Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে লং আইল্যান্ড ইনিভার্সিটিতে কবিতা পড়লেন দুই বাঙালী কবি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 35 বার

প্রকাশিত: December 2, 2016 | 11:19 PM

নিউইয়র্ক : বাঙালী কবি-দম্পতি হাসানআল আব্দুল্লাহ ও নাজনীন সীমন ২৯ নভেম্বর মঙ্গলবার আমন্ত্রিত কবি হিসেবে কবিতা পড়লেন এল আই ইউ পোস্ট নামে খ্যাত লং আইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পোয়েট্রি সেন্টারে। প্রচণ্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে অর্ধশতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এই দুই বাঙালী কবির কবিতা শোনার জন্যে দুপুরে জড়ো হয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিলাস সেন্টারে। মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে পোয়েট্রি সেন্টারের পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রধান প্রফেসর জোন ডিগবে উভয়কেই পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, দুজনেই বাংলাদেশে জন্ম নিলেও দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন নিউইয়র্কে, যেখানে তাঁরা শিক্ষকতা পেশায় নিয়জিত। হাসানআল আব্দুল্লাহর নতুন ধারার স্বতন্ত্র সনেট, ও মহাকাশ নিয়ে রচিত তাঁর মহাকাব্যের কথা, এবং নাজনীন সীমনের সদ্য প্রকাশিত অনুবাদগ্রন্থ ‘হলোনেস অন দ্যা হরাইজন’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদের কবিতা ব্যাপ্তির দিক দিয়ে বিচিত্র বিষয়কে স্পর্শ করেছে এবং ইতিমধ্যেই এঁরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করেছেন। প্রথমে কবিতা পড়েন শব্দগুচ্ছ সম্পাদক কবি হাসানআল আব্দুল্লাহ। তিনি তাঁর প্রকাশিতব্য দ্বিভাষিক গ্রন্থ ‘স্বতন্ত্র সনেট : এ বাইলিঙ্গুয়াল এডিশন’ থেকে বেশ কয়েকটি সনেট পড়েন। এ পর্যায়ে তিনি পেট্রার্ক ও শেক্সপীয়ারের সনেট থেকে তাঁর রচিত সনেট কিভাবে আলাদা তারও বর্ণনা দেন। তিনি তাঁর অন্য দুটি দ্বিভাষিক গ্রন্থ ‘আন্ডার দ্যা থিন লেয়ারস অব লাইট’ ও ‘ব্রেথ অব বেঙ্গল’ থেকেও বেশ কিছু কবিতা পড়েন। মূল বাংলায়ও তিনি একটি কবিতা পড়ে শোনান। তিনি ‘শব্দগুচ্ছ’ অনুবাদ সংখ্যা থেকে নিজের অনুবাদে ড. হুমায়ুন আজাদের কবিতা ‘আমি খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে’ পড়ে শোনান। ২০০৪ সালে ঢাকায় ড. আজাদকে আক্রমণ, বার্মুনগ্রাদে চিকিৎসা ও পরে জার্মানিতে হত্যা ইত্যাদি ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই মহান কবি কিন্তু ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাননি! মারা গেছেন মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে।” ইংরেজী অনুবাদে একে একে অনেকগুলো কবিতা পড়েন কবি-গল্পকার ও জন এডামস হাইস্কুলের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক নাজনীন সীমন। মূল বাংলায় ছাড়াও সরাসরি ইংরেজীতে লেখা বেশ কয়েকটি কবিতাও পড়েন তিনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমি বাঙালী এটা আমার জন্যে গর্বের! পৃথিবীর যেখানেই যাই না কেনো বাংলাদেশের পতাকা দেখলে বুক ভরে ওঠে।” বিশ্বের দেশে দেশে হত্যা নিপীড়ন ও নির্যাতনেরও নিন্দা করেন তিনি। পাঠ শেষে প্রফেসর ডিগবে দুই কবিকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে তাঁদের কবিতার শব্দচয়ন, বিষয়বস্তু ও বিস্তৃতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বললেন, “তবে এঁরা দু’জনই কিন্তু নারীবাদি।” তিনি কবিদের হাতে পোয়েট্রি সেন্টারের পক্ষ থেকে সম্মানী তুলে দেন। সবশেষে ‘শব্দগুচ্ছ’ পত্রিকার বেশ কিছু সৌজন্য কপি ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিলি করা হয়। উল্লেখ্য ইতিপূর্বে ২০১৩ সালেও লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি এই দুই কবিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলো।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ