Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

কংগ্রেস ও স্টেট সিনেটে ৩ বাংলাদেশী: কম্যুনিটির স্বার্থেই সকলের ভোট কেন্দ্রে যাওয়া উচিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 130 বার

প্রকাশিত: October 30, 2010 | 2:18 AM

 এনাঃ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশীদের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ২ নভেম্বর নির্বাচনের দিন সকলকে ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে।  এ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হেনসেন ক্লার্ক। তার বিজয় নিশ্চিত। এছাড়া মিশিগান স্টেট সিনেট এবং জর্জিয়া স্টেট সিনেটেও রয়েছেন দুই বাংলাদেশী-আমেরিকান যথাক্রমে ড. দেবাশীষ মৃধা ও ড. রশিদ মালিক। এ তিনজনই ডেমক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী।

 

 

 

 জয়ের ব্যাপারে অপর দুজনও আশাবাদি। এর ফলে এবারের নির্বাচনটি প্রবাসী বাংলাদেশীদের উত্থানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বনে পরিণত হয়েছে। তবে নির্বাচনে কোন প্রার্থীকে ভোট দিলেন সেটি বড় কথা নয়, আপনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন-সেটি বড় কথা। যে কম্যুনিটির লোক বেশী ভোট দেবে তাদের প্রতি প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গিও আলাদা রকমের হবে। ঐ কম্যুনিটির জন্যে ফেডারেল, স্টেট ও সিটির বরাদ্দ বাড়বে। বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুলে সুযোগ-সুবিধা প্রসারিত হবে এবং এলাকার উন্নয়নে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা বিশেষ মনোযোগী হবেন। কেননা, জনপ্রতিনিধিদের নখদর্পনে থাকে ভোটাধিকারের বিষয়টি। চলমান মন্দা কাটিয়ে উঠতে ফেডারেল প্রশাসনের অর্থ বন্টনের ব্যাপারটিও ভোটাধিকারের উপর নির্ভর করে। এছাড়া নতুন কম্যুনিটি হিসেবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাবতীয় সুবিধা পেতে হলেও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরী করা দরকার। ইমিগ্রেশনের বিল পাশ কিংবা কম্যুনিটিভিত্তিক যে কোন সমস্যার সমাধানে কংগ্রেস অথবা স্টেট পার্লামেন্টের হসত্মক্ষেপ পেতে হলেও জনপ্রতিনিধিগণের সহায়তা দরকার। এ নির্বাচনে সকলেরই ভোট কেন্দ্রে যাওয়া দরকার আরেকটি কারণে। তা হচ্ছে কংগ্রেসে যদি ডেমক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে না পারে তাহলে মুসলিম বিদ্বেষমূলক কর্মকান্ডের ব্যাপকতা বাড়তে পারে। পাবলিকানদের নির্বাচনী প্রচারণায় ওবামা মুসলমান এবং ইসলামিক জিহাদীদের তৎপরতা বেড়ে চলেছে ইত্যাদি প্রাধান্য পাচ্ছে বলে এনাকে জানান নিউইয়র্ক সিটি ভোটার এ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনার মুর্শেদ আলম। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ডেমক্র্যাট এবং তার ধারণা, বাংলাদেশী-আমেরিকান ভোটারের সিংহভাগই রেজিস্টার্ড ডেমক্র্যাট। গ্রাউন্ড জিরোতেই শুধু নয়, অন্যত্র মসজিদ নির্মানের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চলছে যুক্তরাষ্ট্রে-এ বিষয়টিকেও সামনে রেখে প্রতিটি মুসলিম ভোটারকে দলবেঁধে কেন্দ্রে যাওয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন। আপনার বাসার কাছেই রয়েছে ভোট কেন্দ্র। কেন্দ্রের খোঁজ নিতে টেলিফোন অপারেটর অথবা ওয়েব সাইটে যেতে পারেন। স্কুল-কলেজগামী আপনার সন্তানের মাধ্যমেও ভোট কেন্দ্রের ঠিকানা খুঁজে নিতে পারেন। নিউইয়র্কের ভোট গ্রহণ চলবে সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তাই কাজের ফাঁকে সময় নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যেতে ভুলবেন না। সাথে রাখবেন স্টেট আইডি অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স। ভোটার নম্বর যদি সাথে না থাকে তবে অবশ্যই পাসপোর্ট নিতে হবে। আপনি ইংরেজী না বুঝলে কিংবা ব্যালট সম্পর্কে ধারণা না থাকলে ভোট কেন্দ্রের এজেন্ট/কর্মকর্তার সাহায্য চাইবেন। প্রয়োজনে তারা বাঙালি অনুবাদক এনে আপনাকে যাবতীয় সহযোগিতা দেবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বর্তমানে ইংরেজী ছাড়া স্প্যানিশ, কোরিয়ান এবং চায়নীজ ভাষাতেও ব্যালট পেপার হচ্ছে। বাঙালিরা সুসংগঠিত হয়ে অধিকসংখ্যায় কেন্দ্রে যাচ্ছেন-এমন পরিস্থিতি তৈরী করা সম্ভব হলে পরবর্তি নির্বাচনে বাংলাতেও ব্যালট হবে। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই দেন-দরবার শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সী, পেনসিলভেনিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান, টেক্সাস, ম্যাসেচুসেট্‌স, ওয়াশিংটন মেট্র প্রভৃতি এলাকায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী সিটিজেনশিপ নিয়েছেন। এর অধিকাংশই ভোটার হিসেবেও তালিকাভুক্ত হয়েছেন। কিন্তু বিগত নির্বাচনগুলোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভোটের দিন কেন্দ্রে যাবার ঘটনা ঘটে কমসংখ্যক বাংলাদেশীর ক্ষেত্রে। অনেকে ভোটাধিকারকে গুরুত্ব না দিয়ে সিটিজেনশিপকে কেবলমাত্র আত্মীয়-স্বজনকে স্পন্সর করে আনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেন। অথচ ভোটাধিকার প্রয়োগ না করায় ব্যক্তিগতভাবে তিনি নিজে অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং কম্যুনিটিকেও বঞ্চিত করছেন। বাংলাদেশী-আমেরিকান তথা স্বল্প আয়ের ইমিগ্র্যান্টরা কেন ডেমক্র্যাটদের ভোট দেবেন-এ প্রশ্নের জবাবে নিউইয়র্ক সিটি একাউন্ট্যান্ট এন্ড ট্যাক্স অডিটর ইউনিয়ন লোকাল ১৪০৭ এর প্রেসিডেন্ট এবং সোয়া লাখ শ্রমিকের প্রতিনিধিত্বকারী শ্রমিক ইউনিয়ন ডিসি-৩৭ এর ট্রেজারার এ এফ এম মিসবাহ উদ্দিন এনাকে বলেন, আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে যে প্রেসিডেন্ট ওবামার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বেড়েছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না। কিন্তু এ ধারণা আদৌ সত্য নয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছেম প্রেসিডেন্ট বুশের শেষ আমলে ৯০ লাখ আমেরিকান বেকারত্বের অভিশাপে ছিলেন। ঐ অবস্থায় দায়িত্ব নেন ওবামা। এরপর গত ২০ মাসে প্রেসিডেন্ট ওবামাকে ঐসব বেকারের কর্মসংস্থানে নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে-যা বুশের ৮ বছরেও সম্ভব হয়নি। ডেমক্র্যাট প্রেসিডেন্ট ওবামার নেতৃত্বে সমাজ জীবনে বিরাট একটি পরিবর্তন এসেছে এবং আরো কিছু হতে চলেছে। এখন ৩২ মিলিয়ন আমেরিকান হেলথ ইন্স্যুরেন্স পাচ্ছেন। সেপ্টেম্বরের ১ তারিখ থেকে আরেকটি হেল্‌থ কভারেজ আসছে মা-বাবার উপর নির্ভরশীল সন্তানের জন্যে। এতদিন ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত ফ্রি হেলথ কভারেজ ছিল, ১ সেপ্টেম্বরের পর বয়সসীমা ২৭ বছরে বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ ২৭ বছর বয়স পযর্ন্ত সকলেই হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পাবেন। আরেকটি বিষয় প্রতিটি বাংলাদেশীর খেয়াল রাখা দরকার। ৬৫ বছরের অধিক বয়েসী কোন আমেরিকানকেই আর প্রেসক্রিপশনের কো-পেমেন্ট দিতে হবে না। এতদিন হাসপাতালে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় কভারেজ ছিল না। এখন সেটি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় না উচ্চারণ করতে পারবে না। যত ডলার লাগে তা কভার করবে ইন্স্যুরেন্স। মিসবাহ উদ্দিন আরো বলেন, গত বছরের দিকে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যাবে প্রতি বছরই গড়ে হেলথ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম ১৫% বেড়েছে। এখন আর সে আশংকা রইলো না। একইভাবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও তাদের কর্মচারীর জন্যে হেলথ ইন্স্যুরেন্স ক্রয় করতে পারবেন এবং বছর শেষে ট্যাক্স রিটার্নে ঔ অর্থ ফেরত পাবেন। তিনি বলেন, যুদ্ধবাজ প্রেসিডেন্ট হিসেবে খ্যাত জর্জ বুশ ট্যাক্স মওকুফের যে ব্যবস্থা করেছিলেন তার সুযোগ পায় মাত্র ২% আমেরিকান-যারা সমাজে সবচেয়ে উঁচুতে বাস করেন। পক্ষান্তরে সাধারণ মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচিত ওবামার ট্যাক্স মওকুফের সুযোগ পাচ্ছেন ৯৫% আমেরিকান। কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরা আগে ফেডারেল মঞ্জুরী পেতো ৩ হাজার ডলার করে, এখন পাচ্ছে ৫ হাজার ডলার। একইভাবে কলেজগামী প্রতিটি সন্তানের অভিভাবক ট্যাক্স রিবেট পাচ্ছেন ১০ হাজার ডলার করে। জনাব মিসবাহ বলেন, এসব বিষয় মিডিয়ায় আসছে না ঠিকমত। সমাজে ধনী হিসেবে পরিচিতরা রিপাবলিকানদের ক্ষমতায় বসাতে চায় এবং তারাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছেন বিধায় ওবামার যুগান্তকারী পদক্ষেপের তথ্য সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে জানতে সক্ষম হচ্ছেন না। এ অবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে ২ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে হাজির হয়ে। ডেমক্র্যাটিক পার্টির শীর্ষনেতাদের অন্যতম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশী আমেরিকান ওসমান সিদ্দিক বলেন, মধ্যবর্তি নির্বাচনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে ক্ষমতাসীন দল তেমন ভাল করেনি। এবারও তেমন আশংকা রয়েছে নানাবিধ কারণে। একদিকে মন্দা, আরেকদিকে যুদ্ধ। কিন্তু এই মন্দা শুরু হয়েছে বুশের আমলে এবং যুদ্ধ বাঁধিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বুশ। তবে আমরা আশা করেছিলাম যে ইরাকের মত আফগানিসত্মানের যুদ্ধ থামাতে ওবামা সোচ্চার হবেন। এবারের নির্বাচনে কংগ্রেসের আধিপত্য ডেমক্র্যাটরা হারালে মুসলিম-আমেরিকানদের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত ওসমান সিদ্দিক বলেন, নানাভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ইসলাম সম্পর্কে। ডানপন্থি কিছু মিডিয়া এসব করছে। কিন্তু আমাদের সংবিধান সকল ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। সংবিধান অনুযায়ী প্রশাসনকে চলতে হবে। তাই রিপাবলিকানরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেই বিশেষ কোন ধর্মের মানুষেরা অন্যায়ভাবে হেনস্থা হবেন এটা মনে করার কারণ নেই। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, সিংহভাগ আমেরিকানই মানবতাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধ পরিকর। তাই ডানপন্থি কিছু ধর্মান্ধ মানুষের কাছে আমেরিকার মূল্যবোধ অবদমিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি না। এটা ভুলে গেলে চলবে না যে, ইউরোপের অনেক দেশের চেয়ে আমেরিকায় ধর্মীয় সম্প্রীতি অনেক মজবুত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, এবার যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে লড়ছেন মিশিগান স্টেট সিনেটর হেনসেন ক্লার্ক। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত হেনসেন ক্লার্ক জয়ী হবেন-এটা নিশ্চিত। ঐ স্টেটে সিনেটর হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশী-আমেরিকান ড. দেবাশীষ মৃধা ৩২তম ডিস্ট্রিক্ট থেকে। জর্জিয়ার নবম ডিস্ট্রিক্ট থেকে ড. রশীদ মালিক লড়ছেন। তাকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে রিপাবলিকান প্রার্থীকে। এছাড়া পেনসিলভেনিয়া ও নিউজার্সী স্টেটের কয়েকটি সিটি কাউন্সিলেও বাংলাদেশী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ