Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

মৃত্যুর পর কী সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টটি থাকবে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 14 বার

প্রকাশিত: October 13, 2017 | 3:52 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : মৃত্যুর পর কী সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টটি থাকবে? ভিন্ন ভিন্ন সোশাল মিডিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রশ্নের উত্তরটিও ভিন্ন হতে বাধ্য। কারণ ভিন্ন ভিন্ন সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নীতিও ভিন্ন।
১. ফেসবুক : ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার মৃত্যুর পর আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেবে অথবা চালু রাখবে। আপনি যদি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি আপনার মৃত্যুর পরও স্মৃতি হিসেবে চালু রাখতে চান তাহলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার প্রোফাইল নামের পাশে ‘Remembering’ অর্থাৎ স্মরণে এই শব্দটি দেখাবে। তবে আপনার মৃত্যুর পরে আপনার অ্যাকাউন্টটি কে চালাবে সে ব্যাপারে আপনাকে একটি আইনি চুক্তি বা উইল এর কপি ফেসবুককে পাঠাতে হবে। এতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক এবং তার নাম জানাতে হবে। মৃত্যুর পর ডেথ সার্টিফিকেট দেখিয়ে ওই ব্যক্তি আপনার অ্যাকাউন্টটি নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে পারবে।
২. ইউটিউব : যারা ইউটিউবে চ্যানেল খুলে মিলিয়ন ডলার আয় করছেন তাদের জন্য খুবই উপকারী হয়েছে ব্যাপারটি। ইউটিউবও তাদের ইউজারদেরকে মৃত্যুর পর নিজেদের অ্যাকাউন্টের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ দিয়ে রেখেছে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো আপনার মৃত্যুর পর আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি কে চালাবে সে-সংক্রান্ত একটি আইনি দলিল বা ডকুমেন্ট পাঠাতে হবে ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছে। আপনি যদি তা না চান তাহলে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ নিজেরাই আপনার চ্যানেলটি বন্ধ করে দেবে। কোনো ইউটিউব চ্যানেলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কোনো তৎপরতা না চালানো হলে সেটি আপনাতেই বন্ধ করে দেয় ইউটিউব কর্তৃপক্ষ।
৩. ইনস্টাগ্রাম : ইনস্টাগ্রামের নীতিও এর জন্মদাতা কম্পানি ফেসবুকের মতোই। ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্টও মৃত্যুর পর চাইলে বন্ধ করে দেওয়া যায় বা স্মৃতি হিসেবে চালু রাখা যায়। তবে এই সিদ্ধান্ত আপনার হাতে নেই। আপনার মৃত্যুর পর যে ব্যক্তি আপনার ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যু সনদ ইনস্ট্রাগ্রামকে দেখাতে পারবে সে ব্যক্তিই আপনার অ্যাকাউন্টটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারবে। তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন আপনার ইনস্ট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি চালু থাকবে না বন্ধ করে দেওয়া হবে।
৪. টুইটার : মৃত্যুর পর আপনার টুইটার অ্যাকাউন্টের কী হবে সে ব্যাপারে টুইটারের আলাদা কোনো নীতি নেই। তবে টুইটারের নীতি অনুযায়ী আপনার মৃত্যুর পর আপনার পরিবারের কেউ চাইলে আপনার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে তিনি যে আপনার পরিবারের সদস্য সে প্রমাণ দিতে হবে। প্রমাণ দিতে পারলে তার অনুরোধে টুইটার আপনার পোস্ট, ছবি এবং অ্যাকাউন্ট অপসারণ করবে। আর এ জন্য অবশ্যই আপনার ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যুর প্রমাণপত্রও টুইটার কর্তৃপক্ষকে দেখাতে হবে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ