Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

ফিলাডেলফিয়া সিটি হলের সামনে অনাদিকাল ধরে থাকবে বাংলাদেশের পতাকা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 161 বার

প্রকাশিত: November 23, 2010 | 8:58 PM

 এনা : বিজয়ের মাসের প্রারম্ভে যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালিদের আরেকটি বিজয় রচিত হলো। ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত স্থান ফিলাডেলফিয়া সিটি হলের সামনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম বেঞ্জামীন ফ্রাঙ্কলিন স্মরণে প্রতিষ্ঠিত পার্কওয়েতে ১৯ টি দেশের সাথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও উড্ডয়ন করা হলো। এ পতাকা উড্ডীন থাকবে অনাদিকাল ধরে। পতাকার স্ট্যান্ডে বড় করে লেখা রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

 

 এর পাশে রয়েছে এঙ্গোলা, বেলারোজ, বস্টওয়ানা, বুলগেরিয়া, এলসালভেদর, ফিজি, জর্জিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, নেপাল, ওমান, কাতার, সেন্ট ভিনসেন্ট নেভিস, সিনেগাল, তাঞ্জানিয়া, ত্রিনিদাদ এন্ড টবাগ্যো ও তুরস্ক।  ১৯ নভেম্বর বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিলাডেলফিয়া সিটির মেয়র মাইকেল নাটার পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতসহ ১৯ দেশের সঙ্গীত গীত হয়। এ পতাকা স্থাপনের জন্যে বেশ কয়েক বছর বছর ধরে তদ্বিররত বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ফিলাডেলফিয়া এবং বাংলাদেশ কম্যুনিটি অব পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে আমন্ত্রিত হন। সবুজ ভূমিতে রক্তে রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের সময় বীর প্রতিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।সৃষ্টিকর্তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি নতুন এ দেশেও বাংলাদেশের পতাকার সম্মান অর্জনের জন্য।

 
ছবিঃ বাংলা প্রেস

 

এ সময় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ফিলাডেলফিয়ার সভাপতি হাজী শেখ খোরসান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন লিটন, বাংলাদেশ কম্যুনিটি অব পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তাসহ ডেলওয়ার ভ্যালী বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. গোলাম কবির, পেনসিলভেনিয়া কম্যুনিটির ড. ইবরুল হাসান চৌধুরী বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকে মেয়র মাইকেল নাটারকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় আবু তাহের বীর প্রতিক এবং সিটি মেয়রের কমিশন অন এশিয়ান আমেরিকান এফেয়ার্সের চেয়ারপার্সন ড. নীনা আহমেদও সেখানে ছিলেন।

ফিলাডেলফিয়ার ডেইলি নিউজেও সংবাদটি গুরুত্বের সাথে প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, সিটিতে বসবাসরত বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিরলস শ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে সিটি হলের পক্ষ থেকে ঐসব দেশের জাতীয় পতাকা উড্ডীনের অনুমোদন দেয়া হয়। এ অনুমোদনের সমন্বয় করে ফিলাডেলফিয়া মিউজিয়াম অব আর্ট।
এ পতাকা উড্ডীনের একদিন পর অর্থাৎ ২১ নভেম্বর রোববার ঐ পার্কে সমবেত হন ১১ হাজার রানার ২৬ মাইল দীর্ঘ ম্যারাথনে অংশ নেয়ার জন্য। সে সময় অপর ১০৮ দেশের পতাকার সাথে বাংলাদেশের পতাকাও রানারদের সাদর সম্ভাষণ জানায়।
এর আগে লসএঞ্জেলেস সিটিতে লিটল বাংলাদেশ হয়েছে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার এভিনিউ, মিশিগানের ডেট্রয়েট সিটিতে বাংলাদেশ এভিনিউ এবং শিকাগো ডাউনটাউনে শেখ মুজিব ওয়ে হয়েছে। এছাড়া গত বছরের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের দিন ঘোষণা দেয়া হয় যে নিউজার্সীর প্যাটারসন সিটি হলের সামনে প্রতি বছর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
অনুসন্ধানকালে জানা যায়, ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গ্রেটার ফিলাডেলফিয়া এবং ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ কম্যুনিটি অব পেনসিলভেনিয়ার কর্মকর্তারা নানাভাবে চেষ্টা করেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ঞ্জোমীন ফ্রাঙ্কলীন পার্কওয়েতে স্থায়ীভাবে উড্ডীনের জন্যে। তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি সিটি প্রশাসনে জোরালো লবিংয়ের অভাবে। ২০০৯ সালে ড. নীনা আহমেদকে সিটি মেয়র মাইকেল নাটার এশিয়ান আমেরিকান এফেয়ার্স কমিশনের চেয়ারপার্সন করায় বিষয়টি ত্বরান্বিত হয়।
এ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ড. নীনা আহমেদ বার্তা সংস্থা এনাকে বলেন, ২০০৭ সালে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ডেলওয়ারেভ্যালীর সদস্য থাকাবস্থায় আমি তদানিনত্মন কংগ্রেসম্যান চাকা ফাত্তাহ্‌‌র কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করেছিলাম। এরপর তিনি আমার সে পত্র ফরোয়ার্ড করেছিলেন সিটি কাউন্সিলে। সে প্রস্তাবটি পাশ হয় কিন্তু তা বাস্তবায়িত করার মত জোরালো লবিং ছিল না সিটি হলে। এজন্যে বিষয়টি ঝুলে ছিল। ড. নীনা বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে এটাই বড় সত্য এবং প্রবাসীদের জন্যে এটি বড় অর্জন। এজন্যে একক কেউ কৃতিত্ব দাবি করা সমীচিন নয়, এ অহংকারের দাবিদার প্রতিটি বাঙালি।   
                                   
                                      
 
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV