যুক্তরাষ্ট্র থেকে আপাতত দেশে ফিরছেন না ফখরুদ্দীন-মইন
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র থেকে আপাতত দেশে ফিরছেন না সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মইন উ আহমেদ। তারা দু’জনই যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ বছর মেয়াদি মাল্টিপল ভিসা নিয়ে অবস্থান করছেন। ফখরুদ্দীন বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেস্ট লেকচার দিয়ে। থাকছেন ওয়াশিংটনে নিজের বাড়িতে। জেনারেল মইন উ আহমেদ রয়েছেন ফ্লোরিডায়। তিনি তার স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে থাকছেন। তার ছেলে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছেন। এখন মাস্টার্স করার জন্য ভর্তি হবেন। মূলত ছেলের ভর্তির জন্যই মইন সেখানে অবস্থান করছেন। এসব তথ্য জানা গেছে তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রে।ফখরুদ্দীন আহমদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ এমন একজন জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই থাকবেন। আপাতত তার দেশে ফেরার কোন সম্ভাবনা নেই। তিনি সরকারি বাসা ছেড়ে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দিয়ে নিজের ভাড়া বাসায় মালামাল উঠিয়ে এরপর যুক্তরাষ্ট্র পাড়ি দিয়েছেন। দেশের পাট মোটামুটি তিনি চুকিয়ে গেছেন। আগামী ৫ বছর কিংবা তারও বেশি সময় দেশে না এলেও কোন সমস্যা নেই। সেখানে তিনি থাকার জন্যই গেছেন। তবে কত দিন থাকবেন তা বলা যাচ্ছে না।এদিকে জেনারেল মইনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আপাতত জেনারেল মইন দেশে ফিরছেন না। কবে ফিরবেন তাও জানাননি। তবে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। সূত্র আরও জানায়, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে তিনি সস্ত্রীক বিদেশে যান। প্রায় ছয় মাস ধরে তারা সেখানে রয়েছেন। আপাতত সেখানে কোন পেশার সঙ্গে না জড়ালেও জেনারেল মইন ব্যস্ত রয়েছেন লেখালেখি নিয়ে। দেশে ফিরবেন কবে তা নিশ্চিত না হলেও তার পারিবারিক সূত্র জানান, মূলত তার ছেলের ভর্তির জন্যই সেখানে রয়েছেন। ছেলে মাস্টার্সে ভর্তি হবেন। ছেলেকে ভর্তি করার পর কি সিদ্ধান্ত নেন সেটা এখনও বলা যাচ্ছে না। এদিকে ড. ফখরুদ্দীন আহমদ ও মইন উ আহমেদকে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২০০৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র, শিক্ষক ও সেনা সদস্যদের মধ্যে সৃষ্ট সহিংসতার ঘটনা তদন্তে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য রোববার সংসদীয় সাব কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, সংসদীয় কমিটি তাদের দেশের কোন ঠিকানাতেই পাবে না। চিঠি দিলে তা ফেরত আসবে। এ কারণে তাদের সংসদীয় কমিটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ডাকতে হলে তা আবার নিয়ম মানার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চিঠি দিতে হবে। পরে তা বাংলাদেশস্থ দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। এরপর তারা চিঠির কি জবাব দেন তা দেখতে হবে। সব মিলিয়ে এটি একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কমিটির সিদ্ধান্ত রয়েছে, আগামী বৈঠকে তাদের তলব করার। যদিও এখনও ঠিক হয়নি বৈঠক কবে হবে।
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








