্যাকুলিনও কেনেডির সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন। আততায়ীর হাতে কেনেডি নিহত হওয়ার পর তিনি পরে শিপিং মোগল অ্যারিস্টেটল ওনাসিসকে বিয়ে করেছিলেন। ১৯৯৪ সালে ৬৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। জনসাধারণের চোখে কেনেডি আধুনিক আমেরিকান পরিবারের আদর্শ বলে চিহ্নিত হলেও ব্যক্তিগত জীবনে তার একাধিক নারীর আবির্ভাব ঘটেছিল। হলিউডের আবেদনময়ী মেরিলিন মনরোর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা সর্বজনবিদিত। ১৯৬২ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে তিনি কেনেডিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। কেনেডিও অবশ্য তার এ আনন্দকে লুকানোর কোন চেষ্টা করেননি। জ্যাকুলিন অবশ্য তাদের সম্পর্কে কোন ধরনের আপত্তি করেননি। বরং তিনি মনরোকে বলেছিলেন কেনেডিকে বিয়ে করতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে স্বাগত জানাবেন। মনরোকে তিনি বলেছিলেন এরপর তোমাকে হোয়াইট হাউসে চলে আসতে হবে। মার্কিন ফার্স্ট লেডির দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। আমি সরে যাবো আর তোমাকেই সব ঝামেলা মাথায় নিতে হবে। এ ঝামেলা বলতে জ্যাকুলিন হয়তো শিকাগো মাফিয়ার সঙ্গে জড়িত জুডিথ ক্যাম্পবেলের সঙ্গে কেনেডির সম্পর্ককেই বুঝিয়েছেন। তার সঙ্গে কেনেডির দু’বছর বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। হোয়াইট হাউসের ১৯ বছর বয়সী ইন্টার্ন মিমি বেয়ার্ডসলের সঙ্গেও কেনেডির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাদের এ সম্পর্ক ১৮ মাস স্থায়ী হয়েছিল। তবে কেনেডি যে কত পতিতার সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন সেটা কারো জানা নেই। তবে এভাবে তিনি রাশিয়ান গোয়েন্দাদের ফাঁদে পড়তে পারেন বলে কেনেডির নিরাপত্তা রক্ষীদের যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ ছিল।মানবজমিন
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








