Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

৫০ বছর পর বাংলাদেশে ৩ ভাগের ২ ভাগ এলাকাতে দেখা দেবে মিঠাপানির ভয়াবহ সংকট

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 53 বার

প্রকাশিত: October 12, 2017 | 6:10 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ৫০ বছর পর বাংলাদেশে ৩ ভাগের ২ ভাগ এলাকাতে দেখা দেবে মিঠাপানির ভয়াবহ সংকট। নদীর গতি-প্রকৃতি হারানোর ফলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা ও খরা। এরই মধ্যে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে পানি ঝুঁকির অন্যতম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৫০ বছর পর দেশের ৭৫ ভাগেই দেখা দেবে মিঠা পানির সংকট। ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করার ফলে মিঠাপানির অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিভিন্ন সংস্থা।
পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ না থাকা, পলি ভরাট আর সাগরের নোনা পানি প্রবেশ করা এই তিন কারণেই বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে অনেক নদী। ফল হিসেবে খরা, বন্যার পাশাপাশি অনেক জেলায় জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তিনটি জেলার বেশিরভাগ এলাকায় দুই যুগ ধরে রয়েছে জলাবদ্ধতা ও নিরাপদ পানি ব্যবহারের ঝুঁকি।
নাও-নদী ও ঢেউ জলে নদীমাতৃক বাংলাদেশ। কিন্তু দিন দিন মরে যাচ্ছে বাংলার নদী আর বাংলাদেশও হারিয়ে ফেলছে তার পরিচয়। শুষ্ক মৌসুমে ভুগছে খরায়, তেমনি নাব্যতা হারিয়ে নদীর পানি উপচিয়ে হচ্ছে বন্যা। আবার কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। যশোর, সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলে বছরের ৮-৯ মাসই থাকে পানির নিচে। নাব্য হারানোয় নদীর পানি প্রবাহিত হতে না পারায় আশেপাশে এলাকায় প্লাবিত হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ওই অঞ্চলে ৩৫ লাখ মানুষ ভাগ্যও ২০ বছর ধরে পানি বন্দি।
সাগরের তীরবর্তী অঞ্চলে ঢুকছে নোনা পানি। হারাচ্ছে মিঠা পানির প্রাপ্যতা। নদী-খাল-বিলে যখন ব্যবহার উপযোগী পানি নেই তখন বাধ্য হয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানি।
জাতিসংঘের পানি বিষয়ক সংস্থা হিসাব বলছে, বিশ্বে সর্বোচ্চ পানি ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোর তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে বাংলাদেশের নাম। ভূগর্ভস্থ পানি মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারি মূল কারণ। দেশে মোট পানির ৯০ শতাংশই মেটানো হয় ভূগর্ভস্থ পানি থেকে। সরকারি সংস্থার আশঙ্কা, ৫০ বছর পর বাংলাদেশে ৩ ভাগের ২ ভাগ এলাকাতে দেখা দেবে মিঠাপানির ভয়াবহ সংকট।
আরডব্লিউএন এর নির্বাহী পরিচালক ড. এম. মনোয়ার হোসেন বলেন, জাতিসংঘের রিপোর্ট যদি সত্য হয় তাহলে আরও লবণাক্ত পানি আসতে পারে। বলা যায় না ভবিষ্যতে কি অবস্থা হবে। সূত্র : চ্যানেল টুয়েন্টি ফোর টিভি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ