বিরামহীনভাবে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক
রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ফলে ডলারের বিপরীতে টাকার দাম স্থিতিশীল রাখা হুমকির মুখে পড়েছে। এ কারণে শুধু নভেম্বর মাসেই ৩৭ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর চলতি অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাসে বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক থেকে মোট ২০২ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এ সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে ১৬০০ কোটি ডলারের ওপরে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় আমদানির তুলনায় রপ্তানি কমে যাওয়া এবং উৎপাদনশীল খাতে রেমিটেন্সের ব্যবহার না হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের হাতে প্রচুর মার্কিন ডলার অলস পড়ে আছে। দীর্ঘদিন এ ধারা বজায় থাকলে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৫শে নভেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১৭০৫ কোটি ডলার। গত ৬ই নভেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১৭৬০ কোটি ডলার। ৭ই নভেম্বর এশিয়ান ক্লিয়ারিং হাউজের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করা হয় ৮৯ কোটি ডলার। ফলে রিজার্ভ নেমে আসে ১৬৬৩ কোটি ডলারে। তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কেনা ৩৭ কোটি ডলারের মধ্যে ২১শে নভেম্বর ৩ কোটি ৫ লাখ ডলার, ১৮ই নভেম্বর ৩ কোটি ডলার, ১৪ই নভেম্বর ১ কোটি ৪ লাখ ডলার, ১৩ই নভেম্বর ৫ কোটি ৭ লাখ ডলার, ১২ই নভেম্বর ৬ কোটি ৮ লাখ ডলার, ৬ই নভেম্বর ৬ কোটি ৫ লাখ ডলার এবং ৪ঠা নভেম্বর ৬ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগবিমুখ ব্যবসায়ীরা। ফলে বৈদেশিক মুদ্র্রার রিজার্ভ দিন দিন বেড়েই চলছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে আসা রেমিটেন্সের কোন ব্যবহার না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর হাতে প্রচুর অলস ডলার পড়ে আছে। এ কারণে বাজারে ডলারের পরিমাণ বেড়ে গেলে ডলারের দাম কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে কারণে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও বলেন, সমপ্রতি আশপাশের কয়েকটি দেশে ডলারের বিপরীতে মুদ্র্রার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এ পদক্ষেপের কারণে কয়েক মাস থেকে ডলারের দাম ৭৭.৭৫ টাকা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হচ্ছে। নগদ অর্থের পরিবর্তে ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছরের অক্টোবর মাসে ৫৮ কোটি ৫ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ৩২ কোটি ৯ লাখ ডলার, আগস্টে ২২ কোটি ৬ লাখ ডলার এবং জুলাই মাসে ৫১ কোটি ২ লাখ ডলার কেনে। আর ২০১২-১৩ অর্থবছরে সব চেয়ে বেশি ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ক্রয়কৃত এ ডলারের পরিমাণ ছিল ৪০৫ কোটি ৩ লাখ। তবে যে হারে ডলার কেনা হচ্ছে তাতে গত অর্থবছরের এ পরিমাণকেও ছাড়িয়ে যাবার আশঙ্কা করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।মানবজমিন
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








