Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

‘পৃথিবীকে রক্ষা করো, প্রকৃতি তোমাকে দেখছে’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 140 বার

প্রকাশিত: January 2, 2016 | 11:50 PM

পৃথিবীকে রক্ষা করতে মানবজাতিকে আহ্বান জানিয়েছে এক গরিলা। সাংকেতিক ভাষায় আবেগি বার্তা দিয়েছে ৪৪ বছরের গরিলা কোকো। এক বছর বয়স থেকে সাংকেতিক ভাষা শিখছে সে। ৬০ সেকেন্ডের এক ভিডিওতে সে বলেছে, ‘কোকো মানুষকে ভালোবাসে। কিন্তু মানুষ বোকা… বোকা! কোকো মন ভালো না। কোকো কাদে। সময় নেই। পৃথিবীকে ঠিক করো! পৃথিবীকে সাহায্য করো! দ্রুত! পৃথিবীকে রক্ষা করো। প্রকৃতি তোমাকে দেখছে। ধন্যবাদ।’ কোকোর জন্য বার্তাটি প্রস্তুত করে ফ্রান্স ভিত্তিক এনওই কনসার্ভেশন। আর এনওই’র সঙ্গে ভিডিওটি তৈরি করেছে ক্যালিফোর্নিয়ার দ্যা গরিলা ফাউন্ডেশন। বৃটেনের ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, এনওই সংগঠনটির লক্ষ্য হচ্ছে, জীববৈচিত্র রক্ষা করা। আর ক্যালিফোর্নিায়র উডসাইডে অবস্থিত গরিলা ফাউন্ডেশনে ১৯৭৯ সাল থেকে আছে কোকো।  সে মার্কিন সাংকেতিক ভাষার ১০০০ শব্দ বুঝতে পারে। আর মৌখিক ইংরেজির ২০০০ শব্দ। প্যারিসে হয়ে যাওয়া সাম্প্রতিক জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে এনওই’র বার্তা পৌছানোর জন্য ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল। গরিলা ফাউন্ডেশনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে সাংকেতিক ভাষায় যোগাযোগের স্বতন্ত্র দক্ষতার কারনে কোকো বিপন্ন প্রজাতির জন্য স্বাভাবিক একজন অ্যাম্বাস্যাডর। তিনি আরও বলেছেন, এনওই’র তৈরি একটি খসড়া স্ক্রিপ্ট আমর কোকোকে দেই। পরে কয়েকটি সিরিজ সেশনে তাকে সেই স্ক্রিপ্ট নিজের মতো করে পরিবর্তন করার সুযোগ দেয়া হয়। পরে ধারাবাহিকতা আনার জন্য ওই ভিডিও সিরিজগুলো সম্পাদনা করা হয়। ওই মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, ভিডিওর জন্য নতুন কিছু সঙ্কেত শিখতে হয়েছে কোকোকে। এর মধ্যে রয়েছে ‘রক্ষা’ ও ‘প্রকৃতি’। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ