২০১৫ জাতিসংঘে বাংলাদেশের জন্যে চ্যালেঞ্জের : রাষ্ট্রদূত ড. মোমেন
নিউইয়র্ক: ২১ কর্মকর্তা/কর্মচারির মধ্যে ১২ জনকেই ঢাকায় তলব করায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশন কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। গত ৩/৪ বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশ যেসব সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে তা অটুট রেখে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিক্রমায় বাংলাদেশের ইস্যুগুলোর অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে চলতি বছর বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে বলে মনে করছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে এ মোমেন। খবর এনআরবি
গেল বছর আন্তর্জাতিক ১১টি সংস্থার নির্বাচনেই বাংলাদেশের বিজয় অর্জন এবং তার আগের বছরগুলোতে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ডজনখানেক সংস্থাসহ ৩০/৩২টি ফোরামে বাংলাদেশ নেতৃত্ব প্রদান করেছে। বাংলাদেশের এসব অর্জন ধরে রাখার সাথে সাথে সামনের দিনগুলোতে জাতিসংঘের বিভিন্ন পরিকল্পনায় বাংলাদেশকে সম্পৃক্ত রাখার ক্ষেত্রে চলতি বছরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এমন সময়েই জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ২১ কর্মকর্তা/কর্মচারির মধ্য থেকে ১২ জনকেই ফিরে যেতে হচ্ছে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। প্রচালিত রীতি অনুযায়ীই তাদেরকে ফিরতে হচ্ছে এ মাসেই। আর এ কারণেই নতুন বছরের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়ার আশংকা ব্যক্ত করছেন রাষ্ট্রদূত মোমেন। রাষ্ট্রদূত মোমেন এনআরবি নিউজকে জানান, চাকরির বিধি অনুযায়ী অফিসাররা সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং স্টাফরা ৪ বছর পর্যন্ত এ মিশনে থাকতে পারেন। এ সময় অতিবাহিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদেরকে দেশে ফিরতে হচ্ছে। এর মধ্যে উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) মামুন-অর রশীদও রয়েছেন। মামুন চলে গেছেন ২৯ ডিসেম্বর।
তার স্থলে এসেছেন সরকারের যুগ্ম সচিব বিজন লাল দেব। বিজন লাল প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদের স্থলে যারা আসছেন বা আসবেন তাদের কোনই অভিজ্ঞতা নেই জাতিসংঘে কাজের। অর্থাৎ নয়া এ কর্মস্থলে যোগদানের পর কমপক্ষে ৬ মাস লাগবে স্ব স্ব কাজের সাথে ভালোভাবে পরিচিত হবে। আর এই ৬ মাসেই ঘটবে ২০১৫ পরবর্তি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-এসডিজি’ নির্দ্ধারণের চূড়ান্ত সব কার্যক্রম। রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, ‘এই এসডিজির বিভিন্ন পরিকল্পনায় বাংলাদেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর অন্তভূক্তির জন্যে গত এক বছর যাবত যারা কাজ করছেন, তারা চলে গেলে সকল শ্রম বিফলে যাবার আশংকা সৃষ্টি হবে।’ ‘জাতীয় স্বার্থে কয়েকজন অফিসার/কর্মচারিকে আরো কয়েক মাস মিশনে রাখা দরকার। কিন্তু ঢাকায় যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের কাছে মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণের ইচ্ছাই প্রাধান্য পাচ্ছে। কারণ, ঐসব উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আত্মীয়-স্বজনেরা নিউইয়র্কে আসার জন্যে উদগ্রিব হয়ে রয়েছেন’-উল্লেখ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ক’টনীতিক। অপরদিকে রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, ‘বিশেষ করে, ২০১৫ সালেই সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য(এমডিজি) শেষ হচ্ছে এবং এই এমডিজির কতটা অর্জিত হয়েছে, অবশিষ্টাংশ সম্পন্ন করতে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন, সে বিষয়ে কেবলমাত্র অভিজ্ঞরাই তাৎক্ষণিক পরামর্শ/সুপারিশ করতে পারবেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এ বছরই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য তথা এমডিজি পরবর্তী উন্নয়নের লক্ষ্য স্থির করা হচ্ছে। এজন্যে বেশ কটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরও হয়েছে। সে সব বৈঠকে বাংলাদেশের বেশ কটি ইস্যুকে এজেন্ডার আওতায় নেয়া সম্ভব হয়েছে নানা প্রক্রিয়ায়।’ মোমেন বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন হবে প্যারিসে এ বছরের ডিসেম্বরে । জুলাই মাসে আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত হবে ‘তৃতীয় উন্নয়নের জন্যে অর্থ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন। একইসময়ে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা নিয়েও উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হবে। সে বৈঠকে বাংলাদেশের চাহিদাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে সদা তৎপর থাকতে হবে।’
রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা ৩ বছরের জন্যে নিয়োগ পেলেও কর্মচারিদের জন্যে এ সময়সীমা ৪ বছর করে। অভিনব এ ব্যবস্থা চলে আসছে বহুদিন যাবত। এখন তার সংস্কার দরকার। বিশেষ করে, একইসাথে এতগুলো কর্মকর্তা এবং কর্মচারিকে যাতে স্টেশন বদল করতে না হয় সে পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী। বিশেষ করে চলতি বছরটি জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থানকে ধরে রাখতে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তার বিকল্প নেই। গত বছর যে উদ্যমে আমরা কাজ করেছি, তার চেয়ে আরো একটু বেশী কাজ করতে হবে এ বছর। এ বছর এসডিজির পরিকল্পনায় বাংলাদেশের ইস্যুগুলোর অন্তর্ভুক্তি ঘটানো সম্ভব হলে বড় একটি সুযোগ সৃষ্টি হবে উন্নয়ন-অগ্রগতির পথে।’ রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, ‘এসডিজির ইস্যুসমূহের ৬৮টি খসরা তৈরী হয়েছে। এরমধ্যে ১১টি ফোকাল পয়েন্ট হচ্ছে বাংলাদেশের।’
রাষ্ট্রদূত মোমেন উল্লেখ করেন, ‘এসডিজির কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশের বেশ কিছু প্রস্তাব রয়েছে এবং ইতিমধ্যেই সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করাও সম্ভব হয়েছে। এর অন্যতম হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, মাইগ্রেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, শিল্পায়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উৎপাদনের সক্ষমতা, বাস্তবায়নের দক্ষতা, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানী নিরাপত্তা, প্রযুক্তি স্থানান্তর, সর্বজনীন শিক্ষা ইত্যাদি। শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের আরো কিছু প্রস্তাব রয়েছে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুদ্ধ ও দাঙ্গা বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠনের।
রাষ্ট্রদূত মোমেন জানান, ২০১৫ সালে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সম্মেলন হবে। এর অন্যতম হচ্ছে ফেব্র“য়ারিতে জাতিসংঘে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক গৃহিত পদক্ষেপ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন সম্পর্কে। মার্চে অনুষ্ঠিত হবে নারী ক্ষমতায়ন এবং লিঙ্গ-সমতা নিশ্চিতের অভিপ্রায়ে জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকার ওপর শীর্ষ বৈঠক এবং ঐ বৈঠকের সুপারিশসমূহ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত হবে। এপ্রিল অথবা মে মাসে জাতিসংঘ এবং আঞ্চলিক সংস্থাসমূহের মধ্যে চলমান মতভেদ-মতদ্বৈততা-সমস্যাসমূহের শান্তিপূর্ণ অবসান ঘটিয়ে কর্মপরিধিকে আরো জোরদারভাবে বিস্তৃত করার জন্যে উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলন হবে। জুন মাসে শীর্ষ বৈঠক হবে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়ংকর আশংকার পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আলোকে। ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন সম্পর্কিত সমন্বয় বৈঠক হবে ১২-১৩ ফেব্র“য়ারিতে। ১৩ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ দিনব্যাপী জনসংখ্যা এবং উন্নয়ন কমিশনের ৪৮তম অধিবেশন বসবে। জাপানের সেন্ডাইতে ১৪ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত ৫দিনব্যাপী দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর ওপর বিশ্ব সম্মেলন হবে।
১৩ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ৪দিনব্যাপী তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন হবে ‘ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট’ শিরোনামে। মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সাউথ সাউথ কো-অপারেশন’র শীর্ষ বৈঠক। এ বৈঠকে ২০১৫ পরবর্তী এজেন্ডায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ইস্যুগুলোকে অগ্রাধিকার প্রদানের ব্যাপারে স্থির একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, চলতি জানুয়ারি মাসেই বাংলাদেশ এসজিডি কমিটির শান্তিরক্ষা মিশনের প্রথম আঞ্চলিক কন্সালটেশন বৈঠকের হোস্ট করছে। কারাকাসে জুন-জুলাইতে অনুষ্ঠিত হবে ন্যাম সম্মেলন। ইকসকের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বছরের মাঝামাঝি সময়ে-যেখানে ইস্তাম্বুল সম্মেলনে গহিত সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা এবং পরবর্তী কৌশল গ্রহণ করা হবে। নিউইয়র্কে উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক বসবে এসপিটি সম্পর্কে। এপ্রিলের ২ তারিখে জাতিসংঘ সদর দফতরে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের সমাবেশ হবে। সেপ্টেম্বরে সাধারণ পরিষদের শীর্ষ বৈঠকের প্রাক্কালে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ সম্পর্কিত উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা হবে। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, এবার জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ৭০ বছর পূর্তি হচ্ছে। এ উপলক্ষে বেশ কিছু কর্মসূচি রয়েছে। এজন্যে সাধারণ পরিষদের শীর্ষ সম্মেলন ২৪ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ২৮ সেপ্টেম্বর শুরু হবে।
জাতিসংঘের কার্যসূচি অনুযায়ী ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ কল্পে প্রায় প্রতিমাসেই লাগাতার বৈঠক হবে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে। এরমধ্যে রয়েছে ১৯-২১ জানুয়ারি, ১৭-২০ ফেব্র“য়ারি, ২৩-২৭ মার্চ, ২০-২৪ এপ্রিল, ১৮-২২ মে, ২২-২৫ জুন, ২০-২৪ জুলাই এবং ২৭-৩১ জুলাই। অর্থাৎ পুরো বছরই বহুবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ এবং বাংলাদেশের স্বার্থগুলো সংরক্ষণের স্বার্থে জাতিসংঘে কাজের অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন সংস্থার লোকজনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক/জানাশোনা রয়েছে এমন অফিসার/কর্মচারির ভীষণ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায় তথা নীতি-নির্দ্ধারণে আমাদের কোন লোক না থাকলেও মাঝারি পর্যায়ে অনেকে ঢুকেছেন। এর ফলে সুবিধাও পাচ্ছি। কারণ, যখনই কোন ইস্যু নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় তখনই মাঝারি পর্যায়ের ঐসব কর্মকর্তারা আমাকে তা জানান এবং আমি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অফিসারদের নিয়োগ করি ঐ ইস্যুতে কাজের জন্যে। তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে উচ্চ পর্যায় তথা জেনারেল পর্যায়ে আমাদের কেউ নেই। এক্ষেত্রে বড় সমস্যা হচ্ছে, আমাদের জেনারেলরা ফ্রেঞ্চ ভাষা জানেন না। বিশেষ করে পুলিশের ক্ষেত্রে ফ্রেঞ্চ ভাষা জানা খুবই প্রয়োজন।’
২০১৪ সালকে বাংলাদেশের জন্যে খুবই সৌভাগ্যের বলে অভিহিত করেন রাষ্ট্রদূত মোমেন। এ বছর ১১টি আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ জয়ী হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশী সমস্যায় পড়তে হয় মানবাধিকার কাউন্সিলের নির্বাচনে। বাংলাদেশের মৌলবাদি গোষ্ঠির বিদেশী এজেন্টরা এই নির্বাচনে বাংলাদেশকে পরাজিত করতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করেছিল। তারা বাংলাদেশে মানবাধিকার লংঘনের গুরুতর কিছু লিফলেট তৈরী করে তা সদস্য রাষ্ট্রসমূহে বিতরণ করেছিল। কিন্তু সরেজমিনে খোঁজ-খবর নেয়ায় কেউই ঐসব প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়নি।’
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature