ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটিতে সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৮, হামলাকারী নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটিতে হামলা চালিয়েছে এক সন্ত্রাসী। সন্দেহজনক ওই সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। সে গুলি চালালেও তাকে কে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। হামলার সময় ক্লাসরুমের দরজায় চেয়ার জড়ো করে হামলাকারীর সামনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ জরুরি টুইটে বলেছে, দৌড়াও পালাও লড়াই করো। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। থ্যাঙ্কগিভিং ছুটির পর এদিন সকালে তখন শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছিলেন। ফেডারেল একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা বলেছেন, সন্দেহজনক এক হামলাকারী মারা গেছে। ওই কর্মকর্তা ঘটনা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ব্রিফিং করছিলেন। তিনি মনে করছেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তার আগে ওই হামলাকারী গুলি করে আহত কওে কমপক্ষে আটজনকে। তাদেরকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার তদন্ত চলছে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অ্যান্থনি ফালজারানো বলেছেন, তিনি ঘটনার সময় ক্লাসে ছিলেন। বলেছেন, অকস্মাৎ তিনি সাইরেনের শব্দ শুনতে পান। এক পর্যায়ে তাদের সবার কাছে একটি টেক্সট ম্যাসেজ যায়। তাতে জরুরি বার্তা দেয়া হয়। এর আগে কেউ একজন তাকে জানায় সে গুলির শব্দ পেয়েছে। এর পরই তারা সবাই মিলে একটি ভবনের দরজার পাশে নিরাপদে অবস্থান নেয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশ, অগ্নিনির্বাপণ ও এম্বুলেন্সে ভরে যায়। কলম্বাসে বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন ৬৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। মানবজমিন
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ