Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিরিয়া হামলা নিয়ে কংগ্রেসে বিভক্তি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 127 বার

প্রকাশিত: April 8, 2017 | 4:17 PM

প্রিয়াংকা পান্ডে: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিরিয়া হামলা নিয়ে বিতর্ক চলছে মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে। এক পক্ষ বলছে ট্রাম্প যা করেছে তা সঠিক। অন্যপক্ষ এটিকে আইন বিরূদ্ধ বলছে। আপাতত এই দু’দলে বিভক্ত মার্কিন কংগ্রেস।

ট্রাম্পকে সমর্থন জানিয়ে সিনেটর মিচ ম্যাকনেল বলেন, ‘একদম উচিত কাজ করেছেন প্রেসিডেন্ট। ’

হোয়াইট হাউসের স্পিকার পল রায়নও সমর্থন করেছেন ট্রাম্পেকে। তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের সামরিক হামলা সময় উপযোগী।’

তবে কংগ্রেসের অনেকেই ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন না। তারা বলছেন, ট্রাম্পের এই হামলা করার আগে কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা করা উচিৎ ছিলো।

এ বিষয়ে সিনেট কমিটির সদস্য এলিজাবেথ ওয়ারেন সিরিয়ার রাসায়নিক হামলার নিন্দা করলেও এ বিষয়ে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পূর্বে কংগ্রেসের সঙ্গে আলাপ করে নেওয়া আবশ্যক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানিক শাখা থেকে সকল সামরিক কর্মকা-ের অনূমোদন দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সিরিয়ায় সংঘটিত সামরিক হামলায়ও কংগ্রেসের হাত থাকা জরুরি ছিল।’

এর আগে ১৯৭৩ সালে এভাবেই ভিয়েতনামের সঙ্গে অঘোষিত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল আমেরিকা। সেখানে আমেরিকান সৈন্য পাঠানোর আগে কংগ্রেসের অনুমতি না নেওয়ায় বলা হয়েছিল, আইনপ্রণেতারা সিদ্ধান্ত না দিলে ৯০ দিনের বেশি সৈন্যরা থাকতে পারবে না সেখানে।

তবে বিশেষ আইনে খুব জরুƒরী প্রয়োজনে আক্রমনের জবাব দেওয়ার স্বাধীনতা পাবে প্রেসিডেন্ট এবং এই সুবিধা এর আগে জর্জ বুশ, বারাক ওবামা এবং এখন ট্রাম্প নিয়েছে।

২০০১ সালের ৯/১১ এর কথা বিবেচনা করলে দেখা যায়, আমেরিকার মাটিতে যেকোন সমস্যা হলেই যেকোন পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি কংগ্রেসই দিয়েছিল বুশকে। এছাড়া ২০১৪ সালে এভাবেই জঙ্গীসংস্থা আইএসের বিপক্ষে লড়াইয়ে নেমেছিলেন ওবামা।

এবার ইরাক, আফগানস্তান এবং সর্বশেষ সিরিয়ার প্রতি একই ভাবে নিজের শক্তির বহিপ্রকাশ করলেন ট্রাম্প। নিউ ইর্য়ক পোষ্ট থেকে অনূদিত/আমাদের সময়.কম

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ