২১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে নিউইয়র্কে ১৪ বাংলাদেশী গ্রেফতার
এনা : জাল ক্রেডিট কার্ড তৈরী, ব্যাংকের চেক তৈরী এবং ভূয়া নাম-ঠিকানার কল্পিত লোকের নামে বাড়ি ক্রয়ের ঋণ মঞ্জুর করার মাধ্যমে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার তথা ২১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার চাঞ্চল্যকর মামলায় নিউইয়র্কের ১৪ বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ম্যানহাটান ইউএস এটর্নী এবং এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা যৌথভাবে ১১ ফেব্রুয়ারী সংঘবদ্ধ এ প্রতারক চক্রের গ্রেফতারের তথ্য প্রকাশ করেন। এদের সকলকেই গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন স্থান থেকে। গ্রেফতারকৃত এজাজ কবীর চৌধুরী মিঠুকে গ্রেফতার করা হয় জেএফকে এয়ারপোর্ট থেকে। সে সময় তিনি ঢাকা থেকে ফিরছিলেন। তার বাড়ি ফরিদপুরে। এফবিআইয়ের সহকারী পরিচালক জেনিস কে ফেডারেসিক এবং সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট ইউএস এটর্নী প্রীত ভেরারা কর্তৃক বার্তা সংস্থা এনাকে জানানো হয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত ১১ বছরে উপরোক্ত প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটান এবং কুইন্সে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন জ্যামাইকার এজাজ কবীর চৌধুরী মিঠু, জিয়া আলম জিয়া, ফ্লাশিংয়ের রাশেদ আহমেদ শাহেদ, ফিরোজ মিলন ফিরোজ, ব্রুকলীনের মো: আলতাফ ওরফে সবুজ, জ্যাকসন হাইটস এলাকার মো: জেড আলম, শাহজাহান কাবাল বাবু, মোহাম্মদ মারুফ মিয়া (ড. মিয়া হিসেবে সমধিক পরিচিত), ব্রুকলীনের শামসুল আরেফিন আলম, জ্যাকসন হাইটসের মঞ্জুর আলম মিলন (নোয়াখালীর চাটখিলের সুলীনের ছোট ভাই, এই সুলীনও বহু অর্থ নিয়ে ঢাকায় পাত্তাড়ি গুটিয়েছেন এবং তাকে খুঁজছে তদন্ত কর্মকর্তারা), ক্যানেল স্ট্রীটে পারফিউম ভূইয়া হিসেবে খ্যাত মোহাম্মদ কাওসার, ব্রুকলীনের মাজহারুল করিম মামুন, ব্রঙ্কসের এ জেড এম সারোয়ার শাহীন এবং জ্যামাইকার মতিয়র রহমান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, এর আগে আরো দু-দফায় ২৬ বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, রিয়েল এস্টেট প্রতারণা এবং ব্যাংকের সাথে প্রতারণার দায়ে। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা হয়েছে। এবার একত্রে ১৪ বাংলাদেশীকে গ্রেফতারের সংবাদ মূলধারায় প্রচারিত হওয়ায় বিশ্বের রাজধানী হিসেবে খ্যাত নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত বাংলাদেশীদের ইমেজ আরেকবার কালিমালিপ্ত হলো। গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত এহেন অপকর্মে লিপ্ত থাকার বিষয়টি কম্যুনিটির অনেকে জানতেন। এতদসত্বেও অভিযুক্তরা নিজেদেও এহেন অপকর্ম থেকে নিবৃত্ত করেননি। অধিকন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেন বলে জানা গেছে। কেউ কেউ মিডিয়ার সাথে, আবার কেউ সমাজসেবামূলক সংগঠনে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন। এফবিআই জানিয়েছে, এ ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। আরো অনেকে নজরদারিতে রয়েছে বলে অপর একটি সূত্রে বার্তা সংস্থা এনা জানতে পেরেছে। এনা আরো জানতে পেরেছে, এ চক্রের কয়েক সদস্য ইতিমধ্যেই নিউইয়র্ক থেকে পালিয়েছে। কেউ ঢাকায়, আবার কেউ অন্য স্টেটে আত্মগোপন করেছেন। এদের অন্তত: দু’জন ঢাকায় গিয়ে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করেছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৪ জনের জামিন হয়েছে মোটা অংকের বন্ডে। মামলা চলবে ইউএস ফেডারেল কোর্টে জজ কিম্বা এম উডের এজলাসে। আরো জানা গেছে, বাংলাদেশে পালিয়েও সংশ্লিষ্টরা রক্ষা পাবে না। সেখান থেকেই ধরে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান
- সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের