ড. ইউনূসকে নিয়ে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কে শীতলতা

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-ওয়াশিংটনের সম্পর্কে শীতলতা দেখা দেয় বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে।আগামী এপ্রিলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর এবং একই মাসে ওয়াশিংটনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত সফরের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রসাশন ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের সৃষ্ট প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংককে নিয়ে করা তদন্ত ও প্রচারণার বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা সরকারকে জানিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির একটি সম্মানযোগ্য সমাধান চেয়েছে। সরকারের গতকালের পদক্ষেপের ফলে সে সুযোগ আর থাকল না।তবে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে তিন দিনের সফরে ভারত আসবেন হিলারি ক্লিনটন। আশা করা হয়েছিল, তখন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ঢাকায় আসবেন মার্কিন এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ ব্যাপারে দুই দেশের সম্মতি ছিল বলে সূত্রে জানা গেছে।আর বিশ্ব ইসলামিক ফোরামের বৈঠকে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এপ্রিলে ওয়াশিংটনে যাওয়ার কথা রয়েছে।ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইউনূস প্রসঙ্গে ওবামা প্রশাসনের উদ্বেগের বিষয়টি হিলারি ক্লিনটন গত ১৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোনে জানিয়েছেন। এ ছাড়া গত মাসে ঢাকা সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বিষয়টি আবার তুলে ধরেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর প্রধান উপসহকারী সচিব জেফরি আর পায়াট।গত ১০ জানুয়ারি তিন দিনের সফরে পায়াট ঢাকায় আসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইউনূস ও জামায়াতের নেতা আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গেও বৈঠক করেন।জানা গেছে, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনায় তৃণমূল সংগঠনগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেন পায়াট। তিনি সরকারকে গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে করা তদন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার ওপর জোর দেন।এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিদের জানিয়েছেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। আইন তার নিজের গতিতে চলবে।তবে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে মার্কিন প্রশাসন সন্তোষও প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে সন্ত্রাস দমন, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) পূরণে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








