Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন : হিলারিকে প্রেসিডেন্ট দেখা পর্যন্ত বাঁচতে চান ‘অন্ধকার যুগে’ জন্ম নেয়া রুলিন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 40 বার

প্রকাশিত: July 25, 2016 | 1:12 PM

হিলারি ক্লিনটনকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট দেখে যেতে চান ‘অন্ধকার যুগে’ জন্ম নেয়া রুলিন স্টেইনিঙ্গার। তার বয়স এখন ১০৩ বছর। আগামী ৮ই নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি হিলারির জন্য ভোট দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তিনি আইওয়া রাজ্যের অধিবাসী। ১৯১৩ সালের ১৪ই এপ্রিল তার জন্ম। তখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় নি। নারীদের কোন ভোটাধিকার ছিল না। ১৯২১ সালে ১৯তম সংশোধন আনা হয় মার্কিন সংবিধানে। তারপরই নারীরা ভোটাধিকার পান। তখন রুলিন স্টেইনিঙ্গারের বয়স মাত্র ৭ বছর। পড়াশোনা শিখে এক পর্যায়ে তিনি স্কুল শিক্ষিকা হন। কিন্তু সব সময়ই রাজনীতির প্রতি ছিল তার অন্যরকম মোহ। তিনি জীবনে প্রথম ভোট দেন ১৯৩৬ সালে। তখন তিনি ভোট দিয়েছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টকে। ওই বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রুজভেল্ট। তারপর যত নির্বাচন হয়েছে তার সবটিতে তিনি ভোট দিয়েছেন। তবে তিনি কখনও কল্পনাও করতে পারেন নি যে, একদিন প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বী একজন নারীর নাম দেখতে পাবেন ব্যালটে। তিনি বলেছেন, আমি একজন নারীর কথা কখনও কল্পনা করতে পারি নি। সব সময় মনে করতাম যে প্রেসিডেন্ট হবেন একজন পুরুষ। আমার মধ্যে এ রকমই ধারণা হয়ে গিয়েছিল। তার কাছে সাংবাদিক গ্যারি টাচম্যান জানতে চেয়েছিলেন, নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি কি হিলারি ক্লিনটনকে ভোট দিচ্ছেন? জবাবে রুলিন স্টেইনিঙ্গার বলেছেন, আপনি কি আমার সঙ্গে মস্করা করছেন? আমি বুঝতে পারি না কেন অন্যরা সবাই তাকে বেছে নিচ্ছেন না। তাই তিনি হিলারি ক্লিনটনকে ভোট দেয়ার বিষয়ে একটি চিঠি লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, আমার জীবনের প্রথম এক শতাব্দীতে অবিশ্বাস্য অনেক কিছু দেখেছি। একটি মহামারী, বিশ্বব্যাপী দুটি বিপর্যয়, পোলিও প্রতিকার, প্রথম ক্যাথলিক প্রেসিডেন্ট, চাঁদে একজন মানুষ, গুটিবসন্তের সমাপ্তি ও একজন আফ্রিকান বংশোদ্ভূত প্রেসিডেন্ট দেখেছি। আমার জীবনের বাকি শতাব্দীতে একজন নারী প্রেসিডেন্ট দেখার জন্য অপেক্ষা করছি। আমার সামনে অনেক বড় একটি কাজ পড়ে আছে। আমাকে সে পর্যন্ত বাঁচতে হবে। তারপর, ঠিক আছে, তারপরই আমি মরতে পারি। কিন্তু তার আগে তাকে (হিলারিকে) নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট দেখা পর্যন্ত আমি বাঁচতে চাই।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ