Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

চীন ও ভারতে পাত্রীর জন্য হাহাকার!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 77 বার

প্রকাশিত: April 29, 2018 | 5:43 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ইতিহাসে এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি। সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল, সরকারের ডিক্রি ও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রযুক্তির সমন্বয়ে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুটি দেশের চিত্র পাল্টে গেছে। সেখানে দেখা দিয়েছে লিঙ্গগত অসমতা। অর্থাৎ নারী ও পুরুষের সংখ্যায় মারাত্মক হেরফের হয়েছে। এ দুটি দেশ হলো চীন ও ভারত। এ দুটি দেশে নারীদের তুলনায় পুরুষের আনুপাতিক সংখ্যা ৭ কোটি বেশি। এত বেশি পুরুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সেখানে মারাত্মক এক সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। উঠতি যুবক বা বিয়ের বয়সী যুবক পাত্রী পাচ্ছেন না। এর ফলে তাদের অনেককে একাকীত্ব বরণ করতে হচ্ছে। পতিতাবৃত্তির হার ও স্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পরিণতি হিসেবে শুধু যে চীন বা ভারত ভুগছে তাই নয়। এর প্রভাব পড়ছে এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে। সিয়ান জিয়াওতোং ইউনিভার্সিটির জনসংখ্যা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লি শুঝুউ বলেন, অদূর ভবিষ্যতে লাখ লাখ পুরুষকে অবিবাহিত জীবন কাটাতে হবে। এতে সমাজের ওপর বড় রকম একটি ঝুঁকি তৈরি হবে। চীনের বর্তমান জনসংখ্যা ১৪০ কোটি। এর মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা কমপক্ষে ৩ কোটি ৪০ লাখ বেশি। এ সংখ্যা পুরো ক্যালিফোর্নিয়া বা পোল্যান্ডের জনসংখ্যার সমান। এসব মানুষ অর্থাৎ ৩ কোটি ৪০ লাখ পুরুষ কোনোদিন বিয়ে করার জন্য মেয়ে খুঁজে পাবে না। আর শারীরিক ক্ষুধা মেটানো তো দূরের কথা। এর ফলে তারা খুঁজতে থাকে নিষিদ্ধ পল্লী। সেখানে শারীরিক ক্ষুধা মিটাতে গিয়ে তারা এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। আবার প্রতিবেশী কোনো দেশে গিয়ে সেখানে মনের মানুষ খুঁজে নিতে পারে। কিন্তু ঝুঁকি সব ক্ষেত্রেই আছে। চীনে দ্রুতগতিতে বর্ধনশীল জনসংখ্যার রেশ টেনে ধরতে ১৯৭৯ সালে সেখানে ওয়ান চাইল্ড পলিসি বা এক শিশু নীতি গ্রহণ করা হয়। তা ১৯৭৯ সালে কার্যকর হয়ে অব্যাহত থাকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে কোনো দম্পতিকে একের অধিক সন্তান নিতে অনুমোদন দেয়া হয় নি। ফলে কোনো দম্পতি সন্তানের পিতামাতা হওয়ার আগে গর্ভস্থ শিশু ছেলে নাকি মেয়ে তা জেনে নেয়ার চেষ্টা করে। যদি তারা দেখতে পান গর্ভস্থ শিশু একটি কন্যা শিশু তাহলে গর্ভপাত করা হয়েছে। এমন ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে। কারণ, মেয়ে শিশুকে সেখানে ভাল চোখে দেখা হয় না। অভিভাবকরা মনে করেন, ছেলে শিশু হলে সে তাদের ভবিষ্যত দেখবে। এ জন্য কন্যা শিশুকে গর্ভপাত করে ফেলে দেয়া হয়। এর ফল হিসেবে সেখানে কন্যা শিশুর সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। বাড়তে থাকে ছেলে সন্তানের সংখ্যা। ভারতেও একই রকম প্রবণতা বিদ্যমান। সেখানেই মেয়ে শিশুর চেয়ে ছেলে শিশু বা সন্তানকে পছন্দ করা হয়। সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, ভারতে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৭০ লাখ বেশি। ছেলে সন্তানের চেয়ে মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়ার প্রবণতা একেবারেই কমে গেছে, যদিও ভারত অধিকতর উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। এর ফলে ভারতেও অবিবাহিত পুরুষের সংখ্যা বাড়ছে। এর ফলে ঘটছে মানবপাচার। সেটা ঘটছে নারীর লোভ দেখিয়ে। আবার কখনো পতিতাবৃত্তির লোভ দেখিয়ে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিভাবকরা আগেই সন্তানের পরিচয় জেনে যান। এর ফলে তারা কন্যা শিশুর ভ্রুণকে হত্যা করেন। এই ধারা সেখানে ব্যাপকতা লাভ করেছে। ভারত ও চীন মিলে নারীর তুলনায় ২০ বছরের নিচে বয়সী পুরুষের সংখ্যা ৫ কোটিরও বেশি। ফলে তাদের কপালে মেয়ে জুটবে তো! মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ