Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও গ্রিনকার্ডধারীদের বহির্বিশ্বে একটি নির্দিষ্ট পরিমানের বেশি ফাইনান্সিয়াল এসেট থাকলে তার তথ্যও দিতে হবে আইআরএসকে -ইয়াকুব এ খান, সিপিএ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 80 বার

প্রকাশিত: February 10, 2014 | 9:20 PM

ইউএসএ নিউজ অনলাইন.কম : যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও গ্রিনকার্ডধারীদের বহির্বিশ্বে একটি নির্দিষ্ট পরিমানের বেশি ফাইনান্সিয়াল এসেট থাকলে তার তথ্যও দিতে হবে আইআরএসকে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বিনিয়োগকৃত অর্থ সম্পত্তির পরিমান ও বিনিয়োগের লাভের উপর ফেডারেল ট্যাক্স ফাইলিং বাধ্যতামূলক করার প্রক্রিয়া চলছে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে এ সংক্রান্ত আইনটি কার্যকর করা হবে। নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের সার্টিফাইড পাবলিক একাউনটেন্ট ইয়াকুব এ খান, সিপিএ ফরেন একাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট (ফ্যাটকা) নিয়ে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় এ তথ্য জানান। জ্যাকসন হাইটসের ফুড কোর্ট মিলনায়তনে ইয়াকুব এ খান সিপিএ ফরেন একাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট (ফ্যাটকা) সংক্রান্ত এ পরামর্শ সভাটির আয়োজন করেন। সাংবাদিকরা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা এ পরামর্শ সভায় অংশ নেন। পরামর্শ সভায় নতুন এই ট্যাক্স রিপোর্টিং এর আওতায় প্রবাসীদের মাঝে কারা অন্তর্ভূক্ত হবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

পরামর্শ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সোনালী এক্সচেঞ্জ ইউএসএ’র সিইও আতাউর রহমান, এক্সিম ইউএসএ ইনকের সিইও শেখ বশিরুল ইসলাম এবং সৈয়দ ডব্লিউ কাদরী সিপিএ।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশী আমেরিকান ইয়াকুব এ খান সিপিএ জানান, ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ‘দ্য ফরেন অ্যাকাউন্ট ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স অ্যাক্ট’ (এফএটিএসিএ) বা ফ্যাটকা আইনটি প্রণয়ন করে। যুক্তরাষ্ট্রের এ আইন অনুযায়ী প্রবাসী বাংলাদেশীদের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস (আই আর এস) কে দিতে হবে যদি তার পরিমান একটি নির্দিষ্ট পরিমানের বেশি হয়।
ইয়াকুব এ খান, সিপিএ জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে আইনটি পরিপালনে বাংলাদেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও গ্রীনকার্ডধারী কোনো ব্যক্তির বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দিষ্ট পরিমানের বেশি ফাইনান্সিয়াল এসেট থাকলে তার তথ্য আইআরএসকে দিতে হবে। আইনটি পরিপালনে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের অর্জিত আয় থেকে ৩০ শতাংশ হারে ইউথহোল্ড ট্যাক্স কাটা হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভ’ক্ত করা হবে। আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেন বা গ্রিনকার্ডধারীর নাম, ব্যাংক হিসাব নম্বর, ঠিকানা, তার যুক্তরাষ্ট্রের টিআইএন নম্বর ও হিসাবের স্থিতি জানাতে হবে আই আর এসকে।
ইয়াকুব এ খান সিপিএ জানান, এ পর্যন্ত ১৮টি দেশ এই ট্যাক্সের তথ্য আমেরিকান ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টকে দেবার জন্য এগ্রিমেন্ট সই করেছে। চুক্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সরকার সে দেশ থেকে সকল তথ্য সংগ্রহ করে আইআরএসকে জানাবে। কিন্তু কোনো দেশের সরকার চুক্তি করতে না চাইলে সে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইআরএসএ সরাসরি নিবন্ধন করে এসব তথ্য সরবরাহ করতে হবে। বিশ্বের সব ক’টি দেশকেই এই ট্যাক্স-এর আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা আমেরিকার। কিন্তু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাংকের তথ্য আমেরিকার কাছে সরবরাহের বিষয়ে বেশিরভাগ দেশই সাইন করার বিষয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভ’গছে। এশিয়ার মধ্যে একমাত্র জাপান এই এগ্রিমেন্টে সই করেছে।
বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ফ্যাটকা চুক্তি স্বাক্ষর করেনি বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলেও ফ্যাটকা অনুযায়ী দেশটির ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইআরএসএ সরাসরি নিবন্ধন করে এসব তথ্য সরবরাহ করতে হবে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে। এক্ষেত্রে কোনো দেশের অভ্যন্তরীন আইনে এ ধরনের তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের কাছ থেকে লিখিত অনাপত্তি নিয়ে তথ্য দেয়া যাবে বলে যুক্তরাষ্ট্রের আইনে বলা আছে। বাংলাদেশে এ ধরনের তথ্য দেয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে বলে মতবিনিময় সভায় জানান সোনালী এক্সচেঞ্জ ইউএসএ’র সিইও আতাউর রহমান। এসংক্রান্ত আইনটি সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানান। ব্যাংকের আইন অনুযায়ী আদালতের নির্দেশ বা বিচারকের বিশেষ আদেশ ছাড়া ব্যাংকের বইতে লিপিবদ্ধ কোনো বিষয় বা গ্রাহকের হিসাব ও লেনদেন সম্পর্কে তথ্যের গোপনীয়তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যার কারণে ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের তথ্য দেয়ার আগে তার কাছ থেকে লিখিতভাবে অনাপত্তি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ফ্যাটকা এর আওতায় বাংলাদেশী প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগকৃত নির্ধারিত অর্থ বা এই ধরনের বিনিয়োগ এবং তার আয় আমেরিকার ট্যাক্স ফাইলে রিপোর্ট করতে হবে। বাংলাদেশের ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনগুলোয় এই প্রোগ্রামের আওতায় প্রবাসী বাংলাদেশী আমেরিকান নাগরিক বা গ্রীনকার্ডধারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগকৃত অর্থ এবং এর আয় আমেরিকায় ট্যাক্স ফাইল করার সময় ফরম ৮৯৩৮-এ রিপোর্ট করতে হবে। যদি

১। Individual (একক) এর যদি $ ৫০,০০০ Value  থাকে, বছরের শেষ দিন অথবা $৭৫০০০ এর বেশি Value বছরের যে কোন সময়। 
২. Married- এর যদি $১০০.০০০ Value থাকে বছরের শেষ দিন অথবা $ ১৫০,০০০ এর বেশি Value বছরের যে কোন সময়।

বাংলাদেশী আমেরিকান ইয়াকুব এ খান, সিপিএ বলেন, ফ্যাটকা’র অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আমাদের চিন্তা-চেতনায় যেমন বিস্তারিত থাকা উচিৎ, তেমনি এটি আমাদের কতটুকু এফেক্ট করতে পারে তা নিয়েও আমাদের পরিকল্পনা করা উচিৎ। তিনি জানান, বাংলাদেশের ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনগুলো এ চুক্তিতে স্বাক্ষর না করলে ফ্যাটকা আইন অনুযায়ী ৩০ শতাংশ হারে ইউথহোল্ড ট্যাক্স কাটা ছাড়াও এসকল ইনস্টিটিউশন গুলোকে কালোতালিকাভ’ক্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোন বাংকের সাথে লেন-দেনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বড় বাণিজ্যিক বাংকগুলোর সামনে এই ফ্যাটকা চুক্তিতে সই না করে অন্য কোন বিকল্প আছে কি তা ভাবার বিষয়।
ইয়াকুব এ খান, সিপিএ জানান, ট্যাক্স সিস্টেমে তথ্য গোপন করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্টরা সঠিকভাবে আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ নির্ভূল তথ্য প্রদান করছেন কিনা সেটা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে বিশেষ অডিটের ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম ধরা পড়লে আইআরএস এর নিকট সংশ্লিষ্টদের বড় ধরনের খেসারত গুনতে হয়। আইআরএস এর অডিট থেকে রেহাই পেতে সকলেরই সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে ট্যাক্স রিটার্ন করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়টি নিয়ে কারও কোনো প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগ করতে পারেন ইয়াকুব এ খান, সিপিএ : ৩৪৭-২০০-৪৭৮১ ।

সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV