যুক্তরাষ্ট্রে এসাইলাম নীতি কঠোর করার ঘোষণা : অভিবাসী স্রোতকে আটকাতে প্রয়োজনে গুলি
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে একবারে শেষ মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসাইলাম নীতিতে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার এসাইলাম নীতিতে কঠোরতা আরোপ করে ‘আগামী সপ্তাহে’ তিনি একটি নির্বাহী আদেশ জারি করবেন।
মধ্য আমেরিকার দেশগুলো থেকে অভিবাসন প্রত্যাশী শরণার্থীদের যে ঢল যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত অভিমুখে এগিয়ে আসছে তাদের দিকে লক্ষ্য রেখেই ট্রাম্প তার এই নির্বাহী আদেশ জারি করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে যে সেনা বহর পাঠানো হয়েছে তাদের দিকে ঢিল-পাটকেল নিক্ষেপ করা হলে সেনা সদস্যরা শরণার্থী কারাভানের ওপর গুলি চালাতে পারবে।
ইমিগ্রেশন বিষয়ে হোয়াইট হাউসে দেয়া এক বক্তৃতায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণার বহু প্রসঙ্গ এবং বিতর্কিত বিভিন্ন পয়েন্টের পুনরুল্লেখ করলেও এ সমস্যার সমাধানে নির্দিষ্ট কোন প্রস্তাব দেননি। তিনি বলেন, তার প্রশাসন এসাইলাম ব্যবস্থা সীমিত করতে একটি নির্বাহী নির্দেশ প্রণয়নের কাজ শেষ করে এনেছে। তিনি বলেন, বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময়ও শরণার্থীরা হর-হামেশা এসাইলাম সুবিধার অপব্যবহার করে থাকে এবং তাদের এসাইলামের প্রয়োজনীয়তাকে অতিরঞ্জিত করে থাকে। তবে তার এই আসন্ন নির্বাহী আদেশে তিনি এসাইলাম ব্যবস্থায় কি ধরনের পরিবর্তন আনতে চলেছেন, কিভাবে সে আদেশ কার্যকর হবে এবং নীতি পরিবর্তনের যে বিষয়টি এখনও একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে সে সম্পর্কে কেন তিনি ভাষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন সে প্রসঙ্গে নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।
শরণার্থীদের সমাবেশে সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণের বিষয়টি তিনি চিন্তা করছেন কিনা প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমি মনে করি না, আমি আশা করি না এমনটি হবে। তবে ওরা তো মিলিটারি। তিনি বলেন, আমি মনে করি না তেমন কিছু হবে। তবে কেউ যদি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের প্রতি ঢিল-পাথর ছুঁড়ে মারে তবে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে কিনা সেটা তারা অবশ্যই বিবেচনা করবে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনী তাদের প্রচলিত বিধি অনুযায়ীই দায়িত্ব পালন করবে। তবে প্রয়োজনে আত্মরক্ষার স্বার্থে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন রিপাবলিকানরা প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করে চলেছেন, ভোটাদের পক্ষে টানার চেষ্টা করেছেন তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্রমাগত এবং ক্রমবর্ধমানভাবে ইমিগ্রেশন ইস্যুতে বক্তব্য দিয়ে গেছেন। নতুন এসাইলাম প্রস্তাবে কি থাকবে বা কেমন করে তিনি তা কার্যকর করবেন সে সব বিষয়ে তিনি কিছু খুলে বলেননি। ট্রাম্প শুধু বলেছেন, আগামী সপ্তাহে তিনি ইমিগ্রেশন বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করবেন যেখানে এ বিষয়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপিত হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন একটি নির্বাহী ব্যবস্থা আরোপ করবেন যাতে বৈধ পথে আসা শরণার্থীরাই শুধু এসাইলামের জন্য আবেদন করতে পারবে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে আসা ব্যক্তিরা নয়। তবে বর্তমানে বলবৎ ‘ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনালিটি’ আইনে বলা আছে, নির্ধারিত বৈধ পথে বা অন্যভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা যে কেউ এসাইলামের জন্য আবেদন করতে পারবেন যদি সেই ব্যক্তি ধর্ম, বর্ণ, জাতীয়তা, রাজনৈতিক মতবাদ বা কোন বিশেষ সামাজিক গ্রুপের সদস্য হওয়ার কারণে নির্যাতন, হয়রানি বা মৃত্যু ভয়ে আতঙ্কিত থাকার পক্ষে গ্রহণযোগ্য যথেষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেন।
ট্রাম্প প্রশাসন এসাইলাম প্রার্থীদের সংখ্যা সীমিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বর্তমান প্রচলিত আইন সম্পর্কে ট্রাম্প এবং তার সহযোগীরা প্রায়শই বলে থাকেন যে এতে অনেক ফাঁক-ফোকর রয়েছে। আজকাল
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes