বাংলা প্রেসের সাথে কবি বেলাল মোহাম্মদ:চল্লিশ বছরেও ঠিক করতে পারিনি আমরা বাঙ্গালী না বাংলাদেশি
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: উনিশ’শ একাত্তরে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্থপতি ও বিশিষ্ট কবি বেলাল মোহাম্মদ সাম্প্রতি নিউইয়র্কে এসেছিলেন। গত ২৭ মার্চ রোববার ২০১১, জ্যাকসন হাইটসের একটি রেস্টুরেন্টে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস-এর সম্পাদক সাবেদ সাথী’র সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ,স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র এবং স্বাধীনতার ঘোষনা ও ঘোষক বিষয় নিয়ে নানা আলোচনা করেন। নিচে কবি বেলাল মোহাম্মদের সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো-স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের স্থপতি ও বিশিষ্ট কবি বেলাল মোহাম্মদ বলেন, আমরা বাঙ্গালী না বাংলাদেশি তা এখনও এই ৪০ বছরে ঠিক করতে পারিনি। আমরা কখনও বাঙ্গালী হয়ে যাই,আবার কখনও বাংলাদেশি হয়ে যাই। একটা কথা মনে রাখতে হবে মানুষ ধর্মান্তরিত হতে পারে, এক ধর্ম থেকে আরেক ধর্মে চলে যেতে পারে। মানুষ দেশান্তরিত হয়ে নাগরিকত্ব বদল করতে পারে। এক দেশের নাগরিক থেকে আরেক দেশের নাগরিক হতে পারে,কিন্তু বাপ-মা যেমন বদলানো যায়না, তেমনি জাতিসত্ত্বাও বদলানো যায়না। আমরা বাঙ্গালী জাতি,বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে তা আগেই বলে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, প্রথম যখন সংবিধান রচিত হয়, সে সময় একটা বক্তৃতায় আমি শুনেছি জাতি হিসেবে আমরা বাঙ্গালী আর নাগরিক হিসেবে আমরা বাংলাদেশি। এটার দুইটা কলাম থাকতে হবে,সব সময় এই সঠিক ঠিকানায় আমরা পৌঁছতে পারিনি। আমাদের স্থিতিশীলতা নেই। কী স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি তা জানিনা। একটা স্বাধীনতা আমি দেখি। আমাদের একটা পতাকা আছে,একটা জাতীয় সঙ্গীত আছে আর সেন্টিমেন্টাল আছে। আর স্বাধীন রাষ্ট্র বলে বাংলা ভাষায় কথা বলা যায়। স্বাধীন রাষ্ট্র বলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। এইসব অর্জন লক্ষ্য করি। অন্যান্য যে অর্জনগুলো আমরা মুক্তিযুদ্ধের জন্য করেছিলাম, সে অর্জনগুলো আমরা একে একে সব হারিয়ে ফেলেছি। ধর্ম নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলেছি। ধর্ম নিরপেক্ষতা হারালে আর আমাদের স্বাধীনতা কোথায় থাকে? ভারত ভাগ হয়েছিল তথাকথিত মুসলমান একজাতি হিন্দু একজাতি একটা উদ্ভব কথা থেকে। এরই ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়েছিল। হাজার হাজার মাইল দুরের একটি অঞ্চল, যাদের সাথে ভাষার মিল নেই, লোকাচারের মিল নেই, কোন কিছুরই মিল নেই। সে রকম একটি দেশের সাথে আমাদের এক দেশ বানিয়ে দেয়া হয়েছিল। ধর্মভিত্তিক আর ভাষা ভিত্তিকই যদি জাতি হয় তাহলে মিডেল ইস্টে এতোগুলো ভাগে বিভক্ত কেন? মিডেল ইস্টে অনেকগুলো দেশ। বেশির ভাগের ধর্ম ইসলাম। বেশির ভাগেরই ভাষা আরবী। তারপরও এতোগুলো দেশ কেন? এই বোধটুকু ছিলনা। নেতারাই তা বিভ্রান্তি করেছিল। আমরা বুঝতে পারি নাই। বুঝতে ২৩ বছর সময় লেগেছে। ২৩ বছর সময় লাগার পরে আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে।
তিনি বলেন,বাংলাদেশের আবহমান কালের ইতিহাসে নবাব সিরাজ উদ্দৌলা’র পর থেকেও যদি ধরা হয়, আর কোন দিনও বাঙ্গালী স্বাধীন ছিল না। বাঙ্গালী সর্ব প্রথম স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালে আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের সময়। আমাকে অনেকেই স্বাধীনতা ঘোষনা বিষয়ে প্রশ্ন করেন স্বাধীনতার ঘোষক কে? স্বাধীনতার ঘোষনা কিভাবে হয়? একটা ট্রান্সমিশন যদি খেজুর গাছের সাথে লটকে দেয়া হয়, আর সেখানে একেক জন গিয়ে যদি বলি, ভাইসব আমি আজ থেকে রাষ্টপতি। তাহলে কি স্বাধীনতার ঘোষনা হবে? স্বাধীনতার ঘোষনা তিনিই করতে পারবেন যিনি অথোরাইজড। বাংলাদেশের স্মরনকালের ইতিহাসে শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া আর কেউই স্বাধীনতার ঘোষনার অধিকার পায়নি। বাঙ্গালীদের জীবনে বাংলার ইতিহাসে শেরে বাংলা ফজলুল হকের মতো বিশাল ব্যক্তিত্বের নেতা আমরা পেয়েছিলাম। নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আমাদের একজন বাঙ্গালী নেতা ছিলেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস বিশাল মাপের বাঙ্গালী নেতা ছিলেন। তাদের আমলেও বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বার বিকাশ পায়নি। আমরা ভারতীয় জাতিসত্ত্বার সাথে একজোট ছিলাম। বাঙ্গালী জাতিসত্ত্বার পুনঃবিকাশ ১৯৭১ সালে হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে। তিনিই একমাত্র স্বাধীনতা ঘোষনার করার অধিকারী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক গুরু ও তাঁর পিতৃসুলভ মাওলানা আব্দুল হামিদ খাঁন ভাসানী তিনি (সম্ভবত) ১৯ মার্চ পল্টন ময়দানে এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, ইয়াহিয়া খাঁন নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দাও। যদি না দাও তাহলে আমি মুজিবের সাথে যোগ দিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধে লিপ্ত হইবো। মুজিবের সাথে যুক্ত হইয়া কেন? উনি নিজে নিজেই স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন না কেন? কারন উনি সবই জানতেন। উনি একজন পলিটিশিয়ান। তাঁর পলিটিক্যাল জ্ঞান আছে। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষনে সরাসরি স্বাধীনতার কথা বলেনি, একটু কায়দা করে বলেছেন,সরাসরি বললে আন্তর্জাতিকভাবে তিনি অপরাধী হতেন। তথাকথিত স্বাধীন রাষ্ট্র পাকিস্তান স্টেটের অধীনে থেকে সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষনা করার মত টাইমেক্স তখনও তৈরি হয়নি। একটা ক্লাইমেক্সের মুখোমুখি হয়ে আছেন তিনি। চতুর্দিকে রাইফেল,কামান ফিট করা আছে। তখন যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা করতেন, তাঁকেও মারতো সঙ্গে সঙ্গে আরও দু’লক্ষ মানুষও মরতেন। তখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ধরা হত না। কাজেই তিনি প্রজ্ঞাবান লোক কায়দা করে বলেছেন, এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। সব বলেছেন এবং ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার কথাও বলেছেন, সব কিছুই বলেছেন। তিনি রেডিও টেলিভিশনে সরাসরি সুস্পস্ট কিছু বলতে পারেনি। আমরা যারা রেডিওতে চাকরি করতাম, আমরা সেই অসহযোগ আন্দোলনে প্রস্তুত ছিলাম। কখন বঙ্গবন্ধুর কি আদেশ আসে। আমরা কোন রাজনীতি করতাম না। সরকারি চাকরি করতাম। কিন্তু তারপরও আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলাম। নির্দেশ আসলে আমাদের সেক্টর থেকে আমরা সেই মোতাবেক কাজ করবো। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই বঙ্গবন্ধুর ডাকেই হয়েছিল ২৬ মার্চ। সেটা করতে কিন্তু কোন রাজনৈতিক নেতারা আসেনি। নেতারা তখন অন্য কাজে ব্যস্ত ছিল। সেনা নায়করাও আসেনি, তারাও অন্য কাজে ব্যস্ত। ঘটনাচক্রে নেতাদের মধ্যে চট্টগ্রামের এম.এ হান্নান তিনি ২৬ মার্চ এসে আমদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন এবং তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার আলোকে বক্তব্য রেখেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনার আলোকে আলোকিত হয়েছিল একটি তারবার্তা। যেটার কপি ছড়িয়ে পড়েছিল যেখানে সেখানে। একটি কপি আমার হাতেও এসেছিল। সেই কপিই আমাদের নাম উচ্চারন ছাড়া আমরা বিভিন্ন কন্ঠে পড়াতাম।
কবি বেলাল মোহাম্মদ বলেন, আমার কেন যেন মনে হয়, যারা দূর থেকে দেশটাকে দেখেন তারা সম্পুর্ণ মানচিত্র একসাথে দেখেন। আমারা যারা দেশে থাকি তাদের চেয়ে প্রবাসী বাঙ্গালীরা দেশ নিয়ে অনেক বেশি স্টাডি করেন। আমেরিকায় এসে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রবাসীদের বক্তাদের নানা ধরনের বক্তব্য শুনে আমার এটাই মনে হয়েছে যে,আপনারা দেশ নিয়ে আরও বেশি ভাবেন। এমনিতে আমরা জানি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রবাসীরা বিরাট ভুমিকা পালন করেন। দেশের ভবিষ্যৎ কল্যাণ চিন্তার ব্যাপারেও যে প্রবাসী বাঙ্গালীরা অসম্ভব ভাবিত এটার প্রত্যক্ষ প্রমান আমি পেয়ে গেলাম। স্বাধীনতার ঘোষক ও ঘোষনা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করে বলেন, কবি এক্সাপাউন্ড ‘দ্য এসেলুয়’ নামে একটি কবিতা লিখেছিল। মনে হয় তিনি কবিতাটি আমার জন্যই লিখেছিল। তাঁর কবিতাটির কথা এরকম ‘ইউ স্যে আই রিপিট, হুইচ আই স্যেইড আর্লিয়ার,আই স্যেইড এগেইন’। ঠিক সে রকম আমাকে কতবার যে বলতে হয় একই বিষয়টি, কিন্তু কোন লাভ হয় না। অনেকেই মনে করেন,আমি বললে স্বাধীনতার ঘোষকের সঠিক ইতিহাস বেরিয়ে আসবে এবং বিতর্কিত সেই বিষয়টির সমাধান হবে। আমি বললেও কোন কাজ হয় না। যে কথাটি ১৯৭১ সালে বলেছিলাম, এখনও বলে আসছি। যে কথাটি গাজীউল হকের ‘এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বইয়েও লেখা রয়েছে। আমরা যে ১০ জন কর্মি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র করেছিলাম সেই বইয়ে আমাদের নামগুলোও আছে। আমরা নিরাপত্তার জন্য কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে মার্চের ২৭ তারিখে জিয়াউর রহমানকে ডেকে এনেছিলাম। সে কথাগুলোও বইয়ে লেখা রয়েছে। তারপরও স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্কের অবসান হয়না। জিয়াকে বেতার কেন্দ্রে ডেকে আনার এখন অনেক দাবিদার। আমাদের রাজনৈতিক মহল ও সংসদে এ নিয়ে এখনও বিতর্ক চলে। আমি এক বাক্যে বলতে চাই জিয়াউর রহমানকে রেডিও স্টেশনে আনার জন্যও আমি দায়ী। জিয়াউর রহমানকে বেতার ঘোষক হিসেবে রোল দেয়ার জন্য আমি দায়ী। কারন ঐ সময় আমি ছিলাম উপস্থাপক। আমি জিয়াকে বলেছি,আমরা এখানে মাইনর, তাই আপনি মেজর হিসেবে কিছু বলেন। সেটা ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ। আমরা জানি ঐ সময়ে মার্চ মাসটি ছিল অত্যন্ত উতপ্ত। সমগ্র জাতি,বাঙ্গালী জাতি তাদের জাতিসত্ত্বার পুনঃবিকাশের জন্য ছিল চরম মুহুর্ত। সে সময়ে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের যে উদ্ভব,ভাষা আন্দোলনের পর থেকেই হয়েছিল তা চরমভাবে বিকশিত ও চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। সমস্ত জাতি এক ব্যক্তিত্বের অধীনে চলে গিয়েছিল। তিনি হলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখন আমাদের একটাই স্লোগান ছিল ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। গান গেয়েছি ‘সাড়ে সাত কোটি মানুষের আরেকটি নাম,শেখ মুজিবুর রহমান’। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যারা যুদ্ধ করেছেন তাদের সাথে আমাদের একটু ব্যবধান রয়েছে। আমরা কেউ বন্দুক হাতে যুদ্ধ করিনি। কেউ যুদ্ধ করেছে বন্দুক নিয়ে,কেউ স্লোগান বা গান নিয়ে। আমরা স্লোগান আর গানের দলে। দু’টোই গান। বাংলায় ‘গ’ আকার ‘ন’ গান আর ইংরেজিতে ‘জি ইউ এন’ গান। এই মিলটা আমরা করাতে পারি। এছাড়া উদ্দেশ্য একই ছিল,স্বাধীনতা অর্জন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের লক্ষ্য করে বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার লক্ষ্য কি? মুক্তিযোদ্ধার লক্ষ্য হল দেশের স্বাধীনতা পাওয়া। স্বাধীনতা পাওয়া মাত্রই স্বাধীন দেশের মুক্তিযোদ্ধারা মনে করবে আমি একটি দেশে চলে এসেছি। তারপরও যদি বিবাদ থাকে তাহলে হতাশা ছাড়া কিছুই পাওয়া যাবে না। আমাদের অনেক চরিত্র হনন হয়েছে।কবি বেলাল মোহাম্মদ বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা হবার পর থেকেই আমি সেখানে জড়িত ছিলাম,রেডিও স্টেশনে চাকরি করতাম। রেডিও’র ৬ টা কেন্দ্রকে থানা ইউনিট বলা হত। আমি যে কেন্দ্রে চাকরি করতাম সে কেন্দ্রের থানা কমান্ড ছিলাম। সেখানে ১০ জনের বেশি বেতার কর্মি হত না। ১৯৮২ সালে ঢাকায় বদলি হয়ে সেখানে ইউনিট কমান্ডার হয়েছিলাম। এরপর ১৯৮৩ চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করি। সব কিছু থেকেই মুক্ত হয়ে গেছি। ১৯৯৪ সালে অধ্যক্ষ আহাদ কেন্দ্রিয় কমান্ড কাউন্সিলে ছিলেন। তিনি অনুরোধ করে ঐ সময়ে আমাকে সাংস্কৃতিক সম্পাদক বানালেন। তারপর কেন্দ্রিয় কমান্ডের মেম্বার হলাম।সংসদে অনাবরতই ছিলাম। তখন দেখেছি সংসদের চরিত্র বদল হয়েছে। গীতায় একটা শব্দ আছে ‘দুষ্টের দমন,শিষ্টের পালন। দুষ্ট আর শিষ্টের সব সময় সংজ্ঞা পরিবর্তন হয়।যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য কবি বেলাল মোহাম্মদ বলেন,আমার কাছে ভাল লাগছে এ জন্য যে, ৪০ বছর পর হলেও অন্য এক দেশে আমার মুক্তিযোদ্ধা সহযোদ্ধা ও প্রবাসী বাঙ্গালীদের সাথে স্বাধীনতা দিবস পালন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes