Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক রেজুলেশন প্রস্তাব সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 172 বার

প্রকাশিত: December 19, 2013 | 12:43 PM

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাব সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ হয়েছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ১৮ ডিসেম্বর বুধবার সকালে সাধারণ পরিষদের এক সভায় ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের সর্বসম্মত সমর্থনে এটি রেজুলেশন আকারে পাশ হয়। প্রস্তাব পাশ হওয়ার পর তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের মান্যবর স্থায়ী প্রতিনিধি এই প্রস্তাবের আটটি বিশেষ উপাদান তুলে ধরে বলেন, ‘শান্তির সংস্কৃতি’ এই তত্ত্বটি রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের দৈনন্দিন নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে মাইলস্টোন হিসাবে কাজ করবে।

ড.এ.কে আব্দুল মোমেন বলেন, দেশের রাজনৈতিক এই টানা পোড়েনের মাঝে এবং গণ মাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারের পরও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের বিপুল সমর্থন এটাই প্রমান করে যে বাংলাদেশের নেতৃত্বের প্রতি বিশ্ববাসীর গভীর আস্তায় কোনো ফাটল ধরেনি এবং দ্বিতীয়ত: জাতীয় উন্নয়নে সকল মানুষকে সম্পৃক্ত করার জন্য ‘শান্তির সংস্কৃতি’র বিকল্প নেই।

19122913_004_UNBDবিশ্ব নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের এই প্রস্তাবে একযোগে কাজ করার অংগীকার ব্যক্ত করেছেন। এই প্রস্তাবে বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশের সমর্থন ছিল। বিগত বছরের তুলনায় এবার সমর্থন ছিল বিপুল সংখ্যক। একই অধিবেশনে পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের আরেকটি রেজুলেশন এবং ইরানের অন্য একটি গৃহীত হয়। তবে লক্ষণীয় যে, পাকিস্তান ৩৬টি দেশের এবং ইরান ৩০টি দেশের কো-স্পন্সরশীপ অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং বাংলাদেশ সেখানে ১০৫ টি দেশের কো-স্পন্সরশীপ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

জাতিসংঘের আজকের অধিবেশনের বক্তব্যে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, মানুষের জন্য স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য ধর্ম, বর্ণ, জাতি গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে হবে। সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে সমাজের বিশেষ নজরে আনতে হবে। শিক্ষার প্রসার এবং একদর্শী চিন্তাধারার পরিবর্তন করে মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব।

রেজুলেশনের বিশেষ দিক প্রসঙ্গে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের এ প্রস্তাবের ফলে বিশ্বে ভাতৃত্ববোধ জাগাবে এবং যুদ্ধবিগ্রহ কমে আসবে। মানুষে মানুষে হিংসা বিদ্বেষ কমে আসবে এবং মানুষ মানুষকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেয়ার মনমানসিকতা তৈরি হবে যা সব দেশের জন্যে নিতান্ত প্রয়োজন।

শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক প্রস্তাবটি ১৯৯৯ সালে প্রথম উপস্থাপিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘শান্তির সংস্কৃতি দশক’ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। ২০০১ থেকে প্রতি বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে আসছে এবং তা প্রতিবছরই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়ে আসছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ