ট্রাম্পের বিজয়ে বাংলাদেশের ‘খুশি কিংবা হতাশার’ কিছু নেই : নিউইয়র্কে সাংবাদিক আড্ডায় ড. আলী রিয়াজ
নিউইয়র্ক : ট্রাম্পের বিজয় অপ্রত্যাশিত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার অটুট থাকবে। তবে, সিনেট-কংগ্রেস আর হোয়াইট হাউজের মধ্যে দুরুত্ব সৃষ্টি হতে পারে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ‘সিনেট ও কংগ্রেসের নেতৃত্ব হারাতে পারে রিপাবলিকানরা। এমন মন্তব্য করেছেন, ডক্টর আলী রিয়াজ। নিউইয়র্কের সাংবাদিক আড্ডায় তিনি আরো বলেন, ট্রাম্পের বিজয়ের সাথে বাংলাদেশের খুশি কিংবা হতাশা হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ট্রাম্পের পক্ষ নেয়াকে হাস্যকর বলেও মন্তব্য করেন আলী রিয়াজ। আড্ডায় যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে মতামত তুলে ধরেন নিউইয়র্কের সাংবাদিক ও সফররত লন্ডর বিবিসি বাংলার সাংবাদিক মাসুদ হাসান খান।
রোববার রাতে জ্যাকসন হাইটস হাট বাজার পার্টি হলে এ সাংবাদিক আড্ডায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিউইয়র্কের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শীর্ষ সাংবাদিকদের পাশাপাশি অংশ নেন প্রবাসী লেখক, কলামিস্ট ও বিশিষ্টজনেরা। প্রবাসী সাংবাদিক মনোয়ারুল ইসলাম ও আকবর হায়দার কিরণের সঞ্চালনায় আড্ডায় সভাপতিত্ব করেন সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর আলী রিয়াজ। এছাড়া ছিলেন, লন্ডনে কর্মরত বিবিসি বাংলার সাংবাদিক মাসুদ হাসান খান এবং বাংলাদেশের গাজী টিভির বার্তা প্রধান ইকবাল করীম নিশান।
বিষয় ভিত্তিক আলোচনার শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের এবারের প্রেসিডেনন্সিয়াল নির্বাচনকে অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত বলে উল্লেখ করেন ডক্টর আলী রিয়াজ। বলেন, বাস্তবতা আর গণমাধ্যমের বিশ্লেষণও মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে। ট্রাম্প বিরোধী মুভমেন্টকে নির্বাচনী ব্যবস্থা বিরোধী নয় দাবি করে, এটা জনগণের নায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সাথে তুলনা করেন তিনি। বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার তুলনা করা হাস্যকর বলেও জানান আলী রিয়াজ। এবারের নির্বাচন থেকে ডেমোক্রেট দলের অনেক কিছু শেখার আছে বলেও মনে করেন আলী রিয়াজ। জানান, ২০২০ সাল নয়; ২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও কংগ্রেসে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে দলটির।
লন্ডন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা বিবিসির সাংবাদিক মাসুদ হাসান খান। এসময়ে ব্রেক্সিটের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনকে তুলনা করেন তিনি। বলেন, ব্যাটেল গ্রাউন্ড রাজ্য এবং ওহাইয়োতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে শ্বেতাঙ্গদের মাঝে ট্রাম্পের প্রতি নীরব সমর্থন উপলব্দি করতে পেরেছি। কিন্তু গণমাধ্যমের জরিপ’র সাথে সেই বিষয়টি নিয়ে আমি সংবাদ প্রকাশে অনেকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই।
আড্ডায় অংশ নেন, প্রবীন সাংবাদিক মোহাম্মদ উল্যা, আজকাল পত্রিকার সম্পাদক মনজুর আহমদ, সাংবাদিক ও কলামিস্ট নিনি ওয়াহেদ, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক ডাঃ ওয়াজেদ এ খান, ঠিকানার সম্পাদক লাবলু আনসার, সিনিয়র সাংবাদিক মনির হায়দার, আজকালের নির্বাহি সম্পাদক শওকত ওসমান রচি, দৈনিক ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও টাইম টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি শিবলী চৌধুরী কায়েস, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিত্র গ্রাহক লুৎফর রহমান বিনু’সহ নিউইয়র্কের গণমাধ্যমের শীর্ষ সাংবাদিকরা।
এতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক মুজাহিদ আনসারি, এনটিভি ইউএস’র পুলক মাহমুদ, বাংলা পত্রিকার আলমগীর হোসেন বেপারী, দিমা নেফারতিতি, আফরোজা ইসলাম, মীর আলম, অধ্যাপিকা হুসনেরা বেগম, অ্যাক্টিভিট্স মিনহাজ আহমেদ শাম্মু, নিহার সিদ্দিকী, বেলাল আহমেদ, রিমন ইসলাম, পর্শিয়া সুলতানা, মাহবুবুর রহমান, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিট্স অনু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহবুদ্দিন আহমেদ, জুগল কিশোর নাথ।
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ