স্বাগত ২০১১:শুভ নববর্ষ,নব সম্ভাবনার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু বিশ্ববাসীর
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: স্বাগত ২০১১।শুভ নববর্ষ।আজ নতুন বছরের প্রথম দিন।শুক্রবার সূর্যাস্তের মধ্য দিয়ে কালের গর্ভে হারিয়ে গেল আরও একটি বছর।আজকের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হলো নতুন বছরের দিনপঞ্জি। পেছনের সব গ্লানি, বেদনা আর অপ্রাপ্তির ছাপ মুছে নব সম্ভাবনার স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু হলো বিশ্ববাসীর। গত রাত জিরো আওয়ারে সারা বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষ নানা আয়োজনে উৎসবের আমেজে বরণ করেছে ইংরেজি নতুন বছর ২০১১ সালকে। শুরু হলো নতুন একটি বছর। ঘড়ির কাঁটা বারোটার ঘরে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই পুরনো হয়ে গেল ২০১০ সাল আর নতুনের আহ্বান নিয়ে হাজির হলো ২০১১ সাল। পুরনোকে বিদায় আর নতুনকে স্বাগত জানাতে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই হয়েছে নানা আয়োজন। ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার প্রায় সব দেশেই মানুষ মেতে উঠেছিল আনন্দ উচ্ছ্বাসে।যে সব দেশে নিজস্ব বর্ষপঞ্জি চালু রয়েছে, বা গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জিকা তেমন চালু নয় তেমন দেশেও লেগেছিল উৎসবের ছোঁয়া। বিদায়ী বছরের সঙ্গে সঙ্গে বিগত দুঃখ বেদনা ভুলে নতুন দিনে নতুন করে সব শুরু করার তাগিদে মেতে উঠেছিল বিশ্ববাসী। বার্তা সংস্থা এপি ও বৃটিশ দৈনিক দ্য ডেইল মেইল তুলে ধরেছে তেমনি কয়েকটি দেশের নববর্ষের উৎসব উদযাপনের চিত্র। ভৌগোলিক হিসেবে নতুন বছরটি অন্যান্য দেশের তুলনায় একটু তাড়াতাড়িই শুরু হয় অস্ট্রেলিয়ায়। সে কারণে সেদেশে উৎসবের আমেজটি ছিল একটু বেশি। সিডনির হারবারে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় ১৫ লাখ মানুষ। তারা ৩১ তারিখ রাত ৯টা থেকেই শুরু করেছিলেন উৎসব। এছাড়াও বড় বড় শহরগুলোর ছিল নানা আয়োজন। নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে জড়ো হয়েছিল ১০ লাখের বেশি লোক। লন্ডনে বিগ বেনের উল্টো পাশে টেমস নদীর তীরে অবস্থিত ‘লন্ডন আই’-এর সামনে জড়ো হয় হাজারও লোক। সেখানে গান-বাজনার সঙ্গে ক্যাম্প ফায়ারের আয়োজন। আতশবাজি রাঙিয়ে তুলেছিল লন্ডনের আকাশ। বিগ বেনে বারোটার ঘণ্টা বাজতেই শুরু হয়ে যায় উদ্দাম নৃত্য আর হৈ-হুল্লোড়। আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে ক্রিস্টচার্চের সামনে জড়ো হয়েছিলেন আইরিশরা। চার্চের ঘণ্টা বারোটার ঘোষণা দিতেই তারা শুরু করেছিলেন উৎসব। প্যারিসের আইফেল টাওয়ারকে ঘিরে জমেছিল আয়োজন। স্পেনের বড় বড় শহরগুলোর মূল চত্বরে লোকজন জড়ো হয়ে ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে খেয়েছিলেন একটি একটি করে ১২টি আঙুর। এটাই তাদের নববর্ষ উদযাপনের রীতি। ইউরোপের বেশির ভাগই দেশই কামনা করেছে, নতুন বছরে যেন আর অর্থমন্দা না থাকে। যেন সচ্ছলতা ফিরে আসে। জাপানের টোকিওতে ৬০০ বছরের পুরনো বৌদ্ধ মন্দির জোজোজিকে ঘিরে জমেছিল উৎসব। নতুন বছরের প্রত্যাশা সম্বলিত বেলুন উড়িয়ে নতুন বছরটি শুরু করেন টোকিওবাসী। চীনের বেইজিংয়ে বেল মিউজিয়ামে জড়ো হয়েছিলেন হাজারো লোক। ৪৬ টন ওজনের ঘণ্টাটি বাজিয়ে নতুন বছর শুরু করতেই জড়ো হয়েছিলেন তারা। এছাড়াও প্রার্থনার মধ্যদিয়ে নতুন বছরে পদার্পণ করেছেন অনেক জাপানি। ভিয়েতনামে গ্রেগরিয়ান সাল খুব একটা প্রচলিত নয়। সেখানে টেট নামে একটি বর্ষপঞ্জি চালু রয়েছে। তবে যুদ্ধোত্তর তরুণ প্রজন্ম এবার বরণ করেছে নতুন গ্রেগরিবর্ষ বা নব খ্রিস্টবর্ষকে। তাদের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই রাজধানী হ্যানয়ে সরকারিভাবে বর্ষবরণ উৎসব করা হয়।
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








