Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি পুনর্প্রতিষ্ঠায় ওবামা প্রশাসনসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনায় হোয়াইট হাউজের সামনে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 190 বার

প্রকাশিত: December 12, 2016 | 7:20 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি পুনর্প্রতিষ্ঠায় ওবামা প্রশাসনসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনায় ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউজের পাশে লাফায়েত পার্কে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। স্থানীয় সময় রবিবার দুপুরে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, পেনসেলভিনিয়া, মেরিল্যান্ড, ওয়াশিংটন ডিসি ও ভার্জিনিয়া থেকে বিপুলসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরসহ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।white_house
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের পরিচালক জে কানাসারা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উৎসব ব্যানার্জি, ইন্ডিয়া কজ-এর ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট রমেশ গট্টী, হরেকৃষ্ণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি রমেশ জয়পাল, জাস্টিজ ফর হিন্দুজ-এর সভাপতি ভিনসেন্ট ব্রুনো, নিউজার্সি কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ড. অরুনা পাল, মেরিল্যান্ড হিন্দু কমিউনিটি নেতা সত্য বোস, নীলাচল ডিসি’র সভাপতি প্রাণেশ হালদার, ভাজির্নিয়া হিন্দু কমিউনিটি নেতা দেবপ্রিয় দত্ত, কানেকটিকাট হিন্দু কমিউনিটি নেতা বিশ্বজিত চৌধুরী, নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের বাসিন্দা মিনু সরকার, জ্যাকসন হাইটসের বাসিন্দা চম্পা সরকার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি শ্যামল কর, সামু রুদ্র, রবীন্দ্র ঘোষ, বাংলাদেশ পূজা সমিতির সভাপতি অমিত ঘোষ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিষু গোপ, সম্মিলিত পূজা পুনর্মিলনীর যুগ্ম আহ্বায়ক ভজন সরকার, সম্মিলিত পূজা পুনর্মিলনীর আহ্বায়ক নিমর্ল পাল, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিতাংসু গুহ। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌ  খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নবেন্দু বিকাশ দত্ত। বাংলাদেশে চলমান সহিংসতা এবং সংখ্যালঘুসহ উপজাতি ও নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে স্মারকলিপি পাঠ করেন মাইনোরিটি রাইটস মুভমেন্টের মুখপাত্র শুভ রায়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন একটি দৈনন্দিন ঘটনা। আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হিন্দুরা অপেক্ষাকৃত কম নির্যাতিত হতো। এখন সব আমলই সমান। গত সাত বছরে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার যে কোনা আমলের থেকে খুব একটা কম নয়।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী এবং পূর্ববর্তী বিভিন্ন সময়ে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ হয়েছে। বিশেষ করে হিন্দুদের উপর বেশি হামলা হয়েছে। ২০১২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের রামুসহ কয়েকটি এলাকায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে আক্রমণ চালিয়ে কয়েক শ স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। সরকার সেসব বাড়িঘর ও বৌদ্ধ বিহারের কিছু নির্মাণ করে দিলেও আক্রমণকারী কাউকে শাস্তি দিতে পারেনি। বক্তারা বলেন, তখন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিলো বৌদ্ধ সম্প্রদায়, এবার হিন্দু সম্প্রদায়। কিন্তু এসবের সঠিক বিচার না হওয়ায় এ ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক দফা হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
অধ্যাপক নবেন্দু বিকাশ দত্ত বলেন, মন্ত্রী ছায়েদুল হক সংখ্যালঘুদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, যা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার ক্ষমতায় থাকতে একজন মন্ত্রী হিন্দুদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কীভাবে করে? এতে জাতি বিস্মিত। অথচ এই দেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ, স্বাধীনতা যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সংখ্যালঘু শহীদ হয়েছেন। সব বিছু হারিয়ে নি:স্ব হয়েছে। হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান সব ধর্মের মানুষ বাংলাদেশে সৌহার্দ্য- সম্প্রীতি বসবাস করার ঐতিহ্য ছিলো। কিন্তু কিছু ধর্মান্ধ-মৌলবাদীর মিথ্যা অভিযোগের কারণে বার কার সংখ্যালঘুরদের উপর নির্যাতন করা হচ্ছে। তিনি সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ