জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক রেজুলেশন প্রস্তাব সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ হয়েছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ১৮ ডিসেম্বর বুধবার সকালে সাধারণ পরিষদের এক সভায় ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের সর্বসম্মত সমর্থনে এটি রেজুলেশন আকারে পাশ হয়। প্রস্তাব পাশ হওয়ার পর তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি এই প্রস্তাবের আটটি বিশেষ উপাদান তুলে ধরে বলেন, ‘শান্তির সংস্কৃতি’ এই তত্ত্বটি রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের দৈনন্দিন নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে মাইলস্টোন হিসাবে কাজ করবে।
ড.এ.কে আব্দুল মোমেন বলেন, দেশের রাজনৈতিক এই টানা পোড়েনের মাঝে এবং গণ মাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারের পরও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের বিপুল সমর্থন এটাই প্রমান করে যে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি বিশ্ববাসীর গভীর আস্তায় কোনো ফাটল ধরেনি এবং দ্বিতীয়ত: জাতীয় উন্নয়নে সকল মানুষকে সম্পৃক্ত করার জন্য ‘শান্তির সংস্কৃতি’র বিকল্প নেই।
বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের এই প্রস্তাবে একযোগে কাজ করার অংগীকার ব্যক্ত করেছেন। এই প্রস্তাবে বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশের সমর্থন ছিল। বিগত বছরের তুলনায় এবার সমর্থন ছিল বিপুল সংখ্যক। একই অধিবেশনে পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের আরেকটি রেজুলেশন এবং ইরানের অন্য একটি গৃহীত হয়। তবে লক্ষণীয় যে, পাকিস্তান ৩৬টি দেশের এবং ইরান ৩০টি দেশের কো-স্পন্সরশীপ অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং বাংলাদেশ সেখানে ১০৫ টি দেশের কো-স্পন্সরশীপ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
জাতিসংঘের আজকের অধিবেশনের বক্তব্যে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, মানুষের জন্য স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ধর্ম, বর্ণ, জাতি গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে হবে। সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সমাজের বিশেষ নজরে আনতে হবে। শিক্ষার প্রসার এবং একদর্শী চিন্তাধারার পরিবর্তন করে মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব।
রেজুলেশনের বিশেষ দিক প্রসঙ্গে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের এ প্রস্তাবের ফলে বিশ্বে ভাতৃত্ববোধ জাগাবে এবং যুদ্ধবিগ্রহ কমে আসবে। মানুষে মানুষে হিংসা বিদ্বেষ কমে আসবে এবং মানুষ মানুষকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেয়ার মনমানসিকতা তৈরি হবে যা সব দেশের জন্যে নিতান্ত প্রয়োজন।
শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক প্রস্তাবটি ১৯৯৯ সালে প্রথম উপস্থাপিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘শান্তির সংস্কৃতি দশক’ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। ২০০১ থেকে প্রতি বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে আসছে এবং তা প্রতিবছরই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়ে আসছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








