মস্তিষ্কের বর্জ্য বের করার প্রক্রিয়া

‘ব্রেন ওয়াশ’ বা ‘মস্তিষ্ক ধোলাই’ এই কথাটা সাধারণত মানসিক প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। তবে সত্যিকার অর্থেই আমাদের মস্তিষ্ক আবর্জনা বের করার কাজটি বেশ সুচারুভাবেই করে থাকে, জানান গবেষকরা। গবেষকদের ধারণা, সম্পূর্ণভাবে মগজ ধোলাই হতে প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টার মতো লাগে।
আমাদের শরীর আসলে এক জটিল কারখানার মতো কাজ করে থাকে। বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে সবসময় একটা ‘মেটাবলিজম’ ঘটতে থাকে। এতে বেশকিছু বর্জ্য তৈরি হয়। শরীরের লিম্ফোটিক সিস্টেম বা লসিকা নালী তখন সচেতন হয়ে ওঠে রোগ-জীবাণু, বাইরে থেকে আসা ক্ষতিকর পদার্থ কিংবা টিউমারের সেল দূর করার কাজে।
তবে এ ধরনের নিজস্ব ‘ক্লিনিং সার্ভিস’ বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজটি মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছায় না। অথচ মানুষের এই অঙ্গটিতেই মেটাবলিজমের চাপ পড়ে সবচেয়ে বেশি। তবে মস্তিষ্ক প্রতি মিনিটেই অসংখ্য প্রোটিন বের করে দেয়, যা স্নায়ুকোষের ক্ষতি করতে পারে।
আমাদের মস্তিষ্ক এসব আবর্জনা নিয়ে কী করে, সেটাই বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক আন্তর্জাতিক গবেষক টিম। তাদের গবেষণার ফলাফল সায়েন্স ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। এতে জানা যায়, আমাদের মস্তিষ্কের আরেক ধরনের সাফাই পরিষেবা রয়েছে। একে গ্লিম্ফোটিক সিস্টেম বলা হয়। এক্ষেত্রে গ্লিয়াল সেলের এক মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। এটি ব্রেন ওয়াটার বা তরল পদার্থ ও বর্জ্য চাপ প্রয়োগ করে থিংকিং অর্গান বা চিন্তার অঙ্গ থেকে বের করে দেয়।
অবশ্য প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুতগতিতে ঘটে না। গবেষকদের ধারণা, সম্পূর্ণভাবে মগজ ধোলাই হতে প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টার মতো লাগে। সাধারণত প্রক্রিয়াটি বিছানায় বিশ্রাম নেয়াকালে ঘটে থাকে। কেননা যখন আমরা ঘুমাই, তখন স্নায়ুকোষগুলোর একটা থেকে আরেকটার ব্যবধান বেড়ে যায়। স্নায়ুর জলীয় পদার্থ বিনা বাধায় বয়ে যেতে পারে এবং বর্জ্য বের করে দিতে পারে। ঘুম না হলে বা খুব কম ঘুম হলে মস্তিষ্কের ‘পরিচ্ছন্ন পরিষেবা’ তার কাজটি সঠিকভাবে করতে পারে না। সতর্ক করে বলেন গবেষকরা। এভাবে বেশিদিন চললে আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে আলত্সহাইমার বা পার্কিনসনের মতো অসুখ-বিসুখও হতে পারে। এজন্য গবেষকরা ঠিক সময় বিছানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে করে আমাদের মস্তিষ্ক ‘স্নানে’র জন্য যথেষ্ট সময় পায়। এই প্রক্রিয়াটা চলে আট ঘণ্টা; কিন্তু পরিবেশবান্ধব। এভাবেই মস্তিষ্কের দূষিত পানি ফিল্টার ও রিসাইকেল হয়। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
আমাদের শরীর আসলে এক জটিল কারখানার মতো কাজ করে থাকে। বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে সবসময় একটা ‘মেটাবলিজম’ ঘটতে থাকে। এতে বেশকিছু বর্জ্য তৈরি হয়। শরীরের লিম্ফোটিক সিস্টেম বা লসিকা নালী তখন সচেতন হয়ে ওঠে রোগ-জীবাণু, বাইরে থেকে আসা ক্ষতিকর পদার্থ কিংবা টিউমারের সেল দূর করার কাজে।
তবে এ ধরনের নিজস্ব ‘ক্লিনিং সার্ভিস’ বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজটি মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছায় না। অথচ মানুষের এই অঙ্গটিতেই মেটাবলিজমের চাপ পড়ে সবচেয়ে বেশি। তবে মস্তিষ্ক প্রতি মিনিটেই অসংখ্য প্রোটিন বের করে দেয়, যা স্নায়ুকোষের ক্ষতি করতে পারে।
আমাদের মস্তিষ্ক এসব আবর্জনা নিয়ে কী করে, সেটাই বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক আন্তর্জাতিক গবেষক টিম। তাদের গবেষণার ফলাফল সায়েন্স ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে সম্প্রতি। এতে জানা যায়, আমাদের মস্তিষ্কের আরেক ধরনের সাফাই পরিষেবা রয়েছে। একে গ্লিম্ফোটিক সিস্টেম বলা হয়। এক্ষেত্রে গ্লিয়াল সেলের এক মুখ্য ভূমিকা রয়েছে। এটি ব্রেন ওয়াটার বা তরল পদার্থ ও বর্জ্য চাপ প্রয়োগ করে থিংকিং অর্গান বা চিন্তার অঙ্গ থেকে বের করে দেয়।
অবশ্য প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুতগতিতে ঘটে না। গবেষকদের ধারণা, সম্পূর্ণভাবে মগজ ধোলাই হতে প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টার মতো লাগে। সাধারণত প্রক্রিয়াটি বিছানায় বিশ্রাম নেয়াকালে ঘটে থাকে। কেননা যখন আমরা ঘুমাই, তখন স্নায়ুকোষগুলোর একটা থেকে আরেকটার ব্যবধান বেড়ে যায়। স্নায়ুর জলীয় পদার্থ বিনা বাধায় বয়ে যেতে পারে এবং বর্জ্য বের করে দিতে পারে। ঘুম না হলে বা খুব কম ঘুম হলে মস্তিষ্কের ‘পরিচ্ছন্ন পরিষেবা’ তার কাজটি সঠিকভাবে করতে পারে না। সতর্ক করে বলেন গবেষকরা। এভাবে বেশিদিন চললে আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে আলত্সহাইমার বা পার্কিনসনের মতো অসুখ-বিসুখও হতে পারে। এজন্য গবেষকরা ঠিক সময় বিছানায় যাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে করে আমাদের মস্তিষ্ক ‘স্নানে’র জন্য যথেষ্ট সময় পায়। এই প্রক্রিয়াটা চলে আট ঘণ্টা; কিন্তু পরিবেশবান্ধব। এভাবেই মস্তিষ্কের দূষিত পানি ফিল্টার ও রিসাইকেল হয়। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের
- অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি
- New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election
- ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights