Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

এহসানুল হক মিলন’র কথিত কনভেনশনের কার্যক্রম দলীয় শৃঙ্খলা ও নিয়ম কানুন বহির্ভূত : যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 177 বার

প্রকাশিত: July 20, 2016 | 6:34 PM

নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ১৯শে জুলাই সমাবেশে আলোচিত নিউইয়র্ক স্টেট কমিটি গঠন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়ে  লিখিত বক্তব্য : প্রথমেই উল্লেখ্য যে, গত ডিসেম্বর ২০১৫ তে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল হক মিলন যখন স্টেট কমিটি গঠনে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তখন নিয়ম মাফিক ভাবেই আমরা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি নিয়ে সচেষ্ট ছিলাম। আমাদের সেই প্রত্যাশাকে সুবিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি গঠনের প্রতি দলের সর্বচ্চ নীতি নির্ধারকদের ইতিবাচক ভাবনা রয়েছে জেনে আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তারই ধারাবাহিকতায় জনাব এহসানুল হক মিলন সাহেবকে স্টেট কমিটি গঠনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে আমরা চেষ্টা করেছি এবং এই বিষয়ে আমরা অনেকেই নিজেদের মধ্যে বৈঠকও করেছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, এহসানুল হক মিলন সাহেব যে সকল প্রক্রিয়ায় কথিত কনভেনশনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে তা দলীয় শৃঙ্খলা ও নিয়ম কানুন বহির্ভূত এবং দুটি বৈঠকে এসকল বিতর্কিত বিষয় গুলোকে পরিহার করে সবাইকে নিয়ে একটি আন্তরিক পরিবেশে নিউইয়র্ক স্টেট কমিটি গঠনের প্রস্তাব গুলোকে তিনি স্বেচ্ছাচারী ভাবে উপেক্ষা করে আব্দুল লতিফ ও তার অনুগতদেরকে নিয়ে একতরফা ভাবেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এমুনঅবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠন সমুহের নেতা কর্মীদের মাঝে এক বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। আর এ সকল বিভ্রান্তি কে অবসান করে নিউইয়র্ক স্টেট কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় চলমান অন্তরায়কে সকলের কাছে অবগত করতেই আজকের এই আয়োজন। আমরা সুন্দর ভাবেই এ সকল বিষয় গুলোকে পরিচ্ছন্ন ভাবে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য সাংগঠনিক নিয়মেই নিউইয়র্ক স্টেট কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া অবলম্বনের আহবান জানাচ্ছি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল হক মিলন’র প্রতি।

বিতর্কিত বিষয়াবলীঃ
(১) দীর্ঘদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় ৪টি অংশ আলাদা ভাবে দলের পক্ষে ভুমিকা রাখছে কিন্তু জনাব মিলন রহস্যজনক ভাবেই শুধুমাত্র একটি অংশ ও তার নেতা সম্রাট সাহেবের পরিকল্পনা মাফিক সকল কার্যক্রম সম্পাদন করে চলেছেন এবং আমরা সকল অংশের সমান অংশগ্রহনের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের আহ্বান জানালেও তিনি তা উপেক্ষা করে চলেছেন।

(২) নির্বাচনের নামে প্রথমে ২০ ডলার, পরে ১০ ডলার এবং সবশেষে ১ ডলার নির্ধারণ করে পাইকারী ভাবে ভোটার বানিয়ে যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তা এই জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলকে একটি সমিতিতে রূপান্তরিত করেছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিরাও সমিতি নির্বাচনের আকারে দলমত নির্বিশেষে ভোটার বানিয়ে এক অযোগ্য নেতৃত্ব স্থাপন করবে যা দলের ইতিহাসে কোথাও এধরনের প্রক্রিয়ার কোন নজির নাই। এ প্রক্রিয়ার পিছনে একটি অশুভ শক্তি ও উদ্দেশ্য কাজ করছে বলেই সবাই বিশ্বাস করে।

(৩) বিতর্কিত এই পাতানো নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক এক সভাপতি মোহাম্মদ আজিজ কে অনেক আপত্তির পরও প্রধান নির্বাচন কমিশনার করা হয়েছে জিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নন এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের একজন পৃষ্ঠপোষক হিসাবে অবদান রেখেছেন। এমনকি অজ্ঞাত ব্যক্তির মাধ্যমে নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপিকে নানা আঞ্চলিক সমিতির আকারে একটি নন প্রফিট (Non Profit) সামাজিক সংগঠনের ন্যায় রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে একদিকে দলের রাজনৈতিক চেহারা ভুলন্থিত হচ্ছে এবং অন্যদিকে আইনগত ভাবে দলের কেন্দ্রিয় নিয়ম তন্ত্রের বাইরে এই শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানকে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

(৪) নির্বাচনী ফান্ড গঠনে প্রার্থিদের থেকে ১০-৮-৭-৫ হাজার ডলার আদায়, হিলারি ক্লিনটনের সাথে সাক্ষাত ইত্যাদি নামে বিপুল পরিমান অর্থ যোগানের এক অপপ্রয়াস চলছে এবং এ সকল অর্থ আদান প্রদানের অস্বচ্ছলতা ও অস্পষ্টতার পাশাপাশি এসবের মুল মুল নিয়ন্ত্রণে অর্থ কেলেঙ্কারি খ্যাত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সর্বশেষ সভাপতির নিবিড় সংশ্লিষ্টতা দলের নৈতিক অবস্থান কে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।

উল্লেখ্যে বিষয়গুলো নিয়ে জনাব মিলন কে শুধরানোর অনুরোধ উপেক্ষা করে চলেছেন এবং নানা বাসাবাড়িতে ও আগন্তুক আজিজ সাহেবের অফিসে তথাকতিথ স্ট্যান্ডিং (Standing) কমিটির বৈঠকের নামে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোর দৃষ্টি আকর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাক্ষা ও করা হয়েছে।

এমনি অবস্থায় মিলন সাহেবের পক্ষ থেকে কোন কার্যকরী উদ্যোগের পরিবর্তে “মিলন-সম্রাট” গ্রুপ আকারেই তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বিধায় আজকের এই সভার মাধ্যমে দলের সকল অন্তর্নিহিত বিষয় গুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছি আমরা।

পরিশেষে আমরা আবারো আহ্বান করছি যে, আগামী সেপ্টেম্বরে খুনি হাসিনার জাতিসংঘ সফরকালে বরাবরের মত এবারো সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করতে বদ্ধপরিকর। সেই পক্রিয়াকে নস্যাৎ না করে সকলের সমান অংশগ্রহনের মাধ্যমে এবং দলের কনভেনশনের চলমান নিয়ম মাফিক দল বহির্ভূত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে ও দলকে সমিতি বানানোর প্রক্রিয়া থেকে

সরে এসে একটি স্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ নেয়া হোক। প্রয়োজনে সেপ্টেম্বরে হাসিনা বিরোধী কর্মসূচী পালনের পর নিউইয়র্ক স্টেট কমিটির কনভেনশনের দিন ধার্য করা হোক। অন্যথায় আমরা এই বিতর্কিত কনভেনশন বয়কট করবো এবং কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতাদের কাছে এর অনুমোদন না দেয়ার আহ্বান জানাবো। পাশাপাশি উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতির জন্য এহসানুল হোক মিলন ও আব্দুল লতিফই দায় দায়িত্ব বহন করবেন। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ