Friday, 5 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬ সম্পন্ন, ২০২৭ সালের বইমেলা ২১-২৪ মে নিউ জার্সিতে এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক জাবেদ উদ্দিনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান
সব ক্যাটাগরি

ভূণ পরীক্ষা করে বংশগত রোগ নির্ণয়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 112 বার

প্রকাশিত: February 10, 2014 | 8:30 PM

 
টেস্টটিউবে তৈরি ভ্রূণে বংশগত রোগব্যাধি নির্ণয়ের পদ্ধতিকে প্রিইমপ্লানটেশন জেনেটিক ডায়াগনসিস, সংক্ষেপে পিজিডি বলা হয়। মাতৃগর্ভে স্থাপন করার আগেই এই পরীক্ষাটি করা হয়। এই পদ্ধতিতে সাধারণত ভ্রূণ সৃষ্টির তৃতীয় দিনে একটি কোষ বের করে নেয়া হয়। চিকিত্সকরা পরীক্ষা করে দেখেন ক্রোমোজোমে কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কিনা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দম্পতিরা এই ধরনের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন, যদি তাদের বংশগত কোনো অসুখ-বিসুখ থাকে। তারা জানতে চান অনাগত সন্তানও এই ধরনের অসুখের সম্মুখীন হতে পারে কিনা। চিকিত্সকরা ভ্রূণে কোনো ত্রুটিবিচ্যুতি ধরতে পারলে সেটা বিনষ্ট করে ফেলেন। শুধু সুস্থ ভ্রূণই মাতৃগর্ভে স্থাপন করা হয়।
সমালোচকরা মানবভ্রূণকে এইভাবে বাছাই করা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করেন। তাদের আশঙ্কা, এর ফলে প্রতিবন্ধী বাচ্চা ও তাদের মা-বাবাকে দূরে ঠেলে দেয়া হতে পারে। এছাড়া এই ধরনের পরীক্ষা খুব সহজও নয়। জিনগত কিছু অসুখ-বিসুখ অনেক দেরিতে ধরা পড়ে। অনেক সময় প্রাপ্তবয়স্ক হলে দেখা দেয়।
অন্যদিকে পিজিডির সমর্থকরা বলছেন, নতুন প্রযুক্তির ফলে নতুন সম্ভাবনার দ্বারও উন্মুক্ত হতে পারে। এতে শুধু রোগব্যাধি শনাক্ত করাই সম্ভব হবে না, ভবিষ্যতে ভ্রূণকে প্রভাবিতও করা যেতে পারে। পিজিডির সমর্থকরা আরও যুক্তি দেন, এই পদ্ধতির ফলে গর্ভপাত রোধ করা যেতে পারে। দম্পতিরা ভ্রূণে কোনো বংশগত রোগের আশঙ্কা দেখা দিলে অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তারা বাচ্চাটি চান কিনা।
জার্মান সংসদের নিম্নকক্ষ বুন্ডেসটাগ ২০১১ সালে ভ্রূণরক্ষা আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। তখন থেকে পিজিডি পদ্ধতির প্রয়োগ সীমিত পরিসরে অনুমোদন দেয়া হয়। ২০১৪ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি এই পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি এথিক কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া জিন টেস্ট শুধু অনুমোদিত পিজিডি-কেন্দ্রেই সম্পন্ন করতে হবে। নতুন বিধিবিধান এটাও ঠিক করবে, পিজিডি কেন্দ্রগুলোকে কী ধরনের শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন জার্মানিতে বছরে এই ধরনের পরীক্ষা ২০০ থেকে ৩০০টি হতে পারে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV