যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদের প্রচেষ্টায় নিউইয়র্কে স্থায়ী শহীদ মিনার
নিউইয়র্ক : বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তে আত্মত্যাগদানকারী শহীদদের সেই মহান ঘটনার স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর কানাডাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। তারই ধারবাহিকতায় এবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রথম বারের মত বাঙ্গালিদের উদ্যোগে নির্মিত হতে যাচ্ছে শহীদ মিনার। সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউইয়র্কের লার্গোডিয়া কমিউনিটি কলেজে এ শহীদ মিনার নির্মিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত বাঙালিদের দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন ছিল স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের। দীর্ঘ দিন যাবত বাংলাদেশী কমিউনিটির অনেকই চেষ্টা করেও সফল হতে পারেন নি। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি জাহিদ হাসান যখন নিউইয়র্কের সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউইয়র্ক এর আওতাধীন লার্গোডিয়া কমিউনিটি কলেজের ছাত্র ছিলেন তখন তিনিও চেয়েছিলেন যারা মায়ের ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে তাদের মর্যাদাকে আরো উর্ধ্বে তোলার জন্য লার্গোডিয়া ষ্টুডেন্ট গর্ভামেন্ট এসোসিয়েশন মাধ্যমে কিছু একটা করতে। কিন্তু তিনি তখন পারেন নি।
জাহিদ হাসান তখন ইউনেস্কো কর্তৃক ভাষা শহীদদের অবদানের স্বকৃতির জন্য ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের গুরত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে একটি প্রফাইল তৈরি করে লার্গোডিয়া ষ্টুডেন্ট গর্ভামেন্ট এসোসিয়েশনের সবার সাথে আলাপ আলোচনা করেও ব্যার্থ হন। তিনি আশা ছাড়েন নি। পরবর্তীকালে তার ছোট ভাই রায়হান মাহমুদ লার্গোডিয়া কলেজ ষ্টুডেন্ট গর্ভামেন্ট এসোসিয়েশন গর্ভনর নির্বাচত হলে তার হাতে শহীদ মিনার নির্মাণের গুরত্ব তুলে ধরা সম্বলিত সেই প্রোফাইল এবং শহীদ মিনারের নকশা তুলে দেন। রায়হান মাহমুদ লার্গোডিয়া কমিনিউটি কলেজে ষ্টুডেন্ট গর্ভামেন্ট এসোসিয়েশনের কাছে বিলটি নতুন করে প্রস্তাব করেন।
সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউইয়র্ক এর লার্গোডিয়া কমিউনিটি কলেজের ষ্টুডেন্ট গর্ভামেন্ট এসোসিয়েশনের গর্ভনর রায়হান মাহমুদ এ বিষয়ে জানান, আমি যখন লার্গোডিয়া ষ্টুডেন্ট গর্ভামেন্ট এসোসিয়েশনর গর্ভনর নির্বাচিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসানের সাথে আলোচনা করেছিলাম কিভাবে লার্গোডিয়া কলেজে শহীদ মিনার স্থাপন করা সম্ভব। এরই ধারাবাহিকতায় লার্গডিয়া কলেজের স্টুডেন্ট গর্ভনরদের সাথে দীর্ঘদিন আলাপ আলোচনার পরে আমি শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য প্রস্তাবটি স্টুডেন্ট গভারমেন্ট এসোসিয়েশন এর নিকট পেশ করি।
শহীদ মিনার নির্মাণের বিলটি স্টুডেন্ট গর্ভারমেন্ট এসোসিয়েশনের কাছে পেশ করার পর ১২ জন গভর্নরের ভিতরে ৮ জন গভর্নর ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানায় এবং গত ২৫ শে জানুয়ারী বিলটি স্টুডেন্ট গর্ভারমেন্টে পাশ হয়। স্টুডেন্ট গর্ভারমেন্ট এসোসিয়েশনের যে ৮ জন প্রতিনিধি প্রস্তাবিত বিলে সম্মতি দিয়েছেন, তারা হলেন ফজলে রাব্বি, শেখ হাফিজ, জয়ি ফার্নান্ডেজ, ইয়ং জো , ইয়ংগরু জিয়াও, জিয়ায়ন লি ও ইয়াইউ ঝাউ ।
এরই মধ্যে শহীদ মিনার স্থাপনের জন্য খরচ বাবদ ৮ হাজার ডলার স্টুডেন্ট গর্ভারমেন্ট এসোসিয়েশন থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। শহীদ মিনারটি লার্গোডিয়া কমিউনিটি কলেজের ‘ই’ বিল্ডিং এবং ‘এম’ বিল্ডিংয়ের মাঝে খোলা চত্তরে ১০ ফিট বাই ১০ ফিট সাইজের তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে।
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
- নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত
- নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ