বাংলাদেশ সরকারের ৪৯ মন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা নিয়োগ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় ৪৮ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী আজ রোববার শপথ নিয়েছেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে প্রধানমন্ত্রীসহ ৪৯ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর মধ্যে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।
মন্ত্রী
দশম জাতীয় সংসদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাঁরা এবার নতুন মুখ, তাঁদের মধ্যে আনিসুল হক আইন ও বিচার, তোফায়েল আহমেদ বাণিজ্য, আমির হোসেন আমু শিল্প, মোহাম্মদ নাসিম স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ধর্ম, কামরুল ইসলাম খাদ্য, আসাদুজ্জামান নূর সংস্কৃতি, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু পরিবেশ ও বন, রাশেদ খান মেনন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, আ ক ম মোজাম্মেল হক মুক্তিযুদ্ধ, ছায়েদুল হক মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ, এমাজউদ্দিন প্রাং বস্ত্র ও পাট, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পানিসম্পদ, আ হ ম মুস্তফা কামাল পরিকল্পনা, মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, সৈয়দ মহসিন আলী সমাজকল্যাণ, শামসুর রহমান শরীফ ভূমি, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
যাঁরা আগের মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্বে বহাল আছেন তাঁরা হলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থ, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, মতিয়া চৌধুরী কৃষি, নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা, হাসানুল হক ইনু তথ্য, ওবায়দুল কাদের যোগাযোগ, মুজিবুল হক রেল, খন্দকার মোশাররাফ হোসেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শাজাহান খান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।
আগে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবার পেয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মুজিবুল হক চুন্নু শ্রম ও কর্মসংস্থান, ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, এম এ মান্নান অর্থ, মির্জা আজম বস্ত্র ও পাট, প্রমোদ মানকিন সমাজকল্যাণ, বীর বাহাদুর উ শৈ সিং পার্বত্য চট্টগ্রাম, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ, বীরেন শিকদার যুব ক্রীড়া, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্র, শাহরিয়ার আলম পররাষ্ট্র, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ ভূমি,
ইসমত আরা সাদেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, মেহের আফরোজ মহিলা ও শিশু, মসিউর রহমান রাঙ্গা পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য ও পরিবার, নসরুল হামিদ বিপু, জুনাইদ আহমেদ পলক তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
উপমন্ত্রী:
আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব পানিসম্পদ ও আরিফ খান জয় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এরশাদ
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে নবগঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্ত্রীর সমমর্যাদা পাবেন। আজ রোববার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে চারজনকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টারা হলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী ও নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগের ছয়জন উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বাসভবনে ফিরলেন এরশাদ: আজ সন্ধ্যে পৌনে সাতটার দিকে নিজ বাসভবনে ফিরেছেন এরশাদ। বারিধারায় এরশাদের বাসভবনের একটি সূত্র ‘প্রথম আলো’কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রসঙ্গত, এরশাদ বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে ছেলে এরিক এরশাদ ও কয়েকজন কর্মচারীকে নিয়ে বসবাস করেন।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর রাতে এরশাদকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চিকিত্সার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। নানা নাটকীয়তার পর আজ তিনি বাসভবনে ফিরলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
মন্ত্রিসভায় অনেক প্রভাবশালী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর বাদ পড়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যেও বাদ পড়েছেন তিনজন।
প্রধানমন্ত্রীর সাতজন উপদেষ্টার মধ্যে পাঁচজন—এইচ টি ইমাম, মসিউর রহমান, আলাউদ্দিন আহমেদ, মোদাচ্ছের আলী ও তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের আগে পদত্যাগ করেছিলেন।
তাঁদের মধ্যে এইচ টি ইমাম, মসিউর রহমান আবার ফিরে এলেও অন্য তিনজনের জায়গা হয়নি। এ ছাড়া নির্বাচনকালীন সরকারে বহাল থাকা গওহর রিজভী এবং তারেক আহমেদ সিদ্দিকী আবারও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে রয়েছেন আলাউদ্দিন আহমেদ, মোদাচ্ছের আলী এবং তৌফিক-ই-ইলাহি চৌধুরী।
বিদ্যুত্ ও জ্বালনিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীকে নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও পাঁচ বছর দোর্দণ্ড প্রতাপে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন তিনি। নানা মহল থেকে তাঁকে নিয়ে নানা রকম সমালোচনা হয়েছে। আরেক উপদেষ্টা মোদাচ্ছের আলী স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁকে নিয়েও নানা সমালোচনা রয়েছে। হল-মার্ক কেলেঙ্কারির বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের সঙ্গে উপদেষ্টার সম্পর্ক নিয়ে সমালোচনা রয়েছে।
নির্বাচনকালীন সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জিয়াউদ্দিন বাবুল, শফিক আহমেদ ও দিলীপ বড়ুয়া। তাঁদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেও অন্য তিনজনের মন্ত্রী কিংবা উপদেষ্টা পরিষদ কোনোটিতেই ঠাঁই হয়নি।প্রথম আলো
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








