Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women
সব ক্যাটাগরি

ট্রানজিট সুবিধা:বিনিময়ে ভারতের কাছে কোন দাবি-দাওয়া নেই বাংলাদেশের!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 165 বার

প্রকাশিত: January 26, 2011 | 11:46 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: ট্রানজিট সুবিধা নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ-ভারত।দু’দেশের সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকে পণ্য পরিবহনের কার্যোপযোগী করতে একসঙ্গে কাজ করছে। এ বিষয়ে ভারতের কাছে বাংলাদেশের কোন দাবি-দাওয়া নেই। ওই উদ্যোগ সফল হলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করা যাবে তার কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত করা হয়নি। আশা করা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যেই দুই দেশের সরকার এ বিষয়টি চূড়ান্ত করবে। ২৩শে জানুয়ারি এ খবর দিয়েছে  ডেইলি আসাম ট্রিবিউন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক সূত্র বলেছে, সমপ্রতি ঢাকায় দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিবদের বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনার মূলে থাকলেও এর বাইরে উন্নয়ন ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সূত্র বলেছে, বাংলাদেশ সরকার ভারতকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহনের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়েছে। তবে তার আগে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ শেষ করতে হবে। সূত্র আরও বলছে, এর মধ্যে সবার আগে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। চট্টগ্রাম থেকে ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ সংস্কার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। সীমান্ত থেকে অবাধে পণ্য পরিবহনের জন্য ভারত সরকারকেও সড়কের মান বাড়াতে হবে সীমান্ত পর্যন্ত। তবে আন্তর্জাতিক সীমারেখা পর্যন্ত সড়কের উন্নয়নের জন্য ভারতের কাছে কোন দাবি-দাওয়া দেয়নি বাংলাদেশ। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র বলেছে, চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে পণ্য পরিবহনের জন্য স্থলবন্দরের মান বাড়াতে হবে। এতে নতুন একটি শুল্ক কেন্দ্র বসানোর প্রয়োজন হতে পারে। কারণ চট্টগ্রাম বন্দর একবার খুলে দেয়া হলে যে পরিমাণ পণ্য আসবে এই স্থলবন্দর দিয়ে তা সামাল দিতে পারবে না বিদ্যমান। দুই দেশের মন্ত্রীরা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহনের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের বড় বাধাগুলো অতিক্রমের বিষয়ে সচেতন রয়েছেন। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনে কোন নিরাপত্তা সমস্যা হবে না বলে ভারতকে নিশ্চয়তা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী এলাকার ভিতর দিয়ে পণ্য যাওয়ার সময় তার দেখাশোনা করতে হবে ভারতকে। সূত্র বলেছে, বাংলাদেশের ভূখণ্ড ভারতবিরোধী সংগঠনকে কখনও ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে সামপ্রতিক বৈঠকে বাংলাদেশ আবারও জানিয়েছে। ঢাকা বৈঠকে বিতর্কিত সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এতে দুই দেশই আগেভাগে সমস্যার সমাধানের পন্থা মেনে নিয়েছে। এতে কিছুটা সময় লাগবে। সূত্র বলেছে, যেসব ছিটমহলে জনবসতি রয়েছে তা নিয়ে দুই দেশই রাজনৈতিক পর্যায়ে সমস্যা মিটিয়ে ফেলবে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV