Friday, 30 October 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
সব ক্যাটাগরি

কীভাবে বৃদ্ধ মানুষদের নিঃসঙ্গতা দূর করা যায়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 178 বার

প্রকাশিত: April 13, 2018 | 9:40 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : নিঃসঙ্গ জীবন অনেকের কাছে একটি বড় ব্যাধির মতো। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়েসে নিঃসঙ্গতা মানুষকে চূড়ান্ত অবসাদের দিকে ঠেলে দেয়। অ্যালকোহল, সিগারেট এবং মোটা হয়ে যাওয়ার মতোই নিঃসঙ্গতাও খারাপ বিষয়। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে এ সমস্যা অনেক প্রকট। এ সমস্যা মোকাবেলার জন্য ব্রিটেনের একটি শহরে অভিনব এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিঃসঙ্গ বৃদ্ধদের সঙ্গ দেওয়া এর মূল উদ্দেশ্য। ইংল্যান্ডের পশ্চিমে ফ্রোম নামের ছোট এক শহরে এটি চালু হয়েছে। নিঃসঙ্গ মানুষদের  আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর আয়োজন এটি।

২০১৩ সালে চিকিৎসক হেলেন কিংস্টন চিন্তা করেন কীভাবে বৃদ্ধ মানুষদের নিঃসঙ্গতা দূর করা যায়। নিঃসঙ্গ মানুষদের চাহিদা নিরূপণ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেন।

বৃদ্ধা সু তাঁর বাড়িতে একা থাকেন এবং তিনি ঘরের বাইরে যেতে পারেন না। এ শহরের একজন বৃদ্ধ বলেন, ‘আমাকে নানা ধরনের মানুষ দেখতে আসে। এটাই আমার দরকার। এটা আমাকে আত্মবিশ্বাস দেয়। আমি তখন ভাবতে পারি যে পৃথিবীতে ভালো কিছু আছে।’ সু বলেন, বৃদ্ধ হওয়ার সাথে-সাথে মানুষের জীবনও বদলে যায়। ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে চলে যায়। নিঃসঙ্গ জীবন কেমন সেটা কেউ ব্যাখ্যা করতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।

চিকিৎসক হেলেন বলেন, ‘আপনি যদি বিচ্ছিন্ন হয়ে যান এবং কারো সঙ্গে আপনার যোগাযোগ না থাকে তখন আপনি নিজেকেও ঠিক রাখতে পারবেন না।’ একা থাকতে-থাকতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। স্থানীয় একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একজন চিকিৎসক এ কাজ শুরু করেন। সেখানে মানুষের নিঃসঙ্গতা যেভাবে বেড়ে যাচ্ছিল তাতে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

হেলথ সেন্টারে নিঃসঙ্গ বৃদ্ধদের জন্য একটি কক্ষ রাখা হয়েছে। সেখানে সবাইকে একত্রিত করে প্রতিদিন নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করানো হয়। এতে তাদের সময় কাটে এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ে।

শুধু তাই নয়। চিকিৎসক হেলেন বলছেন তারা একটি একটি কমিউনিটি গড়ে তুলেছেন যেখানে প্রায় ৫০০ মানুষ রয়েছে যারা বৃদ্ধদের সময় দেন। প্রত্যেকে প্রতি বছর ২০ জন বৃদ্ধের সঙ্গে কথা বলেন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ১০ হাজার বৃদ্ধকে পুরো বছর সময় দেওয়া যায়।

বৃদ্ধা সু বলছেন, ‘একদিন আমকে ফোন করে বলা হলো একজন আমাকে দেখতে আসবে। আমার যে কী আনন্দ হয়েছিল বলে বোঝাতে পারবো না।’

এরপর থেকে কেউ না কেউ নিয়মিত বৃদ্ধা সু’র বাসায় আসতে থাকে এবং তার খোঁজখবর নেয়। সু শারীরিকভাবেও সুস্থ হয়ে উঠেন তখন থেকে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ