Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

ব্রঙ্কসের পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নির্বাচন রোববার, নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি : মোস্তাক-খলিল এবং নাজিম-নজরুল পরিষদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এক প্যানেল থেকে সভাপতি অন্য প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের আভাস!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 197 বার

প্রকাশিত: November 11, 2017 | 10:52 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের প্রাচীনতম মসজিদ পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ইনক্ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টারের নির্বাচন আগামী ১২ নভেম্বর রোববার। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এবারই প্রথম পার্কচেষ্টার মসজিদে সরাসরি পদভিত্তিক নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনে ১৫টি পদে ‘এ’ ও ‘বি’ ২টি প্যানেলে ৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোস্তাক-খলিল ‘এ’ প্যানেলের নেতৃত্বে এবং নাজিম-নজরুল ‘বি’ প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন। তবে দু’প্যানেলের নেতৃত্বে নতুনত্ব নেই কিছু। বেশিরভাগ প্রার্থীই বিভিন্ন সময়ে ঘুরেফিরে মসজিদের দায়িত্বে ছিলেন। এবারের নির্বাচনে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে বলে নির্বচনী বোদ্ধাদের ধারণা। তাদের মতে, পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ী হবার সম্ভানাও ক্ষীণ। এক প্যানেল থেকে সভাপতি এবং অন্য প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের আভাস দিয়েছেন তারা। এবারের নির্বাচন প্যানেল ভিত্তিক হলেও ভোটাররা প্রার্থীর ব্যক্তি ইমেজ, চারিত্রিক বৈশিষ্টাবলী, বন্ধুত্ব ও আত্মীয়তার নিরীখেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৮৭২ জন। এদের মধ্যে লাইফ মেম্বার ৪২৩ এবং সাধারণ ভোটার ৪৪৯ জন। নির্বাচনে ভোট দিতে মসজিদের আজীবন সদস্য, ভোটাররা অন্য ও স্টেট থেকেও আসবেন বলে জানা গেছে। অনেকের মতে, পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নির্বাচন কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নির্বাচনকেও হার মানিয়েছে। একদিকে নির্বাচনে জেতার প্রতিশ্রুতির ছড়াছড়ি অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চরম কাদা ছোড়া-ছুড়ি। ব্যক্তিগত চরিত্র হননেও এবার অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে প্রতিপক্ষরা। পাল্টাপাল্টি সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে চোর বলতেও দ্বিধা করছেনা। সাধারণ মুসল্লীদের অভিযোগ, নির্বাচনকে ঘিরে মসজিদের পবিত্রতা হুমকির মুখে।
‘এ’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী মোশতাক চৌধুরী গত দু’বছর দায়িত্ব পালন করে আসছেন সাধারণ সম্পাদকের। ‘বি’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম সভাপতি হিসেবে গত দু’বছরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।
দু’প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন :মোস্তাক-খলিল প্যানেল : সভাপতি মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি (১) আঃ শহীদ, সহ সভাপতি (২) জয়নাল আহমেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক আম্বিয়া মিয়া, কালচারাল সেক্রেটারী হিফজুর রহমান চৌধুরী, ফিউনারেল সেক্রেটারী মোঃ নুরুল আহিয়া, মেইনটেনেন্স সেক্রেটারী মোঃ ফটিক মিয়া, এডুকেশন সেক্রেটারী ইসলাম উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মাজলুল আহমেদ, সহ কোষাধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম, সদস্য : আঃ বাছির খান, আঃ মতিন, লুকমান হোসেন লুকু ও মো. মজনু মিয়া।নাজিম-নজরুল প্যানেল : সভাপতি সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম, সহ সভাপতি (১) সৈয়দ শামসুজ্জামান আহমেদ, সহ সভাপতি (২) ফয়জুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল হক, সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আকসাদ আলী, কালচারাল সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল হাই, ফিউনারেল সেক্রেটারী মোঃ আরিফ চৌধুরী, মেইনটেনেন্স সেক্রেটারী মোঃ রেজাউল ইসলাম, এডুকেশন সেক্রেটারী সাব্বির কাজী আহমদ, কোষাধ্যক্ষ নুরুল হুদা চৌধুরী, সহ কোষাধ্যক্ষ জুলু আহমেদ, সদস্য: আলমাছ আলী, ফারুক চৌধুরী, কামাল উদ্দিন ও শালিক সিকদার।

পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের প্রতিদ্বন্দ্বি দু’প্যানেলের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন
আর্থিক অসততার অভিযোগে বহিষ্কৃতরা আবারো নেতৃত্বে আসলে মসজিদের ভবিষ্যত বিপন্ন হতে পারে : মোস্তাক-খলিল
সাধারণ সম্পাদক মোশতাক চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ আম্বিয়া মিয়ার দুরভিসন্ধির কারণে ৩ বছর ট্যাক্স ফাইল হয় নাই : নাজিম-নজরুল
পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি দু’প্যানেলের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী মাঠ উত্তপ্ত হয়ে ওঠেছে।
নির্বাচনে ‘ধর্মপ্রাণ ও সচেতন মুসল্লিবৃন্দের সমর্থিত’ মোস্তাক-খলিলের নের্তৃত্বাধীন গ্রুপ ‘এ’র সংবাদ সম্মেলন থেকে আর্থিক অসততার অভিযোগে মসজিদ থেকে বহিষ্কৃতরা আবারো মসজিদের নেতৃত্বে আসলে মসজিদের ভবিষ্যত মারাত্মকভাবে বিপন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘মুসল্লীদের পরিষদ’ নাজিম-নজরুল নের্তৃত্বাধীন গ্রুপ ‘বি ও নীল দল’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক মোশতাক চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ আম্বিয়া মিয়ার দুরভিসন্ধির কারণে ৩ বছর ট্যাক্স ফাইল হয় নাই। তারা নির্বাচিত হলে হিসাবসহ মসজিদের বিভিন্ন কার্যক্রম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

আর্থিক অসততার অভিযোগে মসজিদ থেকে বহিষ্কৃতরা আবারো নেতৃত্বে আসলে মসজিদের ভবিষ্যত মারাত্মকভাবে বিপন্ন হতে পারে : সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাক-খলিলপার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ইনক্ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টারের আসন্ন নির্বাচনে আর্থিক অসততার অভিযোগে মসজিদ থেকে বহিষ্কৃতরা আবারো মসজিদের নেতৃত্বে আসলে মসজিদের ভবিষ্যত মারাত্মকভাবে বিপন্ন হতে পারে। পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নির্বাচনে ‘ধর্মপ্রাণ ও সচেতন মুসল্লিবৃন্দের সমর্থিত’ মোস্তাক-খলিলের নের্তৃত্বাধীন গ্রুপ ‘এ’র পক্ষে আহুত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়। গত ৭ নভেম্ববর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পার্কচেষ্টারের বাংলা গার্ডেনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ নির্বাচন ২০১৮-২০১৯ এর
মোস্তাক-খলিল নেতৃত্বাধীন গ্রুপ ‘এ’ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আবদুল হাসিম হাসনু। কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আহবাব চৌধুরী খোকনের পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জাবাব দেন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সফিক উদ্দিন, সভাপতি প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি (১) প্রার্থী আঃ শহীদ, সহ সভাপতি (২) প্রার্থী জয়নাল আহমেদ চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আম্বিয়া মিয়া, মেইনটেনেন্স সেক্রেটারী প্রার্থী মোঃ ফটিক মিয়া প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আগামী ১২ই নভেম্বর রোববার অনুষ্ঠিতব্য পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতাকারী মোস্তাক-খলিল নেতৃত্বাধীন গ্রুপ ‘এ’-র সমর্থনে আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আগামী ১২ই নভেম্বর রোববার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে দু’টি গ্রুপ পরষ্পরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি গ্রুপ হচ্ছে- মোস্তাক-খলিল নেতৃত্বাধীন গ্রুপ ‘এ’ এবং অপরটি হচ্ছে- নাজিম-নজরুল নেতৃত্বাধীন ‘বি’ গ্রুপ। পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের মুসল্লিদের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় আমরা সৎ যোগ্য এবং পরিশ্রমী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত মোস্তাক-খলিল নেতৃত্বাধীন ‘এ’ গ্রুপকে সমর্থন দিয়েছি। এ গ্রুপকে বিজয়ী করে মসজিদ ও মুসল্লিদের বৃহত্তর স্বার্থ নিশ্চিত করতে আপনাদের সুচিন্তিত লেখনি ও ন্যায়সঙ্গত সমর্থন প্রত্যাশা করি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিগত ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নজরুল হক পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক ও সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। সেই সময়ে মসজিদের হিসাব নিকাশ নিয়ে প্রচুর ঘাপলা ধরা পড়লে ২০১০ সালে মসজিদের তৎকালীন নির্বাচিত কমিটি নজরুল ও নাজিমকে মসজিদ থেকে চার বছরের জন্য বহিষ্কার করেছিলো। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, যে নাজিমকে অর্থনৈতিক অসততার অভিযোগে একসময় মসজিদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো সেই নাজিম ছয় বছর পর অর্থাৎ ২০১৫ সালে মসজিদের সভাপতি হয়ে আবারো আর্থিক অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকান্ড শুরু করলে মসজিদের বর্তমান কমিটি কর্তৃক ব্যাংক একাউন্টে জমাকৃত অর্থ নিরাপদে রাখার জন্য কোষাধ্যক্ষ ও সাধারণ সম্পাদক ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা থেকে তার নাম বাদ দিতে বাধ্য হন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের বহিষ্কৃত কোষাধ্যক্ষ নাজিম এবারের নির্বাচনে বিতর্কিত নজরুল হককে সাথে নিয়ে নাজিম-নজরুল গ্রুপ করায় আমরা সাধারণ মুসল্লিরা মসজিদের ভবিষ্যত নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন এবং আতঙ্কিত। যে ব্যক্তিদেরকে আর্থিক অসততার অভিযোগে মসজিদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিলো তারা আবারো কেন, কাদের স্বার্থে একজোট হয়ে মসজিদের নেতৃত্বে আসতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন? তাদের কি এমন স্বার্থ?
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মসজিদের কার্যকরি পরিষদে তারা আবারো নির্বাচিত হলে এই মসজিদের ভবিষ্যত মারাত্মকভাবে বিপন্ন হতে পারে বলে আমরা মনে করি। তাই মসজিদের বৃহত্তর স্বার্থে অসৎ নেতৃত্বকে পরিহার করে সৎ, যোগ্য, বিচক্ষণ ও দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত গ্রুপ ‘এ’-তে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য মসজিদের সকল আজীবন ও সাধারণ সদস্য এবং সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আমাদের সমর্থিত ‘এ’ গ্রুপের সকল প্রার্থী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই মসজিদের সাথে জড়িত এবং নিঃস্বার্থভাবে মসজিদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সভাপতি প্রার্থী মোস্তাক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অধ্যাপক খলিলুর রহমান দুইজনই উচ্চশিক্ষিত এবং পরিশ্রমী ব্যক্তি। তাঁরা দু’জনই দীর্ঘদিন যাবৎ মসজিদের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অনৈতিক অসততার কোন অভিযোগ আজ পর্যন্ত কেউ উত্থাপন করতে পারেননি। তাছাড়া সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুস শহিদ, জয়নাল চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আম্বিয়া মিয়া কোষাধ্যক্ষ প্রার্থী মাজলুল আহমদ কামরানসহ সকলেই সৎ ও যোগ্য প্রার্থী।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, মসজিদের জন্য সৎ এবং ঈমানদার নেতৃত্ব নির্বাচন করা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। তাই মসজিদের স্বার্থে আমরা সকল সম্মানিত ভোটারবৃন্দকে সেই ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে গ্রুপ ‘এ’ তে ভোট দেওয়ার আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

সাধারণ সম্পাদক মোশতাক চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ আম্বিয়া মিয়ার দুরভিসন্ধির কারণে ৩ বছর ট্যাক্স ফাইল হয় নাই : সংবাদ সম্মেলনে নাজিম-নজরুল পরিষদপার্কচেষ্টার জামে মসজিদের আসন্ন নির্বাচনে নাজিম-নজরুল পরিষদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছে, তারা নির্বাচিত হলে মসজিদ পরিচালনায় মুসল্লীদেরই প্রাধান্য দেয়া হবে। অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্টেট ও সিটি অনুমোদিত স্কুল চালু করার উদ্যোগ নেয়া হবে। সাধারণ সম্পাদক মোশতাক চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ আম্বিয়া মিয়ার দুরভিসন্ধির কারণে ৩ বছর ট্যাক্স ফাইল হয় নাই উল্লেখ করে তারা নির্বাচিত হলে হিসাবসহ মসজিদের বিভিন্ন কার্যক্রম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
গত ৮ নভেম্ববর বুধবার সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের ১৫১৪ ক্যাসেলহিলের মার্কস হোম কেয়ার অফিসে পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ইনক্ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টারের আসন্ন নির্বাচনে ‘মুসল্লীদের পরিষদ’ নাজিম-নজরুল নের্তৃত্বাধীন গ্রুপ ‘বি ও নীল দল’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ নির্বাচন ২০১৮-২০১৯ এর
নাজিম-নজরুল নের্তৃত্বাধীন গ্রুপ ‘বি ও নীল দল’র সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোঃ নজরুল হক। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জাবাব দেন, নাজিম-নজরুল পরিষদের সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ আল ওয়াহিদ নাজিম, সহ সভাপতি (২) প্রার্থী ফয়জুর রহমান চৌধুরী, এডুকেশন সেক্রেটারী প্রার্থী সাব্বির কাজী আহমদ, কার্যকরী সদস্য প্রার্থী আলমাছ আলী, শালিক সিকদার প্রমূখ। এসময় প্যানেলের কালচারাল সেক্রেটারী প্রার্থী মোঃ আব্দুল হাই, মেইনটেনেন্স সেক্রেটারী প্রার্থী মোঃ রেজাউল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ প্রার্থী নুরুল হুদা চৌধুরী, সদস্য প্রার্থী কামাল উদ্দিনসহ অন্যান্য প্রার্থী, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও তাদের বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সাধারণ সম্পাদক মোশতাক চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ আম্বিয়া মিয়ার দুরভিসন্ধির কারণে ৩ বছর ট্যাক্স ফাইল হয় নাই। মসজিদের ২০১৭ সালের আপ টু ডেট হিসাব নিয়েও রয়েছে অনেক প্রশ্ন। নাজিম-নজরুল পরিষদ বিজয়ী হলে অতিসত্ত্বর ৪ বছরের হিসাব সাধারণ সভায় উত্থাপন করবে। অনতিবিলম্বে উদ্যোগ নিবে ইসলামী স্কুল প্রতিষ্ঠার। মসজিদকে পবিত্রতম স্থান হিসাবে সুরক্ষার ব্যবস্থাও নিবে তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিগত নির্বাচনে নাজিম প্যানেল ১৩ টি পদে জয়ী হয়ে কমিটি গঠন করে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সভাপতি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেছিলেন। তিনি সভাপতির দায়িত্ব না পাওয়ায় বর্তমান সভাপতির ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে কোষাধ্যক্ষকে সাথে নিয়ে অসহযোগিতার খেলায় মেতে ওঠেন। কারণে-অকারণে অন্যান্য সদস্যদের হুমকি-ধামকি দিয়ে এযাবত সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন। তিনি শুধু মারামারি করানো বাকি রেখেছেন। বাকিরা অন্যায় সহ্য করে কিংবা অনীহা সত্বেও অনিয়মে সায় দিয়ে এখন পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন। সাধারণ সম্পাদক এখন তার ইস্পিত সভাপতি পদপ্রার্থী। আসলে মসজিদের খেদমত নয় নেতৃত্বই তাদের মূল লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৫শে আগষ্ট ছিল চেকের মাধ্যমে সদস্য হওয়ার শেষ দিন। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ কি করে বিতর্কিত একটি কর্পোরেশনের এক চেকে প্রায় ৯ হাজার ডলারের ভোটার বানান। প্রতিপক্ষ সদস্য হওয়ার শেষ দিন রাত ১২ টার পর গোপনে বিনা ডলারে ৭৬ টি ভোটার বানাতে চেয়েছিলেন। সহ সভাপতি নূরুল হুদা চৌধুরী, আলমাস আলী, ফারুক চৌধুরীসহ অন্যান্যরা সেখানে থাকাতে তাদের অপচেষ্টা নস্যাৎ হয়। সাধারণ সম্পাদক ২০১৫ এর লাইফ মেম্বারদের নাম হালনাগাদ করতে গিয়ে অনেককে লিস্ট থেকে বাদ দিয়েছেন। কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ নিতান্ত ভদ্রলোক বলে মারামারি এড়াতে নির্বাচনে এসেছেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সাধারণ সম্পাদক মোশতাক চৌধুরী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া মসজিদে বেতনধারী নিয়োগ করেন এবং ২০১৬ সালে ১০৫ হাজার ডলার বেতন প্রদান করেন। ট্যাক্স ফাইলের সময় হিসাব মিলাতে না পেরে নুতন অভিবাসীদের ১০৯৯ ইস্যু করে হিসাব মিলানোর প্রস্তাব দেন। মসজিদের বৃহত্তর স্বার্থে সভাপতি রাজী হলে মশতাক চৌধুরী নিজেই কয়েকজনের ইন্টারভিউ নেন। কিন্তু দেশ থেকে ফিরে এসে তিনি নুতন খেলা শুরু করেন বাইরের পরামর্শে। সভাপতি হাজার হাজার ডলার ব্যাবসা করলে মোশতাক-আম্বিয়া গোষ্ঠি কত আয় করেছেন?
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ২ জুন প্রকাশিত একটি পত্রিকার বিজ্ঞাপনের জবাবে ৯ জুন কমিটিকে না জানিয়ে মোশতাক-আম্বিয়া আরেকটি বিজ্ঞাপনে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, সার্টিফাইড একাউন্টেন্ট দিয়ে অডিট করাবেন। কোথায় সেই অডিট? ২০১৬ এর হিসাব সহ সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী করে দেওয়াতে ধরা পড়েছিল ২২০০ ডলারের কারচুপি ও ৮০ ডলারের নগদ চুরি। এ কারণেই নাকি নুরুল হুদা চৌধুরীর কাছ থেকে হিসাবের কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হয় এবং সভাপতিকে একাঊন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, খলিলুর রহমান ২ বার সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন কোন হিসাব বা অডিট রিপোর্ট প্রদান করেননি। খলিলুর রহমান অতীতে সাধারণ সম্পাদক ও রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসাবে মসজিদের জন্য বাড়ি কিনতে গিয়ে নিজের নামে কিনেছিলেন। সম্প্রতি আরেকটি বাড়ি কেনাও তার লোভের কারণে ভেস্তে যায়।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, মসজিদ পরিচালনায় খলিল-আম্বিয়াদের ব্যর্থতার কারণে ২০১৪ সালে মসজিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মোশতাক চৌধুরীর অযোগ্যাতায় এখন তা জাজমেন্টের পথে। নাজিম এখন মসজিদের স্বার্থে লড়ছেন। মোশতাক-খলিল-আম্বিয়া একজোট হয়েছেন তাদের গোপন অনিয়ম গোপন রাখতে। তারা সংবিধান লংঘন করে বায়বীয় জুজুর ভয় দেখিয়ে সভাপতিকে ব্যাংক একাউন্ট থেকে সরিয়েছেন। কার্যকরী কমিটি ও ট্রাস্টি বোর্ডের যৌথ সভায় তারা অন্যায় স্বীকার করেও এখনও সভাপতির নাম পুন:স্থাপন করেননি।
বক্তব্যে বলা হয়, নির্বাচনী মাঠে Interfaith শব্দের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে নাজিম-নজরুল পরিষদকে হেয় করার চেস্টা করা হচ্ছে। মসজিদে নয়, ইসলামিক সেন্টারে আহলে কিতাবীদের দাওয়াত দিয়ে ইসলামের সৌন্দর্য্য বুঝার ব্যবস্থা করা হবে। নানা কারণে ইসলাম নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে। মসজিদে কি ধরণের কর্মকান্ড হয় তা নিয়েও অন্য ধর্মাবলম্বীদের সংশয় রয়েছে। সব বিভ্রান্তি দূর করে ইসলামের সৌন্দর্য্য সবার কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়া হবে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রতি কমিটির ২টি করে সাধারণ সভা করার কথা। ২০১৬ এর সাধারণ সভায় ২০১৬ এর হিসাব উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ২০১৪-২০১৫ এর হিসাব উত্থাপিত হয়নি। সভাপতি, সহ সভাপতিসহ অনেকে চেস্টা করেছিলেন কিন্তু ২০১৪-১৫ এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের সাথে মিলিত বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি প্রার্থী সেদিন তা করতে দেন নি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারা যদি সত্যই মসজিদের খেদমতকারী দাবী করেন, তাহলে কেন পানি ঘোলা না করে আমাদের সাথে খোলা বিতর্কের আহবানে সাড়া দিলেন না? সংবাদ সম্মেলনে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে সৎ সাহস থাকলে খোলা বিতর্কে অংশ নিন বলেও মন্তব্য করা হয়। বলা হয়, তাদের ইশতেহারের সাথে কাজের কোন মিল নেই এবং নাজিম-নজরুল পরিষদের বিভিন্ন প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দুরের কথা, আবার অলীক ইশতেহার প্রকাশ করেছেন তারা।

পার্কচেষ্টার জামে মসজিদের নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি
পার্কচেষ্টার জামে মসজিদ ইনক্ অ্যান্ড ইসলামিক সেন্টারের আগামী ১২ নভেম্বর রোববার অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে মসজিদের নির্বাচন কমিশন তাদের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগ ইউএসএনিউজঅনলাইন.কমকে জানিয়েছেন, আগামী ১২ নভেম্বর রোববার মসজিদ ভবনে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট চলাকালে জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের জন্য ১৫ মিনিট করে বিরতি থাকবে। তিনি জানান, তিনটি ‘টাচস্ত্রীন’ বুথে ভোট গ্রহণ করা হবে। একজন প্রকৌশলীসহ ৬ জন অপারেটর নির্বাচনী মেশিন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন ৫ জন সিকিউরিটি অফিসার। নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা ছাড়াও এক জন প্রিসাইডিং অফিসার ও ৬ জন পুলিং অফিসার নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত থাকবেন। পুলিং অফিসারদের মধ্যে দু’জন মহিলাও রয়েছেন। সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগ আরো জানান, নির্বাচন কমিশনার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিং অফিসারগণ বিনা সম্মানীতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৮৭২ জন। এদের মধ্যে লাইফ মেম্বার ৪২৩ জন এবং সাধারণ ভোটার ৪৪৯ জন। গত ৫ অক্টোবর ছিল ভোটার তালিকা রিভিউয়ের সর্বশেষ সময়। সবার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে মোট ৮টি ভোট তালিকায় সংযোজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি আজীবন সদস্য ও ২টি সাধারণ সদস্যের ভোট।
নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগ ইউএসএনিউজঅনলাইন.কমকে আরো জানান, ভোট প্রদানকালে নির্বাচন কমিশনকে ভোটারদের বৈধ ফটো আইডি প্রদর্শণ করতে হবে। ভোট কেন্দ্রের ১০০ গজের মধ্যে পোস্টার কিংবা প্রচারণা চালানো যাবে না। কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচন কমিশন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শরনাপন্ন হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত কোন অভিযোগ থাকলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে যথাসময়ে প্রয়োজনী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও ভোটারদের মসজিদের নির্বাচনী আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করার বিনীত আহ্বান জানিয়ে এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা হলেন : প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাইয়্যিদ মুজিবুর রহমান, নির্বাচন কমিশনার ও সদস্য সচিব সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগ, নির্বাচন কমিশনার ইফতেখার সিরাজ, শামিম মিয়া ও মোহাম্মদ আজিজুল করিম।
উল্লেখ্য, পার্কচেস্টার জামে মসজিদের ইতিহাসে এবারই প্রথম বারের মত পদ ভিত্তিক সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগে প্রথমে নির্বাচিত হতেন ১৫ জন। এরপর তারা নিজেদের মধ্যে গোপন ব্যালটে নির্বাচিত করতেন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যদের। তাই সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সংবিধান সংশোধন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবারই প্রথম সরাসরি পদভিত্তিক নির্বাচন।

 

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ