বাংলাদেশের যত মহত্তম অর্জন সব কিছুই মহান স্বাধীনতাকে কেন্দ্র করে : যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদ
নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে গত ২৬ মার্চ রবিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জামাইকার একটি পার্টি সেন্টারে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভা থেকে সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সভার শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ,ইজ্জতহারানো দুইলক্ষ মাবোনদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। কুরআন পাঠ জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনির হোসেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কমান্ড এরউদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুল বাতেনর সভাপতিত্বে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউল আলম জগলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন বাংলাদেশের যত মহত্তম অর্জন সবকিছুই মহান স্বাধীনতাকে কেন্দ্র করে। দেশি ও আন্তর্জাতিক সব ষড়যন্ত্র নস্যাত্ করে বাংলাদেশ নিজের গতিপথ নিজেই বেছে নিয়েছিল। এ গতিপথের একমাত্র নির্ধারক ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমরা স্বাধীনতা লাভ করি। স্বাধীনতার মধ্যদিয়ে আমরা জাতি হিসেবে যেসব মূলনীতি আমাদের চেতনায় ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ধারণ করেছিলাম সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলো জাতীয়তাবোধ, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। এই নীতিগুলি অর্জনের জন্য জাতিকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বছরের পর বছর আন্দোলন করতে হয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। দুঃখের বিষয়, ১৯৭৫ পরবর্তী সামরিক স্বৈরাচারী শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম ও অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে এই নীতিগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করা হয়
এ সময় যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আবদুল বাতেন উল্লেখ করেন যে, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস দেখাচ্ছে। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইস্যুতে শেখ হাসিনার দৃঢ়তা সাহসিকতা বিচার প্রক্রিয়াটিকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে। আর এটি হচ্ছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রদ্ধার প্রতি প্রকৃত সম্মান। জননেত্রী শেখ হাসিনা না থাকলে এইযুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল বাস্তবায়িত হতো না, ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সত্যিকার সম্মান দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য চাকুরীর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এজন্য সংসদে আইন পাশ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। অন্যকোন নেতার পক্ষে এ কাজটি করা কোন মতেই সম্ভব হতো না ।
- দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত
- বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে
- শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা
- যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে
- নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর