যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষাগারে তৈরি করা হয়েছে মানবযকৃৎ
মানবযকৃৎ:যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছে, তারা পরীক্ষাগারে মানবযকৃৎ উদ্ভাবনে সফল হয়েছে। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে এক সম্মেলনে ওয়াক ফরেস্ট ইউনিভার্সিটির ব্যাপ্টিস্ট মেডিকেল সেন্টারের গবেষকেরা এ ব্যাপারে তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আখরোট আকৃতির এই যকৃৎ একটি অনন্য উদ্ভাবন। তবে তাঁরা এখনো নিশ্চিত নন, এই পদ্ধতি ব্যবহার করে একটি পূর্ণ আকৃতির যকৃৎ পাওয়া সম্ভব কি না।
সাম্প্রতিক সময়ে মানবদেহে প্রতিস্থাপনের জন্য যকৃতের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে যকৃৎ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণেই বিজ্ঞানীরা দেহের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোষপ্রযুক্তির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই গবেষক দল ক্ষুদ্রাকৃতির এই যকৃৎ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে মানবদেহের কোষ একটি প্রাণীর যকৃতের কাঠামোয় রেখে তা বেড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি করে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় পরীক্ষাগারে বায়ো-রিঅ্যাক্টর বা জীবচুল্লিতে। সেখানে কোষের বেড়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করা হয়।
গবেষকেরা জানান, এক সপ্তাহ পর তাঁরা দেখতে পান যকৃতের আকৃতি বাড়ছে এবং তা স্বাভাবিক মানব অঙ্গের মতো কাজ করতে শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে মূলত ‘স্টেম সেল’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই গবেষণায় স্টেম সেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যকৃতের অপরিপক্ক কোষ ও এন্ডোথেলিয়াল সেল (রক্তনালীর একধরনের কোষ)।
গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক শেই সোকার বলেন, ‘এই গবেষণার ফল দেখে আমরা খুবই উৎসাহী হয়ে উঠেছি। তবে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, আমরা একদম প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি। তবে রোগীদের দেহে প্রতিস্থাপনের জন্য কার্যকর যকৃৎ পেতে আমাদের আরও প্রযুক্তিগত বাধা পার করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মানবদেহের উপযোগী যকৃৎ পাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু কোটি কোটি কোষ তৈরি করার পদ্ধতি জানলেই চলবে না, একই সঙ্গে আমাদের জানতে হবে এই যকৃৎ মানবদেহে ব্যবহার করা নিরাপদ কি না।’ গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, কৃত্রিমভাবে যকৃৎ পাওয়ার এই পদ্ধতিকে পরীক্ষাগার থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিতে তাঁদের কমপক্ষে পাঁচ বছর সময় লাগবে। বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।
সাম্প্রতিক সময়ে মানবদেহে প্রতিস্থাপনের জন্য যকৃতের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে যকৃৎ পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণেই বিজ্ঞানীরা দেহের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোষপ্রযুক্তির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই গবেষক দল ক্ষুদ্রাকৃতির এই যকৃৎ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে মানবদেহের কোষ একটি প্রাণীর যকৃতের কাঠামোয় রেখে তা বেড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি করে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় পরীক্ষাগারে বায়ো-রিঅ্যাক্টর বা জীবচুল্লিতে। সেখানে কোষের বেড়ে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করা হয়।
গবেষকেরা জানান, এক সপ্তাহ পর তাঁরা দেখতে পান যকৃতের আকৃতি বাড়ছে এবং তা স্বাভাবিক মানব অঙ্গের মতো কাজ করতে শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে মূলত ‘স্টেম সেল’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই গবেষণায় স্টেম সেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যকৃতের অপরিপক্ক কোষ ও এন্ডোথেলিয়াল সেল (রক্তনালীর একধরনের কোষ)।
গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক শেই সোকার বলেন, ‘এই গবেষণার ফল দেখে আমরা খুবই উৎসাহী হয়ে উঠেছি। তবে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে, আমরা একদম প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি। তবে রোগীদের দেহে প্রতিস্থাপনের জন্য কার্যকর যকৃৎ পেতে আমাদের আরও প্রযুক্তিগত বাধা পার করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মানবদেহের উপযোগী যকৃৎ পাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু কোটি কোটি কোষ তৈরি করার পদ্ধতি জানলেই চলবে না, একই সঙ্গে আমাদের জানতে হবে এই যকৃৎ মানবদেহে ব্যবহার করা নিরাপদ কি না।’ গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, কৃত্রিমভাবে যকৃৎ পাওয়ার এই পদ্ধতিকে পরীক্ষাগার থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিতে তাঁদের কমপক্ষে পাঁচ বছর সময় লাগবে। বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইন।
সর্বশেষ সংবাদ
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের