Wednesday, 28 October 2026 |
শিরোনাম
Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাস্তবায়ন উপলক্ষে নিউইয়র্কে সমাবেশ, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার প্রত্যয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ
সব ক্যাটাগরি

শৈশবে উঠতাম ভোরে, পড়তাম না: ওবামা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 41 বার

প্রকাশিত: January 31, 2014 | 4:06 AM

Obamaছোটবেলায় পাঠশালায় পড়ার সময় প্রতিদিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে পড়াশোনায় মন ছিল না।ওবামা নিজেই এই সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। গতকাল টেনিসি অঙ্গরাজ্যে শিক্ষানীতিবিষয়ক এক বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি শিক্ষার্থীদের তাঁর শৈশবের গল্প শোনান। পিটিআইয়ের খবরে এ কথা জানানো হয়।
ওবামা জানান, ছোটবেলায় প্রতিদিন ভোর সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে তিনি বিছানা ছাড়তেন। তিনি বলেন, ‘শৈশবের কিছু সময় আমার বিদেশে (ইন্দোনেশিয়ায়) কেটেছে। সে সময় আমার মায়ের ভয় ছিল, দেশের বাইরে থাকার কারণে আমি পিছিয়ে পড়তে পারি। তাই প্রতিদিন ভোরের আলো ফোটার আগেই তিনি আমাকে ঘুম থেকে তুলে দিতেন। তিনি চাইতেন সেখানকার পড়াশোনার পাশাপাশি আমি যেন যুক্তরাষ্ট্রের পড়াশোনাটার পদ্ধতিও সমানভাবে অনুসরণ করি।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ওবামা বলেন, ‘তোমাদের বয়স যদি সাত কিংবা আট হয়, তবে রোজ ভোর সাড়ে চারটা বা পাঁচটায় উঠতে কখনো ভালো লাগবে না। আমারও ভালো লাগত না। এ জন্য প্রায়ই অভিযোগ করতাম আমি। মা রাগ করে বলতেন, “আমরা এখানে পিকনিক করতে আসিনি।” তিনি মনে করতেন, তাঁর সন্তানেরা যদি উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তবেই কেবল পৃথিবীর অবারিত দুয়ারগুলো তাঁদের জন্য খুলে যাবে।’
ওবামা বলেন, ‘আমার মা নানা-নানির সাহায্য নিয়ে আমাকে এককভাবে লালন-পালন করেছেন। আমাদের খুব বেশি টাকা-পয়সা ছিল না। দুটো সন্তানকে বড় করতে ও নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাতে আমার মাকে অনেক লড়াই করতে হয়েছে। আমাদের যদিও খুব একটা টাকা ছিল না, তবে আমি বেশ কয়েকটি নামকরা কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি আর আমার স্ত্রী মিশেল এমন অনেক কিছু অর্জন করেছি, যা আমাদের অভিভাবকেরা কল্পনাই করতে পারতেন না। এখন আমার সন্তানেরা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে নামকরা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। আমি চাই, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশু-কিশোর যেন সেই সুযোগ পায়।’প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ