Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর ফাঁসি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 23 বার

প্রকাশিত: November 2, 2014 | 12:47 PM

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান আজ সকালে এ রায় ঘোষণা করেন। এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই বিচারক হলেন- বিচারপতি শাহীনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে হত্যা, লাশ গুম, অপহরণ ও নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী ১৪টি অভিযোগ আনা হয় মীর কাসেম আলী বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ১৩টি অভিযোগের বিষয়ে সর্বসম্মত রায় দেয়া হয়েছে। বাকি একটি অভিযোগের বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেওয়া হয়। রায়ে বলা হয়, আটটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯, ১০ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ, যার সবগুলোতেই অপহরণ করে নির্যাতনের বর্ণনা রয়েছে। এছাড়া ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগ আংশিক প্রমাণিত হয়েছে। এই দুটি অভিযোগে হত্যার কথা বলা হয়েছে। ১১ নম্বর অভিযোগে সর্বসম্মত ও ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ফাঁসির রায় দিয়েছেন বিচারপতিরা। এছাড়া ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারেনি বলে রায়ে জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে সকাল দশটা ৫০ মিনিটে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ১০টা ৪৩ মিনিটে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে আসামির কাঠগড়ায় তোলা হয় আসামি মীর কাসেম আলীকে।

‘সব মিথ্যা, সত্যের জয় হবে’

নিজের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর মীর কাসেম আলী তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, মিথ্যা মামলায় মিথ্যা সাক্ষীতে এ রায় হয়েছে। পুরো ঘটনা সাজানো, কালো আইন। শিগগির সত্যের জয় হবে। রায় ঘোষণার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। কথা বলার সময়ই পুলিশ তাকে ট্রাইব্যুনাল থেকে বাইরে নিয়ে যায়। এদিকে রায় ঘোষণার আগেই তাকে এজলাস কক্ষে নেয়া হয়। হালকা আকাশি শার্ট, ক্রিম রঙের কোর্ট আর চশমা চোখে কাঠগড়ায় একটি চেয়ারে বসে ছিলেন মীর কাসেম। এসময় তাকে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই দেখা যায়। সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে তাকে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে নেয়া হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কাসিমপুর কারাগার থেকে মীর কাসেমকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে।

‘রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে’

মীর কাসেম আলীর আইনজীবী মিজানুল ইসলাম রায়ের পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এটি মিথ্যা মামলায় সাজানো রায়। যে দুটি অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদ- দেয়া হয়েছে তা একটি দ্বিধাবিভক্ত রায়। এই রায়ে সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, মৃত্যুদ-সহ মীর কাসেম আলীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এ সব অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে একাত্তরে নভেম্বর মাসের আগে। মীর কাসেম আলী ৭ই নভেম্বরের পর চট্টগ্রামেই ছিলেন না। ছাত্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল হয়ে তিনি ঢাকায় চলে এসেছিলেন। তিনি বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে। তিনি বলেন, একটি অভিযোগে একজন সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার জন্ম ১৯৭৭ সালের পর। তিনি ১৯৭১ সালের ঘটনা প্রত্যক্ষ করলেন কীভাবে?

বিচারপ্রত্যাশীরা ন্যায়বিচার পেয়েছে: রাষ্ট্রপক্ষ

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর রায়ে বিচারপ্রত্যাশী ও শহীদ পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। তারা আরও বলেছেন এ রায়ের মাধ্যমে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি দেশে ছিল তা থেকে বেরিয়ে আসা গেল। রোববার রায় ঘোষণার পর তাতক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন, প্রসিকিউশনের আইনজীবী জেয়াদ আল মালুম। তিনি বলেন, যেসব অভিযোগে মীর কাসেম আলী খালাস পেয়েছেন সেসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে কি-না তা পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। রাষ্ট্রপক্ষের অপর আইনজীবী তুরিন আফরোজ বলেন, এ রায়ে আমরা খুশি। আমরা সন্তুষ্ট। আশা করি উচ্চ আদালতে এ রায় বহাল থাকবে।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ