ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপন : আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, দু’দেশের জনগনের মধ্যেও সুসম্পর্ক বজায় আছে, দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে
ওয়াশিংটন: যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ১৭ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ৪৫তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়। ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সংগ্রামে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে। এ দিনটির স্মরণে প্রতিবছর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনির ডেপুটি চীফ লুটান্যান্ট জেনারেল জিনা এম গ্রুসো। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রতিরক্ষা অ্যাটাচি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, এওডব্লিউসি, পিএসসি, আগত আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনির ডেপুটি চীফ লুটান্যান্ট জেনারেল জিনা এম গ্রুসো তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশ আমেরিকা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধি দিনে দিনে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় আমেরিকা বাংলাদেশ যৌথ সামরিক মহড়া সহ বিভিন্ন পর্য্যায়ে দুই দেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্য দিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। হারিক্যান ক্যাটরিনার সময় বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সামরিক বাহিনির সদস্যদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে সামরিক ক্ষেত্রেই নয়, দুই দেশের জনগনের মধ্যেও সুসম্পর্ক বজায় আছে যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন তাঁর স্বাগত বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশে একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কম্পিউটারাইজড জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বহুলাংশে উজ্জ্বল করেছে। স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য শেষে ৪৫তম সশস্ত্র বাহিনি দিবস উপলক্ষে কেক কাটা হয় এবং পরে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের মধ্যে বাংলাদেশী রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত, প্রতিরক্ষা অ্যাটাচী, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ও পেন্টাগনের উচ্চ পদস্থকর্মকর্তা, মিডিয়া প্রতিনিধি, বিভিন্ন দূতাবাসের সামরিক অ্যাটাসে, কর্মকর্তাবৃন্দ, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারিসহ অনেক অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ