জলবায়ুর পরিবর্তন, পারমানবিক বোমা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্ত্বার কারণে পৃথিবী বড়জোর এক হাজার বছর টিকবে: নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং
নোবেলজয়ী পদার্থবিদ ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বলেছেন, পৃথিবীর বেশি সময় নেই। বড়জোর এক হাজার বছর পৃথিবী টিকে থাকবে। জলবায়ুর পরিবর্তন, পারমানবিক বোমা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্ত্বার কারণে এই মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়গুলোকে সামনে এনে নতুন কোনো বাসস্থান খোঁজার জন্যও তাগাদা দিয়েছেন এই বিজ্ঞানী।
চলতি সপ্তাহে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভাষণে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, যদিও এক বছরে পৃথিবীর ক্ষতিসাধন কমই হয়। কিন্তু বৃহৎ পরিসরে চিন্তা করলে সামনের এক হাজার বছরের মধ্যে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে।
আর পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য নতুন কোনো গ্রহের সন্ধান করার পরামর্শ দিয়েছেন স্টিফেন হকিংস।
এমন চেষ্টা অবশ্য বিজ্ঞানীরা চালিয়েই যাচ্ছে। নাসা ‘এক্সোপ্লানেটের’ মতো বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে স্পেস এক্স এর প্রধান নির্বাহী এলন মাস্ক সামনের শতাব্দীতেই মঙ্গলে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছেন, এতকিছুর পরও বেশ ইতিবাচক হকিং। তিনি বলেন, সবসময় উপরে তারার দিকে তাকাবেন নিজের পায়ের দিকে নন। ভেবে দেখুন আপনি কি দেখছেন, কি কারণে বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অস্তিত্ব বিরাজ করছে।’
সবাইকে কৌতুহলী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জীবন যত কঠিনই হোক না কেন আপনাকে একটা বিষয় সবসময়ই সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আর সেটা হচ্ছে আপনার হার না মানা মানসিকতা। সিএনএন/ইত্তেফাক
সর্বশেষ সংবাদ
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ