Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির নতুন রোডম্যাপ:কূটনীতিক ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে চাই-হিলারি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 167 বার

প্রকাশিত: December 17, 2010 | 12:55 AM

 যুক্তরাষ্ট্রের  পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন গতকাল ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র দফতরে কর্মকর্তাদের সামনে নতুন বৈদেশিক নীতির রূপরেখা ব্যক্ত করেন –   এএফপি। ইউএসএনিউজ ডেস্ক: সংঘাত পরিহার, খোলাবাজার এবং সন্ত্রাসবাদের হুমকি হ্রাসের মাধ্যমে বেসামরিক ক্ষমতায়নের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে একবিংশ শতাব্দীর জন্য পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন রোডম্যাপ ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দু’বছর দায়িত্ব পালনের মাথায় হিলারি ক্লিনটন গতকাল ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্র দফতরের এক আলোচনা সভায় জানিয়েছেন, রোডম্যাপের লক্ষ্য হিসেবে থাকবে সংঘাত পরিহার, খোলাবাজার এবং সন্ত্রাসবাদের হুমকি হ্রাসের মাধ্যমে বেসামরিক ক্ষমতায়নের প্রসার ঘটানো। অন্যদিকে ভারত ও চীনের মতো বিশ্বের উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির সঙ্গে বহুমুখী সম্পর্ক গড়ে তোলা। হিলারি বলেন, আমরা একবিংশ শতাব্দীর কূটনীতিক ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে চাই। খবর পিটিআই অনলাইনের।
পররাষ্ট্রনীতির রোডম্যাপ ঘোষণা করতে গিয়ে হিলারি ক্লিনটন বলেন, বেসামরিক ক্ষমতায়ন মানুষের জীবন ও অর্থকে রক্ষা করে। তিনি জানান, দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতরা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে তাদের বর্ধিত দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বহুমুখী সম্পর্ক স্থাপনের দায়িত্বে থাকবেন। মার্কিন কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বহুমুখী দায়িত্ব সুচারুভাবে পালনের জন্য গ্রহণযোগ্য করে তোলা হবে। যেহেতু নতুন উদ্যোগের কেন্দ্রবিন্দুতে তারাই থাকবেন। বিদেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তাদেরই বহুমুখী সম্পর্কের ক্ষেত্র পরিচালনা ও সমন্বয়ের জন্য দায়ী থাকতে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নতুন খাত ও সুযোগ তৈরির দায়িত্বও তারা পালন করবেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বৈদেশিক নীতিতে বেসামরিক ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিলেও সামরিক গুরুত্বকে অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন অংশীদারদের খুঁজে বের করে তাদের সঙ্গে নিয়ে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করবে। তাতে কাজ না হলে সামরিক শক্তির প্রয়োগ ঘটবে। হিলারি বলেন, ‘সেখানে আমাদের সামরিক বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আমরা একের পর এক কাজ করব। আফগানিস্তান ও ইরাক এবং বিশ্বের অন্যান্য সংঘাত প্রবন দেশগুলোর ক্ষেত্রে সেটাই হচ্ছে। অংশীদার হিসেবে প্রয়োজনে আমাদের সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা চলবে।’
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV