Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
সব ক্যাটাগরি

শৈশবে উঠতাম ভোরে, পড়তাম না: ওবামা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 195 বার

প্রকাশিত: January 31, 2014 | 4:06 AM

Obamaছোটবেলায় পাঠশালায় পড়ার সময় প্রতিদিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে পড়াশোনায় মন ছিল না।ওবামা নিজেই এই সরল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। গতকাল টেনিসি অঙ্গরাজ্যে শিক্ষানীতিবিষয়ক এক বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি শিক্ষার্থীদের তাঁর শৈশবের গল্প শোনান। পিটিআইয়ের খবরে এ কথা জানানো হয়।
ওবামা জানান, ছোটবেলায় প্রতিদিন ভোর সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে তিনি বিছানা ছাড়তেন। তিনি বলেন, ‘শৈশবের কিছু সময় আমার বিদেশে (ইন্দোনেশিয়ায়) কেটেছে। সে সময় আমার মায়ের ভয় ছিল, দেশের বাইরে থাকার কারণে আমি পিছিয়ে পড়তে পারি। তাই প্রতিদিন ভোরের আলো ফোটার আগেই তিনি আমাকে ঘুম থেকে তুলে দিতেন। তিনি চাইতেন সেখানকার পড়াশোনার পাশাপাশি আমি যেন যুক্তরাষ্ট্রের পড়াশোনাটার পদ্ধতিও সমানভাবে অনুসরণ করি।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ওবামা বলেন, ‘তোমাদের বয়স যদি সাত কিংবা আট হয়, তবে রোজ ভোর সাড়ে চারটা বা পাঁচটায় উঠতে কখনো ভালো লাগবে না। আমারও ভালো লাগত না। এ জন্য প্রায়ই অভিযোগ করতাম আমি। মা রাগ করে বলতেন, “আমরা এখানে পিকনিক করতে আসিনি।” তিনি মনে করতেন, তাঁর সন্তানেরা যদি উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তবেই কেবল পৃথিবীর অবারিত দুয়ারগুলো তাঁদের জন্য খুলে যাবে।’
ওবামা বলেন, ‘আমার মা নানা-নানির সাহায্য নিয়ে আমাকে এককভাবে লালন-পালন করেছেন। আমাদের খুব বেশি টাকা-পয়সা ছিল না। দুটো সন্তানকে বড় করতে ও নিজের পড়াশোনার খরচ জোগাতে আমার মাকে অনেক লড়াই করতে হয়েছে। আমাদের যদিও খুব একটা টাকা ছিল না, তবে আমি বেশ কয়েকটি নামকরা কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমি আর আমার স্ত্রী মিশেল এমন অনেক কিছু অর্জন করেছি, যা আমাদের অভিভাবকেরা কল্পনাই করতে পারতেন না। এখন আমার সন্তানেরা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে নামকরা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। আমি চাই, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শিশু-কিশোর যেন সেই সুযোগ পায়।’প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV