ড.ইউনূসের একটি আবেদন
নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল সোমবার দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন জানিয়েছেন।ড. ইউনূস আবেদনে বলেন, তৃতীয় দিনে উচ্চ আদালতে আমাদের রিট পিটিশনের শুনানি শেষ হলো। আমরা আশা করছি, মহামান্য আদালত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করাটা অবৈধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ জারি করাটা বৈধ কি না, তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রতিবছর পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা সত্ত্বেও ১২ বছর পর এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে (এর মধ্যে শুধু একবারই ১৯৯৯ সালে বাৎসরিক পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক একবার আপত্তি তুলেছিল, যার জবাবও গ্রামীণ ব্যাংক সন্তোষজনকভাবে দিয়েছিল। এরপর আর কোনো দিন এ ব্যাপারে কোনো আপত্তি তোলা হয়নি)।
তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচনের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের নয়জন ঋণগ্রহীতা পরিচালনা পর্ষদে পরিচালক হিসেবে যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, যাঁদের মাধ্যমে প্রায় ৮৩ লাখ শেয়ার-মালিকের কণ্ঠ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এই নয় সদস্য গত বৃহস্পতিবার গ্রামীণ ব্যাংকের সব সদস্য-পরিবারের প্রায় চার কোটি মানুষের পরিপূর্ণ আস্থা নিয়ে মহামান্য আদালতের কাছে বিচার চেয়ে রিট আবেদনের জন্য দেশের দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতিক্রমে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ আমাকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব অর্পণ করেছিল এবং সর্বসম্মতিক্রমে এও নির্ধারণ করে দিয়েছিল,ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্য কোনো বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে না।আমি আমার জীবনের পুরো সময়টা কাটিয়েছি বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবন থেকে দারিদ্র্যের চিহ্নগুলো একে একে মুছে ফেলার ব্রত নিয়ে। আমার সব চিন্তা গ্রামীণ ব্যাংকের সব সদস্য ও কর্মীর কল্যাণে নিয়োজিত। বাংলাদেশের সব মানুষের জীবনে, বিশেষ করে তরুণদের জীবনে দ্রুত পরিবর্তন আনা নিয়ে আমি সব সময় স্বপ্ন দেখে এসেছি। দেশের ও দেশের মানুষের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক আমার এই প্রচেষ্টার উত্তরাধিকার বহন করে যাবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, গ্রামীণ ব্যাংক নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে অবিচলভাবে কাজ করে যাবে, যেভাবে ৩৪ বছর ধরে করে এসেছে। এটা নিশ্চিত করার জন্য একটি মসৃণ ও আনন্দময় পরিবেশে আমার হাত থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিচালকের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমি এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং এই প্রচেষ্টা চালাতেই থাকব, যতক্ষণ পর্যন্ত না এর জন্য সংশ্লিষ্ট সবার বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা পাই।আমি এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সব নাগরিকের আন্তরিক সহযোগিতা চাই। গ্রামীণ ব্যাংকের মসৃণ ও আনন্দমুখর দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য আমি সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আমি আশা করি, একটি সুন্দর আইনকাঠামোর আওতায় গ্রামীণ ব্যাংককে যেভাবে অন্যান্য বৈশিষ্ট্যসংবলিত বিশ্ববরেণ্য নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একটি ব্যাংক হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, যেভাবে এই ব্যাংকে দরিদ্র নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন, সেই আইনের প্রতি সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং এর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে অটুট মনোবল নিয়ে এগিয়ে আসবেন। সবার প্রতি আমার এই আবেদন। বিজ্ঞপ্তি।
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








