Thursday, 29 October 2026 |
শিরোনাম
নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan
সব ক্যাটাগরি

পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে ৭-৮ জুলাই ‘মুনা কনভেনশন : ১০ হাজার লোকের সমাবেশ প্রত্যাশা নেতৃবৃন্দ’র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 194 বার

প্রকাশিত: June 28, 2018 | 5:43 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা) আয়োজিত চলতি বছরের ‘মুনা কনভেনশান-২০১৮’ সফল করতে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে মুনা নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আগামী ৭-৮ জুলাই শনি ও রোববার ফিলাডেলফিয়ায় অবস্থিত পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে এবারের সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। কনভেনশনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন এবং এতে ১০ হাজার লোকের সমাবেশ ঘটবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। চলছে অংশগ্রহণকারীদের রেজিষ্ট্রেশন। মুনা নেতৃবৃন্দ বলেন, সবার মাঝে শান্তির ধর্ম ইসলামের দাওয়াত পৌছে দেয়াই মূলত: এই কনভেনশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। কনভেনশনের মূল থিম হচ্ছে ‘মুহাম্মদ (সা:) শান্তি ও রহমতের পয়গম্বর’।
‘মুনা কনভেনশান-২০১৮’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ পালকি সেন্টারে গত ২৬ জুন মঙ্গলবার রাতে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মুনা কনভেনশনের চেয়ারম্যার আবু আহমেদ নূরুজ্জামান। শেষে সমাপনী বক্তব্য রাখেন মুনা’র ন্যাশনাল এক্সিকিউভিট ডাইরেক্টর হারুন অর রশীদ। এসময় মুনা নিউইয়র্ক জোন নর্থের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল আরিফ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলন পরিচালনা করেন মুনা নিউইয়র্ক সাউথ জোন কর্ম পরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান। খবর ইউএনএ’র।
সাংবাদিক সম্মেলনে মুনা কনভেনশনের চেয়ারম্যার আবু আহমেদ নূরুজ্জামান তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, মুনা এ বছরের ৭-৮ জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় অবস্থিত পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে বিশাল এক সম্মেলন/কনভেনশন করতে যাচ্ছে। যে সম্মেলন বাংলা ভাষাভাষীদের সর্ববৃহৎ ইসলামিক মিলনমেলা। এই সম্মেলন মুসলিম জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা মনে করি, মুনা একটি আদর্শিক দাওয়াতী ও সামাজিক সংগঠন। মানুষের ব্যক্তিগত, নৈতিক ও সামাজিক মান উন্নয়নের জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা চালানোর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে প্রতিষ্ঠিত হয় মুনা। এই সংগঠনটি ১৯৯০ সালে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে কর্পোরেশন-ভুক্ত করা হয়। মুনা এদেশে মুসলিমদেরকে প্রাত্যহিক সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকান্ড এবং জাতীয় নাগরিক জীবনে ভূমিকা পালনের নিমিত্তে সংগঠিত করতে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে করে এই সমস্ত ব্যক্তিবর্গ আল্লাহ এবং তার রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সা.)এর অনুসরণ ও কমিউনিটির সেবা করে যেতে পারেন সুচারুভাবে।
তিনি বলেন, একটি আদর্শিক সংগঠন হিসাবে মুনা মুসলিমদেরকে আহবান করে তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইসলাম পালনের এবং অমুসলিমদের কাছে ইসলামের সঠিক শিক্ষা তুলে ধরতে।
একটি অলাভজনক সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন হিসাবে নিজস্ব স্বতন্ত্র সংবিধান এবং কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির আলোকেই এ সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে জন্মলগ্ন থেকে। মুনা প্রধানত ঐ সমস্ত কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে যাতে করে একজন ব্যক্তিকে সংশোধনের মাধ্যমে সর্বাঙ্গীন ও সামাজিকভাবে কল্যাণকর ব্যক্তিতে পরিণত করা যায়। এ লক্ষ্যে মুনা ব্যক্তিদেরকে আধ্যাত্মিক, নৈতিক এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। মুনা চায় এমন সব প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ,যারা তাদের ¯্রষ্টা ও প্রতিপালক আল্লাহ তা’আলার সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করে চলে এবং একই সময়ে সমাজের সর্বক্ষেত্রে উৎপাদনমুখী ভূমিকা পালন করে। ইসলামিক শিক্ষার বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে; যাতে শিক্ষা দান করা হয় ইসলামের বিভিন্ন দিক ও বিভাগ এবং মানুষের দৈনন্দিন সাধারণ সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবনসম্পর্কিত বিষয়াবলী। মানুষের ব্যক্তিগত মানোন্নয়ন ছাড়াও মুনা স্থানীয় ও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নানা সামাজিক ও নাগরিক অধিকার সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে। নিজেদের সাধ্য ও সামর্থানুযায়ী মুনা সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদেরকে বিভিন্ন ধরনের দাতব্য ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত ও সংযুক্ত করছে; যাতে করে তারা যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের বিভিন্নস্থানে দুঃস্থ মানবতার পাশে দাঁড়াতে পারে।
আবু আহমেদ নূরুজ্জামান বলেন, মুনা নিজের জনশক্তি ও অন্যান্য মুসলিমদেরকে নিয়ে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিতে চায় যাতে করে তারা অন্যধর্মাবলম্বী ও ভিন্ন ভাষাভাষী, বর্ণ ও গোত্রের জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবেশীদের সাথে পারস্পরিক সংলাপে নিয়োজিত হতে পারে,যার মাধ্যমে অন্ত: ও আন্ত:সাম্প্রদায়িক বোঝাপড়া, সামাজিক প্রসার ও উন্নয়ন ঘটানো যায়। মুনা মনে করে, এ প্রক্রিয়ায় এ সমাজে সৌহার্দ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব। মুনা আমেরিকায় জাতীয় ভিত্তিক সংগঠন হলেও মুনার প্রাথমিক ফোকাস হচ্ছে বাংলা ভাষাভাষী তথা বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি। মুনা প্রধানত: বাংলা ভাষাভাষীদের মাঝেই এর কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে। এদের দুনিয়াবী ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিত করতেই মুনা তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই দেশে বাংলাভাষাভাষী মুসলিমরা ও অন্যান্যরা কিভাবে এখানকার মূলধারার জীবনে অংশ গ্রহণ করে নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করবে এবং একই সাথে নিজের আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের সংরক্ষণ করবে সে বিষয়ে মুনা সচেতন। আর তাই মুনা চায় বাংলাদেশী-আমেরিকানরা মুনার কর্মতৎপরতায় বেশি বেশি করে সক্রিয় অংশগ্রহণ করুক। সাথে সাথে বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে গড্ডলিকা প্রবাহ থেকে বাঁচাতে মুনা চায় প্রতিটি বাংলা ভাষাভাষী অভিভাবক তাঁদের সন্তানদেরকে ইসলামিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করুক। ইসলামে শ্বাশত বিধানের সাথে সম্পৃক হউক। এক্ষেত্রে মুনার ইয়ুথ সংগঠন ‘মুনা ইয়ুথ’ এবং ‘ইয়াং সিস্টার অফ মুনা’র সাথে সম্পৃক্ত হউক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশী-আমেরিকানদের কাছে মুনার কর্মকান্ড তুলে ধরা এবং তাদের জন্য আমেরিকার মূলধারার মুসলিম স্কলার ও নেতৃবৃন্দ থেকে জ্ঞানগর্ভ দিকনিদের্শনা নেয়া এবং নতুন প্রজন্মকে একি ষ্ট্রান্ডারে উন্নতি করার নিমিত্তেই বিগত কয়েকটি কনভেনশনের মতো আরো ব্যাপকভাবে মুনা এবারও আয়োজন করেছে ‘মুনা কনভেনশন’ ২০১৮। এ লক্ষেই এ বছরের কনভেনশনের মূল থীম (কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় ‘মুহাম্মাদ (সা.): শান্তি ও রহমতের পয়গম্বর’। কনভেনশনে ইংরেজী ভাষার আলোচকদের সাথে সাথে থাকবেন বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশ থেকে আগত বাংলা ভাষার আলোচকগণ।
আবু আহমেদ নূরুজ্জামান বলেন, বিশ্বাস করি, আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের সকল সমস্যা সমাধানের সর্বোত্তম পন্থা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়লা কর্তৃক প্রদত্ত পন্থা। তিনি তার প্রেরিত রাসুল (সা:) কে দিয়ে তা বাস্তবায়ন ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দিয়েছিন। আল- কুরআন আল্লাহ তায়ালা তার স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন। “নিশ্চয় তোমাদের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা:) এর জীবনেই রয়েছে অনুকণীয় সর্বোত্তম আদর্শ”। একজন মুসলিম হিসেবে একই সাথে একজন উত্তম মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অভিপ্রায়ী প্রতিটি মানুষের জন্য মুহাম্মদ (সা:) এর অনুসরণের কোন বিকল্প নেই। এই শাশ্বত স্বীকৃতিকে সামনে রেখেই মুসলিম উম্মাহর এবারের আয়োজন ‘মুনা কনভেশন’ ২০১৮। আমাদের প্রত্যাশা এবারের কনভেনশনে দশ সহ¯্রাধিক মুসলিম নরনারী শিশুকিশোর অংশগ্রহন করবে।
তিনি বলেন, আমাদের কেউ এদেশে জন্ম গ্রহণ করেছেন, কেউ জন্ম গ্রহন করেছেন বাংলাদেশে। আমাদের কৃষ্টি কালচারে ভিন্ন ভিন্ন প্রোকটিস থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের আর্দশিক ভিত্তি এক, আমাদের বিশ্বাসের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। সে বিশ্বাস নির্ভূল গ্রন্থ আল কুরআন কৃর্তক নির্দেশিত। এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে তৈরী হওয়া তাহযিব তামাদ্দুনই আমাদের পারিবারিক জীবনে শান্তি নিশ্চিত করতে পারে। নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত একটি মিডিয়ার খবরে প্রকাশ, বাংলাদেশী কমিউনিটি বিপুল সংখ্যক যুবক যুবতী ড্রাগ-এর সাথে সম্পৃক্ত, কেউ কেউ জড়িত হযে পড়েছে বিভিন্ন অসামাজিক কাজেও। একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফ্যামিলিতে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিরাজ করেছে বিচ্ছেদ সাদৃশ্য সর্ম্পক। বার্ধক্যে উপনীত হওয়া বাবা-মা’দের করুন চিত্র ক্রমেই নিদারুন চিত্র অংকন করে চলছে। এহেন অবস্থায় ইসলামী আদর্শিক বিশ্বাসের প্রোটটিসের কোন বিকল্প নেই। মুনার এবারের কনভেনশন সেই তাহযিব তামাদ্দুনের ভিত্তি পরিবার গুলোতে পৌঁছে দেয়া একটি গুরুত্বপুর্ণ উদ্দেশ্য।
আবু আহমেদ নূরুজ্জামান বলেন, এবারের কনভেনশনে কর্মসূচীতে সকলের জন্যে থাকছে বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক স্কলারদের গুরুত্বপুর্ণ আলোচনা, তরুণ ছেলে-মেয়েদের জন্য থাকবে আলাদা ‘ইয়ুথ কনভেনশন’। মহিলাদের জন্য থাকবে পরিবার গঠন সংক্রান্ত প্যারালাল গ্রোগ্রাম। এ ছাড়াও থাকবে মনোজ্ঞ ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন ইসলামী ও অন্যান্য সামগ্রীর দোকান নিয়ে বাজার, ছোট ছেলে-মেয়েদের জন্য বিভিন্ন রাইড এর ব্যবস্থা। সর্বোপরি ফিলাডেলফিয়া ভ্রমণকারীদের জন্য থাকবে আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের স্মৃতিবহুল ‘ভ্রাতৃপ্রতিম ভালবাসার শহর’ নানা দর্শণীয় স্থান পরিভ্রমণের সুযোগ।
তিনি মুনা কনভেনশন ২০১৮-তে যোগদানের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী সকল ফ্যামিলির প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানান এবং কনভেনশনকে সফল করার ক্ষেত্রে সংশিষ্ট সবার ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে আবু আহমেদ নূরুজ্জামান বলেন, আমেরিকা আমাদের দেশ। কেননা এই দেশে আমরা বসবাস করছি, ট্যাক দিচ্ছি, এই দেশের সকল সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করছি। ইসলামের করার প্রচার করার জন্য আমেরিকা একটি চমৎকার দেশ। বিশেষ করে আমাদের আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুন্দর জীবন উপহার দেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য দেশ ও ধর্মের মানুষকে ইসলামের সুন্দর জীবনের প্রতি আকৃষ্ট করা, ইসলামের দাওয়াত দেয়া একজন মুসলমান হিসেবে সবার নৈতিক দায়িত্ব।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মুনা’র সদস্য, শুভাকাঙ্খী আর পৃষ্ঠপোষকদের আর্থিক সহযোগিতায় কনভেনশনের সকল ব্যয় বহন করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্পন্সর আর স্টল থেকেও ব্যয় নির্বাহ করা হয়। অতীতের কনভেনশনগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে এবারের কনভেনশনে সবমিলিয়ে এক মিলিয়ন ডলারের উপর ব্যয় হবে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে আবু আহমেদ নূরুজ্জামান বলেন, আমরা ব্যাপক অর্থে ‘মুনা’র নাম রাখা হলেও মুলত: প্রবাসী বাংলাদেশী বা বাংলাদেশী-আমেরিকান মুসলিম কমিউনিটি ঘিরেই মুনার কর্মকান্ড চলচে। ইতিপূর্বে কানাডা সহ ‘উত্তর আমেরিকা’ কেন্দ্রীক মুনা’র কর্মকান্ড শুলু করা হলেও ২০০১ সালের ৯/১১ ঘটনার পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মুনা যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে মুনা’র ন্যাশনাল এক্সিকিউভিট ডাইরেক্টর হারুন অর রশীদ সবাইকে পেনসিলভেনিয়া কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য মুনা কনভেনশনে যোগ দেয়ার আনুরেঅদ জানিয়ে বলেন, ইসলাম শান্তি ধর্ম। ইসলাম শুধু মুসলামানদের জন্য নয়, হযরত মুহাম্মদ (সা:)ও শুধু মুসলমানদের জন্য নন। তাই ইসলামের কথা আর মুহাম্মদ (সা:)-এর আদর্শ সকল মানুষের কাছে পৌছে দিতে হবে।
বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে সাংবাদিক সম্মেলনের সমাপ্তি করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন আবু আহমেদ নূরুজ্জামান।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ