বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কাল,দেখবে দুইকোটি দর্শক: জানবে বাংলাদেশকে

পুরোপুরি প্রস্তুত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। কাল এখানেই অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী।ইউএসএ নিউজ : বছর, মাস পেছনে ফেলে সামনে এখন একটি মাত্র দিন আর কয়েক ঘণ্টা। ঘড়ির কাঁটা ঘুরেও যেন ঘুরছে না। কখন আসবে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিট_ অপেক্ষার পালা শেষে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ! বাজবে বিশ্বকাপের ঘণ্টা। মাঠ ও মাঠের বাইরে কেমন করবে বাংলাদেশ তা দেখতে প্রস্তুত ক্রিকেটবিশ্ব। চোখ ধাঁধানো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে প্রস্তুত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী দিন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রায় ১শ ৩৫ মিনিটের বর্ণাঢ্য ও জমকালো অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।এই অনুষ্ঠান সারাবিশ্বে আনুমানিক দুইকোটি দর্শক উপভোগ করবে। তারা জানবে বাংলাদেশের ইতিহাস। বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তবে এর আগে ৫০ মিনিটের প্রি-শো রয়েছে। এ পর্ব শুরু হবে বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে। আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারি এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ৫১ বছর বয়সী কানাডার রক শিল্পী ব্রায়ান অ্যাডামস ও ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সনু নিগম, বিশ্বকাপ থিম সংয়ের গায়ক শংকর মহাদেবান, এহসান ও লয় ঢাকা আসছেন আজ বুধবার। অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত মহড়ায় তারা অংশ নেবেন। উইজ ক্রাফট এবং বাংলাদেশের এশিয়াটিক ইভেন্টের পরিকল্পনায় এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে। মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরুর আগে ৫০ মিনিটের প্রি-শোতে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকার ৪ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী কণ্ঠশিল্পী। এ পর্ব শুরু হবে বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আমন্ত্রিত অতিথিবর্গ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রবেশের পর ৫টা ৫০ মিনিটে শুরু হবে মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। পুরো অনুষ্ঠানকে মোট ৫টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। এরপরই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সুসজ্জিত ও হাইড্রলিক পদ্ধতির মধ্যমঞ্চে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের স্বাগত সঙ্গীতের গায়ক ইবরার টিপু স্বাগত সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। জুলফিকার রাসেল রচিত ও পৃথিবী এবার এসে.. বাংলাদেশ নাও চিনে, ও পৃথিবী… তোমায় স্বাগত জানাই এই দিনে.. গানটি গাইবেন ইবরার টিপু, বালাম, মিলা, কনা ও এলিটা। এলিটা গাইবেন ইংরেজি অংশ। গানটিতে বাঁশি, বেহালা, তবলা, ঢোল, সানাইসহ ১৮টি অ্যাকুস্টিক বাজিয়েছেন ৪০ জন যন্ত্রশিল্পী। স্বাগত সঙ্গীতের পর মাঠে প্রবেশ করবে বিশ্বকাপের মাসকাট। এর পেছনে বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত লীড নামক রিকশায় চড়ে ১৪টি দেশের অধিনায়কের নেতৃত্বে ক্রিকেট দলের প্রতিনিধিরা মার্চপাস্টে অংশ নেবেন। এরপর বিসিবি সভাপতি ও অর্থ সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল এমপি, আইসিসি সভাপতি শারদ পাওয়ার স্বাগত ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তৃতা শেষে ভিভিআইপিতে স্থাপিত অত্যাধুনিক ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিশ্বকাপ-২০১১-এর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এ সময় স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশের শিল্প ব্যাংক ভবনের টানানো বিশাল পর্দায় বিশ্বকাপের প্রতিকৃতি ভেসে উঠবে। একই সঙ্গে শান্তির কপোতের দল ডানামেলে আকাশে উড়ে যাবে এবং আতশবাজির রঙিন খেলা আকাশে ছড়িয়ে পড়বে। এরপর ভারতের সেলিব্রেটি ইভেন্ট সিম্পোনি অব কালারস এবং শ্রীলংকার সেলিব্রেটি ইভেন্ট দি পার্ল অব ইন্ডিয়ান ওশান পরিবেশিত হবে। এই দুটি পর্ব ২০ মিনিট চলবে। তিন দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের পর্বে রয়েছে ২০ মিনিটের অনুষ্ঠান। এছাড়া ভারত ১২ মিনিট ও শ্রীলংকা ৮ মিনিটের অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে। অতঃপর বাংলাদেশের বরেণ্য নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নিপা ও শিবলী মোহাম্মদের পরিচালনায় ২০ মিনিটের দি রাইজিং টাইগার অব এশিয়া পরিবেশিত হবে। বাংলাদেশের মহান ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন গৌরবময় ঘটনা প্রবাহকে সঙ্গীত, নৃত্য, কোরিওগ্রাফি ও আলোকরশ্মির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার মহড়া এখন শেষ পর্যায়ে। আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১১-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত মহড়া আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এ মহড়া শুরু হয়। চূড়ান্ত মহড়ার অনুষ্ঠানে বিশ্ববিখ্যাত কানাডার রক শিল্পী ব্রায়ান অ্যাডামস, ভারতের সনু নিগাম, শংকর মহাদেভান, এহসান, লয় এবং বাংলাদেশের সাবিনা ইয়াসমিন-রুনা লায়লা-মমতাজ ও ইবরার টিপু ও তার সঙ্গীরা স্বাগত সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে অংশ নেবেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার পর শুরু হবে তিন দেশের সেলিব্রেটি ইভেন্ট। বাংলাদেশ পর্ব পরিচালনা করবেন দেশবরেণ্য নৃত্য শিল্পী শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নিপা। তরুণ সঙ্গীত পরিচালক ও শিল্পী ইবরার টিপু ও সঙ্গীরা এ পর্বের সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। সুর ও প্রযোজনা করেছেন টিপু। এ পর্বে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও আর্মড ফোর্সের ২ হাজার ১শ জন কোরিওগ্রাফার অংশ নেবেন। শুরুতেই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মধ্যমঞ্চটির মাটি ফুঁড়ে রাখালের বাঁশির সুরে উপরে উঠে আসবেন শিবলী মোহাম্মদ। হাইড্রোলিক পদ্ধতিতে এ মঞ্চটি এশিয়াটিক ইভেন্ট ও উইজক্রাফট স্থাপন করেছে। বাঁশির সুর শেষেই বাংলাদেশের উপজাতি রাখাইন, সাঁওতাল ও চাকমারা ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করবে। অতঃপর ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের মনিপুরি নৃত্য ও এক মিনিট ৪০ সেকেন্ডের কথক নৃত্য পরিবেশিত হবে। এ সময় ঢোল-বাঁশি-দোতরা ও ফোকলোরের সুর বাজানো হবে বলে সঙ্গীত পরিচালক টিপু জানান। ২য় পর্যায়ে মহান ২১ ফেব্রুয়ারির স্মরণে মাঠের চারিদিক থেকে রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই … শ্লোগান দিয়ে মিছিল হবে। ওই সময় ওরা…আমার মুখের ভাষা… কাইরা… নিতে চায়.. ঐতিহ্যবাহী গান পরিবেশিত হবে। এ সময় মাঠ জুড়ে আলোক রশ্মির মাধ্যমে বাংলা বর্ণমালা ফুটিয়ে তুলবেন চীনা বিশেষজ্ঞরা। তারপরই মাঠে দেখা যাবে একজন কিশোর গান গাইছেন, আমার… ভাইয়ের.. রক্তে রাঙানো.. ২১ ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি… পরে একজন মা এ গানটি গাইবেন। ৩য় পর্যায়ের শুরু হবে একাত্তরের মার্চ মাসের অসহযোগ আন্দোলনের মুহূর্ত দিয়ে। আলো ও গোলাগুলির শব্দ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আবহ তৈরি করা হবে। একদল ছেলে-মেয়ে জয় বাংলা… শ্লোগান দিয়ে ছুটে যাবে। শুরু হবে জয়… বাংলা… বাংলার.. জয়.. গানটি। এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, এ বারের সংগ্রাম… স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রামে আমাদের মুক্তির সংগ্রাম বেজে উঠবে। বঙ্গবন্ধু যখন বলবেন জয় বাংলা… তখন স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশের শিল্প ব্যাংকের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা ৬০ ফুট পর্দায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের অগ্নিঝরা মুহূর্ত ফুটে উঠবে। শুরু হবে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ৪০ সেকেন্ডের আলো ও শব্দের মাধ্যমে ঐতিহ্য চিত্র। এরপর কবি নজরুলের কারার ওই… লৌহ কপাট… গান পরিবেশিত হবে। একপর্যায়ে চারিদিক থেকে বিশাল আকৃতির ম্যাপসহ মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের ৪টি পতাকা নিয়ে ছুটে আসবে মুক্তিযোদ্ধারা। ৬০ ফুট প্রশস্থ মধ্য মঞ্চ প্রথমে মুক্তিযুদ্ধকালীন ও পরে বর্তমানে লাল সবুজ বাংলাদেশের পতাকা দিয়ে মুড়িয়ে দেয়া হবে। একদিকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের আনন্দ ফুটিয়ে তোলা হবে এবং অন্যদিকে দেশ মাতৃকার প্রতি ভালবাসা মেলে ধরতে সঙ্গীত পরিবেশিত হবে ও .. আমার.. দেশের মাটি… তোমার .. পরে ঠেকাই মাথা… এ সময় মধ্য মঞ্চে ফুটে উঠবে শাপলা ফুল। শেষ পর্যায়ে সুন্দরবনের গহীন বন ফুটিয়ে তোলার পর রয়েল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন ও থিম সঙ্গীতের সুরের মাধ্যমে আইসিসির পতাকা মেলে ধরা হবে। অতঃপর কোরিওগ্রাফির মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেট উপস্থাপন করে বাংলাদেশ পর্বের ইতি টানা হবে। এতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, বাংলাদেশের নববর্ষসহ বিভিন্ন উৎসব এবং চাকমা, রাখাইন, মারমা, সাঁওতাল, গারোদের উপজাতীয়দের সংস্কৃতি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিক পরিবেশনা রয়েছে। এ সময় ঢাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ২১০০ ছাত্র-ছাত্রী এবং আর্মড ফোর্সের ৩৫০ জন সদস্য কোরিওগ্রাফিতে অংশ নেবেন। পুরো কোরিওগ্রাফি পরিচালনা করবেন ভারতের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার সন্তোষ শেঠজি। এর আগে ৮ মিনিটে শ্রীলংকার কোরিওগ্রাফার ও শিল্পীরা দি পার্ল অব ইন্ডিয়ান ওশান পর্বে শুরুতেই আলোক রশ্মি ও শব্দের মাধ্যমে সাগরের ঢেউ ফুটিয়ে তুলবেন। মাঠ ও আকাশ ছড়িয়ে যাবে নীল রঙ। এক পর্যায়ে মধ্য মঞ্চে সুরের মূর্ছনায় ফুটিয়ে তোলা হবে মুক্তা। মুক্তাটির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবেন শ্রীলংকান একজন তারকা অভিনেত্রী। ভারতের কোরিওগ্রাফার সন্তোষ শেঠজির পরিচালনায় দেশটির কোরিওগ্রাফার ও শিল্পীরা পরিবেশন করবেন সিম্পোনি অব কালারস। ১২ মিনিটের এ পর্বে ভারতের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট উপস্থাপন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষপর্বে আতশবাজি ও আলোক রশ্মির খেলা প্রদর্শন করবেন চীনের বিশেষজ্ঞরা। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে মাটি পর্যন্ত তিন ধাপে বিভিন্ন স্পট লাইট বসানো হয়েছে। মধ্য মঞ্চেও রয়েছে লাইট। পূর্ব ও উত্তর গ্যালারিতে ১৬টি টাওয়ারে লাইট বাধা হয়েছে। প্রতি টাওয়ারে রয়েছে ১৬টি করে লাইট। রংবেরংয়ের লাল-নীল-সবুজ-হলুদ-সাদা, বেগুনি আলোর খেলা দর্শকদের আকর্ষিত করবে। এরপর ৬০ ফুট প্রশস্ত ও ২৫ ফুট উঁচু মাঠের মধ্যমঞ্চে বাংলাদেশের বরেণ্য শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা ও মমতাজ মেট্লি স্টাইলে ৯ মিনিট গান গাইবেন। এরপর অফিসিয়াল থিম সঙ্গীত জিতবে এবার…. জিতবে ক্রিকেট… এবং হিন্দীতে দে ঘুমাকে.. ঘুমাকে (মার ঘুরিয়ে) সঙ্গীত পরিবেশন করবেন ভারতের বিখ্যাত শিল্পী শংকর মহেন্দ্রভান। গানটি একই সঙ্গে পাঞ্জাবি ভাষায় জিতো, খিলাদি.. ওয়াহি…ওয়াহি… পরিবেশিত হবে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলা ও হিন্দিতে গানটি পরিবেশিত হবে। গানটি লিখেছেন মনোজ যাদব। শংকরজির সঙ্গে এ গানটি সুর করেছেন এহসান ও লয়। তারা এ গানে কণ্ঠও মিলিয়েছেন। তিন মিনিট ৫৩ সেকেন্ডের গানটি সব মানুষকে আকর্ষিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে তবলা, বাঁশি, সেতার, বেহালা, অর্গান, গিটারসহ ১৮টি যন্ত্রের অ্যাকুস্টিকে ৭০ জন যন্ত্রী অংশ নিয়েছেন। বিশ্বখ্যাত কানাডার সঙ্গীত শিল্পী ব্রায়ান অ্যাডামস ঢাকায় আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গান এভরিথিং আই ডু… পরিবেশন করবেন বলে জানা গেছে। কানাডিয়ান সঙ্গীত শিল্পী ব্রায়ান অ্যাডামস তার সর্বশেষ অ্যালবাম বেয়ার বোনস থেকেও গান পরিবেশনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১১-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উইজক্রাফট ও এশিয়াটিক ইভেন্টের সংশ্লিষ্টরা একথা জানিয়েছেন।
সর্বশেষ সংবাদ
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes