নিউইর্য়কে গাইডেন্স রিয়েলটি হোমসের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোর্শেদা জামান
নিউইয়র্ক: কমিউনিটির পরিচিত মুখ মোর্শেদা জামান নিউইর্য়কে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে এক অনন্য সাফল্য বয়ে আনলেন । সততা ও কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান থাকার স্বীকৃতি হিসাবে পেলেন মার্কিন মূলধারার রিয়েল এস্টেট কোম্পানি গাইডেন্স-এর সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড চেয়ারম্যানস ক্লাব অ্যাওয়ার্ড। অবিশ্বাস্য এই সাফল্য দিয়ে তিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় মূলধারার মুখ উজ্জ্বল করেছেন বাংলাদেশী কমিউনিটির।শব্দ নিউজ
বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউইর্য়র্কে জ্যামাইকায় গাইডেন্স রিয়েলটি হোমসের নিজস্ব কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মোর্শেদা জামানের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট ‘চেয়ারম্যানস অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট হুসাম এ. কুতুব। এই অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়ার জন্যই ভার্জিনিয়ার প্রধান কার্যালয়ে থেকে নিউইয়র্কে ছুটে এসেছেন তিনি। মোর্শেদা জামান ছাড়াও গাইডেন্স রিয়েলটি হোমসে কর্মরত আরো কয়েকজন বাংলাদেশী কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে হুসাম এ. কুতুব জানান, গাইডেন্স রিয়েলটি হোমস ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে। ভার্জিনিয়া, নিউইয়র্ক, শিকাগো, মেরিল্যান্ডসহ ৬টি স্টেটে বিস্তার লাভ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর ৬টি স্টেটে কাজ করছেন ৭১ জন। এ বছর তিনজন পেয়েছেন সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন মোর্শেদা জামান। তিনি জানান, এ বছর মোর্শেদা জামান ১২ মিলিয়ন ডলারের বেশী বেচাকেনা করেছেন। আর এই সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন মোর্শেদা জামান বেশ কয়েকটি উপায়ে। ক্রেস্ট ছাড়াও মোর্শেদা জামান পাবেন সপরিকারে কোস্টারিয়া ভ্রমণের সুযোগ। এছাড়া নিউইয়র্কের কার্যালয়ে সুদৃশ্য অফিস কক্ষ পেয়েছেন তিনি।
মোর্শেদা জামান তার এই সাফল্যের পেছনের কৃতিত্ব ভাগাভাগি করেছেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা গণমাধ্যমের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই কমিউনিটিতে আমি যেটুকু কাজ করি তা এখানকার গণমাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে। ফলে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছে তিনি অসামান্য পরিচিতি ও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। এ কারণেই তার ব্যবসায়ে বিস্তৃতি ঘটেছে। তিনি বলেন, আমার ক্রেতা বাংলাদেশী, বিক্রেতা আমেরিকান। বেচাকেনা করতে গিয়ে আমি সবসময় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। তবে তিনি বলেন, ব্যবসায়ে সফল হতে হলে সততাও বজায় রাখতে হবে। আমি এটা সবসময় মেনে চলেছি। ভবিষ্যত পথচলার তিনি গণমাধ্যমের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।
গাইডেন্সের গত বছরের আরো যারা বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন তারা হলেন, সৈয়দ আলম, সুহেল খান ও সুরেশ প্রসাদ (মিলিয়ন ডলার ক্লাব অ্যাওয়ার্ড) এবং মো¯তাক আহমেদ, সৈয়দ ওয়াসিম ও সুয়েব বখত ( এক্সিকিউটিভস ক্লাব অ্যাওয়ার্ড)। এই দুই অ্যাওয়ার্ডের বড় হচ্ছে প্রেসিডেন্টস ক্লাব অ্যাওয়ার্ড। কিন্তু মোর্শেদা জামান পেয়েছেন প্রেসিডেন্টেরও উপরে চেয়ারম্যানস ক্লাব অ্যাওয়ার্ড।
কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হুসাম এ. কুতুব সবার হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দিয়ে বলেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটি বড় হচ্ছে। এখানে রিয়েল এস্টেট ব্যবসাও সমৃদ্ধ হবে। আমাদেরও কোম্পানিও দিন দিন বড় হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের নিউইয়র্কের অফিস ২০১৬ সালে শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করেছে। এজন্য আমি অনেক খুশী। অনুষ্ঠানে তিনি গাইডেন্স রিয়েলটি হোমসের বাড়ি কেনায় বিভিন্ন ঋণ সুবিধার কথা তুলে ধরেন।
প্রসঙ্গতঃ বাংলাদেশে আইনপেশায় তিনি অনেক খ্যাতি অর্জন করেছেন। সূদুর আমেরিকায় পাড়ি জমানোর পর এই কমিউনিটিতে তার পরিচিতি কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, রাজনীতিবিদ, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী হিসাবে। সব জায়গায় তার অসামান্য সাফল্য। কিন্তু রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় মোর্শেদা জামানের সাফল্য আকাশ ছোঁয়া ও ঈর্ষনীয়।
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ