Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

ধর্মীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখছেন হজযাত্রীরা,নয় বাংলাদেশির ইন্তেকাল

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 17 বার

প্রকাশিত: October 26, 2010 | 8:55 PM

মক্কা থেকে ফেরদৌস ফয়সাল: ‘মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেখানে ধ্যান করতেন এবং পবিত্র কোরআন শরিফের আয়াত যেখানে নাজিল হয়েছে, সেসব জায়গা দেখতে পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। এই সৌভাগ্য আমার হয়েছে।’ জাবালে নূর পাহাড়ের নিচে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বললেন মোহাম্মদ বাবর। তিনি ঢাকার নারিন্দার দক্ষিণ মৈশুণ্ডির বাসিন্দা। এবার পবিত্র হজ পালন করতে এসেছেন তিনি। তিনি জানান, জাবালে নূর পাহাড়ে উঠতে লাগে সোয়া এক ঘণ্টা, আর নামতে লাগে আধা ঘণ্টা।
মক্কার হারাম এলাকার কাছেই হেরা পর্বত। এই পর্বতে ওঠানামা যে কত কঠিন, তা যিনি ওঠেননি, তিনি বুঝবেন না। অথচ নবী করিম (সা.) এই পর্বতে ওঠানামা করেছেন নিয়মিত। এই মক্কাতেই আছে সাওর পর্বত। মক্কা থেকে মদিনায় যাওয়ার পথে শত্রুর হাত থেকে বাঁচতে হজরত আবু বকরকে (রা.) নিয়ে সাওর পর্বতের গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিন দিন-তিন রাত তাঁরা এই গুহায় অবস্থান করেছিলেন। শত্রুরা খুঁজতে খুঁজতে চলে গিয়েছিল গুহার খুব কাছেই। কিন্তু গুহামুখে মাকড়সার জাল দেখে ফিরে যায় তারা। এমন একটি গুহা দেখা মুসলমানদের জন্য সৌভাগ্যের। মোহাম্মদ বাবরের মতো অনেক হজযাত্রী এসব স্থান ঘুরে দেখছেন।
হজযাত্রীরা মক্কায় এসে মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফে) নামাজ আদায়ের পাশাপাশি অনেকে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যাচ্ছেন। এর মধ্যে আছে জাবালে নূর, গারে সাওর, সাফা ও মারওয়া, মক্কা লাইব্রেরি, মক্কা জাদুঘর, কাবার গিলাফ তৈরির কারখানা, জাবাল-ই-রহমত (আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত), মিনার আল-খায়েফ মসজিদ, নামিরা মসজিদ, আরাফাতের ময়দান, মুজদালিফা, জাবাল-ই-সাওর।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়ার বিপ্লব হাসান বায়েজিদ জানান, মক্কা উম্মুল জুদ এলাকায় কাবার গিলাফ তৈরির কারখানা। সেখানে অনেক বাংলাদেশি চাকরি করেন। কাবা শরিফের কাছে উমরা মসজিদে যাওয়ার পথেই পড়ে মক্কা জাদুঘর। কোনো প্রবেশমূল্য নেই। জাদুঘরে আছে সৌদি আরবের প্রাচীন সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ, আসবাবপত্র, বাদ্যযন্ত্র। আছে আরবি বর্ণমালা বিবর্তনের একটি তালিকা। এক কোনায় রয়েছে পানির কূপ, কূপ থেকে পানি উত্তোলনের যন্ত্রপাতি। এর পাশের কক্ষে আছে প্রাচীন ধাতব মুদ্রা। প্রতিটি বস্তুর পাশেই আরবি ও ইংরেজি ভাষায় লেখা আছে সেই সময়ের ইতিহাস ও বিবরণ। মুগ্ধ হওয়ার মতো বেশ কিছু আরবি ক্যালিওগ্রাফি চোখে পড়ে একটি কক্ষে। প্রতিটি কক্ষেই পাহারাদার আছেন। তাঁদের অনেকেই বাংলাদেশি। রয়েছে হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরিফ। হজরত উসমানের (রা.) আমলের কোরআন শরিফও আছে এই জাদুঘরে। আরও আছে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সম্পূর্ণ বংশলতিকা। আছে কুরাইশসহ আরবের বিখ্যাত বিভিন্ন গোত্র ও বংশের পরিচয়।
জেদ্দা বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৭৪৪ জন হজযাত্রী সৌদি আরব এসেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পাঁচ হাজার ২১৭ জন ১১টি ফ্লাইটে এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২ হাজার ৫২৭ জন ১৯৫টি ফ্লাইটে এসেছেন।
নয়জন বাংলাদেশির ইন্তেকাল
এবার পবিত্র হজ পালন করতে সৌদি আরব এসে এ পর্যন্ত নয়জন বাংলাদেশি ইন্তেকাল করেছেন। তাঁরা হলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মো. আবদুর রাজ্জাক (৫৯) ও ভৈরবের আমিনুল হক (৪৪), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের মোছাম্মৎ আমেনা বেগম (৫৪), সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের সুলতান মাহমুদ (৫৭), গাজীপুর সদরের নাছিমা বেগম (৪২), নীলফামারী সদর উপজেলার শেখ আফছার আলী (৬৭), চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আলী আকবর (৬৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের মো. আবদুর রশিদ (৮৩) এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের কাজি আলী আক্কাস (৫৮)। তাঁদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। জানাজা শেষে মক্কার শারায়া ও মদিনার জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে তাঁদের মরদেহ দাফন করা হয়।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV