Saturday, 20 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

বিরামহীনভাবে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 21 বার

প্রকাশিত: December 7, 2013 | 11:54 AM

রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ফলে ডলারের বিপরীতে টাকার দাম স্থিতিশীল রাখা হুমকির মুখে পড়েছে। এ কারণে শুধু নভেম্বর মাসেই ৩৭ কোটি ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর চলতি অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাসে বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক থেকে মোট ২০২ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এ সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে ১৬০০ কোটি ডলারের ওপরে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় আমদানির তুলনায় রপ্তানি কমে যাওয়া এবং উৎপাদনশীল খাতে রেমিটেন্সের ব্যবহার না হওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের হাতে প্রচুর মার্কিন ডলার অলস পড়ে আছে। দীর্ঘদিন এ ধারা বজায় থাকলে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৫শে নভেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১৭০৫ কোটি ডলার। গত ৬ই নভেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১৭৬০ কোটি ডলার। ৭ই নভেম্বর এশিয়ান ক্লিয়ারিং হাউজের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করা হয় ৮৯ কোটি ডলার। ফলে রিজার্ভ নেমে আসে ১৬৬৩ কোটি ডলারে। তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কেনা ৩৭ কোটি ডলারের মধ্যে ২১শে নভেম্বর ৩ কোটি ৫ লাখ ডলার, ১৮ই নভেম্বর ৩ কোটি ডলার, ১৪ই নভেম্বর ১ কোটি ৪ লাখ ডলার, ১৩ই নভেম্বর ৫ কোটি ৭ লাখ ডলার, ১২ই নভেম্বর ৬ কোটি ৮ লাখ ডলার, ৬ই নভেম্বর ৬ কোটি ৫ লাখ ডলার এবং ৪ঠা নভেম্বর ৬ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগবিমুখ ব্যবসায়ীরা। ফলে বৈদেশিক মুদ্র্রার রিজার্ভ দিন দিন বেড়েই চলছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে আসা রেমিটেন্সের কোন ব্যবহার না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর হাতে প্রচুর অলস ডলার পড়ে আছে। এ কারণে বাজারে ডলারের পরিমাণ বেড়ে গেলে ডলারের দাম কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে কারণে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও বলেন, সমপ্রতি আশপাশের কয়েকটি দেশে ডলারের বিপরীতে মুদ্র্রার ব্যাপক দরপতন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এ পদক্ষেপের কারণে কয়েক মাস থেকে ডলারের দাম ৭৭.৭৫ টাকা স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হচ্ছে। নগদ অর্থের পরিবর্তে ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে ডলার কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছরের অক্টোবর মাসে ৫৮ কোটি ৫ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ৩২ কোটি ৯ লাখ ডলার, আগস্টে ২২ কোটি ৬ লাখ ডলার এবং জুলাই মাসে ৫১ কোটি ২ লাখ ডলার কেনে। আর ২০১২-১৩ অর্থবছরে সব চেয়ে বেশি ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ক্রয়কৃত এ ডলারের পরিমাণ ছিল ৪০৫ কোটি ৩ লাখ। তবে যে হারে ডলার কেনা হচ্ছে তাতে গত অর্থবছরের এ পরিমাণকেও ছাড়িয়ে যাবার আশঙ্কা করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV