Friday, 20 March 2026 |
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন
সব ক্যাটাগরি

নানা আয়োজনে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের বিজয় দিবস উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 153 বার

প্রকাশিত: December 16, 2013 | 3:29 PM

সাখাওয়াত হোসেন সেলিম : বিনম্র শ্রদ্ধা, স্মরণ, আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা সহ নানা আয়োজনে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে স্থানীয় সময় রোববার নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বিস্তারিত কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা অবিলম্বে সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করে বিচারের রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করার দাবি জানান । আর যারা ধ্বংসাত্মক রাজনীতির মাধ্যমে মানুষ পুড়িয়ে মারছে, তাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আজ ৭১’র ঘাতকদের যখন বিচারিক কার্যক্রম চুড়ান্ত পর্যায়ে তখন নানা অজুহাতে, দেশের মানুষকে জিম্মি করে ঘাতকদের রক্ষার পায়তারা হচ্ছে। অবরোধের নামে গাড়িতে আগুন দিয়ে, বোমা মেরে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ’৭১ এ আমরা প্রথম বিজয় অর্জন করেছিলাম আর এবার স্বাধীনতার ৪২ বছর পর দ্বিতীয়বার বিজয় অর্জন করেছি সকল অপশক্তি নির্মূলের মাধ্যমে। ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেন, বিজয়ের আনন্দ ক্ষনিকের। পরাজয়ের বেদনা সহজে ভোলার নয়। তাই ৭১’র পরাজিত শক্তি হিং¯্র ফণা তুলে আঘাত হানতে উদ্যত। এবারের বিজয়ের মূল থিম ‘স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ’৭১ এর মত ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির বানী পাঠ করেন মিশনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন মিশনের মিনিস্টার (ইকোনমিক) বরুন দেব মিত্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন ডিফেন্স এ্যাডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আখতারউজজামান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মেরাজ ও লেখক হাসান ফেরদৌস প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, কাদের মোল্লার সাজা বাস্তবায়ন হয়েছে বলে আমাদের আত্মতৃপ্ত হলে চলবে না। যুদ্ধাপরাধীদের সংগঠন জামায়াত-শিবির সংঘবদ্ধ হয়ে মানুষ হত্যায় লিপ্ত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।
বক্তারা জাতীয় সংসদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে বিদ্যমান অস্থির পরিস্থিতি এবং যুদ্ধাপরাধের সাজা কার্যকর করার পর থেকে সারা দেশে জামায়াত-শিবিরের সহিংস তত্পরতা সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকি।
নিউইয়র্কে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধাদের জাতীয় পতাকা ও বই উপহার দিয়ে মিশনের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ.কে আব্দুল মোমেন। এপর্ব পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মুকিত চৌধুরী।
বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় জিয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন সেলিনা মোমেন।
সবশেষে ছিলো “প্রগতির পথে বাংলাদেশ” শীর্ষক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এ পর্বে কবিতা আবৃতি, যুদ্ধকালীন সময়ের প্রামান্যচিত্র, তরুন শিল্পীদের পরিবেশনায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের গান নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
সাংস্কৃতিক পর্ব পরিচালনা করেন কাজী শাহজাহান বেলাল ও ড. গুলশান আরা কাজী। কবিতা আবৃতি করেন গাজী কাশেম । যুদ্ধকালীন সময়ের প্রামান্যচিত্র পরিবেশন করেন তহমিনা জাফর।
মিশনের এবারের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানমালার সামগ্্িরক পরিকল্পনা এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান জামাল উদ্দিন আহমেদ।

মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের অফিস চত্বরে ১৬ই ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় বাংলাদেশের ৪২তম বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের আওতাধীন আটটি ষ্টেটের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, প্রিন্টেড ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার কর্মকর্তা, শিল্পী, সাহিত্যিকসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের প্রতি এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব শুরু হয়। এরপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী উপস্থিত সুধীমন্ডলীর উদ্দেশ্যে পাঠ করে শোনানো হয়।
দ্বিতীয় পর্বে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মুকিত চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব ড. মনসুর খান এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক ফজলুর রহমান। বক্তারা স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালীর আত্মত্যাগ ও স্বাধীনতা উত্তরকালে বিগত ৪২ বছরে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কথা তুলে ধরে দেশে ও বিদেশে প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান। মহান বিজয় দিবসের এই রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জন্য উপস্থিত সুধীজনকে ধন্যবাদ জানান কনসাল জেনারেল মনিরুল ইসলাম। দেশপ্রেমিক সকল বাংলাদেশী ভাইবোনকে প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি তাদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিয়াল্লিশ বছর পর আজ সময় হয়েছে দেশোন্নয়নে কথার চেয়ে কাজ বেশী করার।
তৃতীয় পর্বে পরিবেশিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের খ্যাতনামা শিল্পী শহীদ হাসান ও রথীন্দ্রনাথ রায়, সবিতা দাশ, চন্দ্রা রায় ও তানভীর শাহীন। অনুষ্ঠানে খন্ড নাটক পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নাট্যকার জামালউদ্দিন হোসেন ও তাঁর সহধর্মিনী রওশন আরা হোসেন। একক নাট্য সংলাপ পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব রেখা আহমেদ। স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য নিয়ে লেখা বিখ্যাত কবিদের কবিতা আবৃত্তি করেন বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ড. ফারুক আজম, জি এইচ আরজু এবং মুমু আনসারী।
অনুষ্ঠানের সঙ্গীত, আবৃত্তি ও নাট্যে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে সনদপত্র বিতরণ করেন কনসাল জেনারেল। অতঃপর উপস্থিত সকলকে ডিনারে অংশগ্রহনের আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV