ট্রানজিট সুবিধা:বিনিময়ে ভারতের কাছে কোন দাবি-দাওয়া নেই বাংলাদেশের!
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: ট্রানজিট সুবিধা নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ-ভারত।দু’দেশের সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকে পণ্য পরিবহনের কার্যোপযোগী করতে একসঙ্গে কাজ করছে। এ বিষয়ে ভারতের কাছে বাংলাদেশের কোন দাবি-দাওয়া নেই। ওই উদ্যোগ সফল হলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করা যাবে তার কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত করা হয়নি। আশা করা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যেই দুই দেশের সরকার এ বিষয়টি চূড়ান্ত করবে। ২৩শে জানুয়ারি এ খবর দিয়েছে ডেইলি আসাম ট্রিবিউন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের এক সূত্র বলেছে, সমপ্রতি ঢাকায় দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিবদের বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনার মূলে থাকলেও এর বাইরে উন্নয়ন ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সূত্র বলেছে, বাংলাদেশ সরকার ভারতকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহনের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়েছে। তবে তার আগে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ শেষ করতে হবে। সূত্র আরও বলছে, এর মধ্যে সবার আগে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। চট্টগ্রাম থেকে ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ সংস্কার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। সীমান্ত থেকে অবাধে পণ্য পরিবহনের জন্য ভারত সরকারকেও সড়কের মান বাড়াতে হবে সীমান্ত পর্যন্ত। তবে আন্তর্জাতিক সীমারেখা পর্যন্ত সড়কের উন্নয়নের জন্য ভারতের কাছে কোন দাবি-দাওয়া দেয়নি বাংলাদেশ। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র বলেছে, চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে পণ্য পরিবহনের জন্য স্থলবন্দরের মান বাড়াতে হবে। এতে নতুন একটি শুল্ক কেন্দ্র বসানোর প্রয়োজন হতে পারে। কারণ চট্টগ্রাম বন্দর একবার খুলে দেয়া হলে যে পরিমাণ পণ্য আসবে এই স্থলবন্দর দিয়ে তা সামাল দিতে পারবে না বিদ্যমান। দুই দেশের মন্ত্রীরা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহনের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের বড় বাধাগুলো অতিক্রমের বিষয়ে সচেতন রয়েছেন। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনে কোন নিরাপত্তা সমস্যা হবে না বলে ভারতকে নিশ্চয়তা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী এলাকার ভিতর দিয়ে পণ্য যাওয়ার সময় তার দেখাশোনা করতে হবে ভারতকে। সূত্র বলেছে, বাংলাদেশের ভূখণ্ড ভারতবিরোধী সংগঠনকে কখনও ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে সামপ্রতিক বৈঠকে বাংলাদেশ আবারও জানিয়েছে। ঢাকা বৈঠকে বিতর্কিত সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এতে দুই দেশই আগেভাগে সমস্যার সমাধানের পন্থা মেনে নিয়েছে। এতে কিছুটা সময় লাগবে। সূত্র বলেছে, যেসব ছিটমহলে জনবসতি রয়েছে তা নিয়ে দুই দেশই রাজনৈতিক পর্যায়ে সমস্যা মিটিয়ে ফেলবে।
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








