Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

ডলারের দাম বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 80 বার

প্রকাশিত: March 7, 2011 | 4:17 PM

তোহুর আহমদ: কোন কারণ ছাড়াই মুদ্রা বাজারে ডলারের দাম বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিনিময় মূল্যের চেয়ে বাজারে ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য প্রায় ১ থেকে ২ টাকা কম-বেশি হচ্ছে। গত এক মাসের মধ্যে গতকাল সপ্তাহের প্রথম দিনে ডলারের বিক্রয় মূল্য ছিল সর্বোচ্চ। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলারের ক্রয় মূল্য ছিল ৭১ টাকা ৪৯ পয়সা এবং বিক্রয় মূল্য ছিল ৭১ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে ডলারের বিনিময় মূল্য ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের চেয়ে প্রায় দেড় টাকা বেশি। গতকাল বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলারের বিক্রয় মূল্য ছিল ৭৩ টাকা ২০ পয়সা এবং ক্রয় মূল্য ছিল ৭২ টাকা ২০ পয়সা। মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে ডলারের বিক্রয় মূল্য ছিল ৭৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮০ পয়সা ও ক্রয় মূল্য ছিল ৭৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২০ পয়সা। ডলারের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে সমপ্রতি আমদানি বেড়ে যাওয়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে ডলারের দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। তবে মানি এক্সচেঞ্জগুলো বলছে,  রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যাওয়ায় ডলারের দাম বাড়ছে। তাছাড়া, বাজারে নগদ ডলারের সরবরাহ কম থাকায় গত এক মাস ধরেই ডলারের দাম বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে গত ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ডলারের বিক্রয় মূল্য ও ক্রয় মূল্য ছিল ৭১ টাকা ১৫ পয়সা থেকে ৭১ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে  বেশি মূল্যে ডলার কেনাবেচা হয়েছে। গত মাস জুড়েই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ডলার কেনাবেচা হয়েছে ৭২ টাকা ২৫ পয়সা থেকে ৭৩ টাকা ২৫ পয়সার মধ্যে। তবে মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে ডলার কেনা বেচা হচ্ছে আরও উচ্চ মূল্যে। গতকাল রাজধানীর প্রায় ১০টি মানি এক্সচেঞ্জে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে তারা ক্ষেত্রবিশেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর চেয়ে ৫০ থেকে ৮০ পয়সা পার্থক্যে ডলার বেচাকেনা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে তাদের ডলারের বিনিময় মূল্যের পার্থক্য ২ টাকার মতো। অথচ মুদ্রা বাজারে বিনিময় মূল্য ৭০-৮০ পয়সা কমবেশি হওয়ায় অস্বাভাবিক বলে ধরা হয়। ফকিরাপুলের সৈকত মানি এক্সচেঞ্জে গতকাল ডলার বিক্রি হয়েছে ৭৩ টাকা ৪০ পয়সায় এবং তারা ডলার কিনেছে ৭৩ টাকা ১০ পয়সায়। একই ভাবে ফকিরাপুলের জেমস মানি এক্সচেঞ্জে ডলারের ক্রয় মূল্য ছিল ৭৩ টাকা ২০ পয়সা এবং বিক্রয় মূল্য ছিল ৭৩ টাকা ৪৫ পয়সা। মতিঝিলের বিনিময় মানি এক্সচেঞ্জ গতকাল ডলার বিক্রি করেছে ৭৩ টাকা ৫৫ পয়সায় এবং কিনেছে ৭৩ টাকা ১০ পয়সায়। অভিযোগ রয়েছে মানি এক্সচেঞ্জগুলো বেশি পরিমাণে ডলার কিনে রেখে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ডলারের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে দাম বাড়াচ্ছে। এ অভিযোগ সঠিক নয় এমন দাবি করে মানি এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা খান বলছেন, ডলারের মূল্য বাড়ানো বা কমানোর ক্ষেত্রে মানি এক্সচেঞ্জগুলোর তেমন কোন ভূমিকা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্ত অনুযায়ী একটি মানি এক্সচেঞ্জ তার কাউন্টারে ২৫ হাজার ডলারের বেশি মজুত রাখতে পারবে না। উপরন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন টিমের কাছে ক্রয়কৃত ডলার প্রদর্শন করার জন্য মানি এক্সচেঞ্জগুলোকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে হয়। তাই তাদের পক্ষে সিন্ডিকেট করা সম্ভব নয়। তিনি বলছেন, বাজারে ডলারের সরবরাহ বেশি থাকলে মানি এক্সচেঞ্জগুলো কম দামে ডলার বেচাকেনা করে। কিন্তু সমপ্রতি বাজারে নগদ ডলারের সঙ্কট রয়েছে। একারণে অনেকেই বেশি দামে ডলার বেচাকেনা করছে। তবে বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে ডলার বেচাকেনার পার্থক্য খুব সামান্য হয়ে থাকে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলছেন, বর্তমানে মানি এক্সচেঞ্জগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা রয়েছে। তাই কেউ ইচ্ছা করলেও খুব কম বা বেশি দামে ডলার বেচাকেনা করতে পারবে না। তাহলে তাকে বাজার হারাতে হবে। একটি মানি এক্সচেঞ্জের লাইসেন্স নিয়ে একাধিক কাউন্টার খুলে অবৈধভাবে ব্যবসা করার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, আগামী ১২ই মার্চ আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি মিটিং ডেকে সদস্যদের এ বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হবে। তারপরও কেউ এ ধরনের অবৈধ ব্যবসায় জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়ে দেয়া হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক খামখেয়ালিপনার জন্য মুদ্রা বাজার অনেক সময় স্থির থাকে না। তাদের অনেক আদেশ-নির্দেশ আমাদের কাছে যৌক্তিক মনে হয় না। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুুদ্রা বিনিময় নিয়ন্ত্রণ শাখার একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রির ক্ষেত্রে শিগগিরই বাণিজ্যিক ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জগুলোর জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। ওই নীতিমালা অনুযায়ী কেউ বাংলাদেশে ব্যাংকের নির্ধারিত মূল্যের বাইরে ডলার সহ কোন বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচা করতে পারবে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা স্বীকার করেন- বাজারে বর্তমানে নগদ ডলারের সঙ্কট রয়েছে। এ তারল্য সঙ্কট মেটানোর জন্য গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার তারল্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, চলতি মাসের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ডলারের দাম কমে আসবে।মানবজমিন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ