দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মার্কিনিরা হতাশ
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী থাকায় হতাশ মার্কিন নাগরিকরা। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে যে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল তার অবসান হয়েছে। তবে বেশির ভাগ মার্কিনির মতে, অব্যাহতভাবে তা বেড়েই চলেছে। দ্রব্যমূল্য বেশ চড়া ও জনমনে এ নিয়ে নানা সংশয় ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। সুপার-মার্কেট থেকে বাজার করে বেরুনোর সময় মিয়ামিতে বসবাসকারী চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত ৮৮ বছর বয়সী জর্জ অ্যালবার্টো বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মুদ্রাস্ফীতির হার হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু সেটাই কি প্রকৃত চিত্র? সবজির বাজারে গেলেই বুঝবেন, ঘটনাটা মোটেই সে রকম নয়। সরকার থেকে যে অবসর-ভাতা ও অনুদান পাচ্ছি আমি, তাও এখন হুমকির মুখে পড়েছে। ইউএস ফেডারেল রিজার্ভের নীতি-নির্ধারকদের কাজের ধরন নিয়েও জনমনে উঠছে নানা প্রশ্ন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান দাঙ্গা-সংঘাত, লিবিয়া যুদ্ধ প্রভৃতির কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় ডলারের মূল্যমান এখন নিম্নমুখী। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষক জে. ম্যাককিভার মন্তব্য করেন, আমার মনে হয় না ফেডারেল রিজার্ভ সাধারণ জনগণের কথা ভাবেন। আমি যথেষ্ট মিতব্যয়ী। যা খরচ করি, তার এটা হিসাব সব সময়ই রাখি আমি। সামপ্রতিক মাসগুলোতে লক্ষ্য করেছি, পূর্বের তুলনায় অল্প টাকা সঞ্চয় করতে পারছি আমি। তা দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নেয়ার মতো টাকাও অবশিষ্ট থাকছে না আমার হাতে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে দশমিক ৫ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এ বছর পণ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে ২ দশমিক ১ শতাংশ। স্যান ফ্রান্সিসকোর বাসিন্দা ৫০ বছর বয়সী প্যাটি পিটারসন জানান, সে অনুপাতে কারও বেতন বাড়েনি। এভাবে কখনওই ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের গৃহস্থালীতে সাধারণ মানুষ এখন বেশ অসহায়বোধ করছেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাবে দাম বেড়েছে নিত্য-প্রয়োজনীয় কাপড় ধোয়ার ডিটারজেন্টের। দাম বেড়েছে চিনি, ভোজ্য তেল, গম, চকোলেট বার, বিভিন্ন খাদ্যশস্য ও অন্যান্য পণ্য সামগ্রীর। সাত সন্তানের মা ৪৭ বছরের চেরিল হলব্রুক বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে জন্য ৩০ শতাংশ বেশি খরচ করতে হয়েছে আমাকে। খাবার, জ্বালানি তেল ও গ্যাসোলিনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন সাধারণ ক্রেতারা। মার্কিন নাগরিকরা জানান, এতে তাদের বাজেটেও বেশ ঘাটতি পড়ছে। অনেকেই চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য প্রয়োজনীয় খরচটুকুও যোগাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল








